ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গে একাই লড়ছে কংগ্রেস। নেতা-কর্মীরা চেষ্টা করছেন, যে কোনও মূল্যে অন্তত কয়েকটি আসনে যদি জয় মেলে। ভোটকে পাখির চোখ করে বাংলায় প্রচার করছেন খোদ রাহুল গান্ধী। কয়েকদিনের ব্যবধানে বুধবার ফের বঙ্গে আসছেন তিনি। আগামী ২৩ এপ্রিল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বাংলায় একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। কলকাতার বুকে দুটি সভা করার কথা। একটি মেটিয়াবুরুজ অন্যটি পার্ক সার্কাস ময়দানে। কিন্তু কমিশনের নিয়মের গেরোয় মেলেনি অনুমতি। ফলে সভা ঘিরে এখনও অনিশ্চয়তা। তবে ওইদিন শ্রীরামপুরে সভা করবেন রাহুল।
সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬
৮০০ নেতা-কর্মীকে গ্রেফতারের আশঙ্কা করছে তৃণমূল!
![]() |
রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
আই-প্যাকের সিদ্ধান্ত নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী!
আমাদের তো রোজই ইডি রেড করছে। ইলেকশনের সময় মনে পড়ল ওদের? যারা আমাদের পার্টির কাজ করে তাদের বলছে বাংলা ছেড়ে চলে যাও। তোমাদের তো পঞ্চাশটা আছে। আমাদের একটা আছে। শুনুন ওদের ভয় দেখালে, ওরা আমাদের দলের সঙ্গে যুক্ত হবে। আমরা ওদের চাকরি দেব।
'মা-বোন-কন্যদের কাছে ক্ষমা চাইছি': মোদী
লোকসভার আসন বাড়িয়ে মহিলাদের সংরক্ষণ চালুর উদ্দেশে আনা ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল। যদিও শুক্রবার লোকসভায় পাশ করাতে পারেনি কেন্দ্র। এ বার সে জন্য কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির উদ্দেশে কড়া ভাষা প্রয়োগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 'ভ্রূণহত্যা'র অভিযোগ তুললেন কংগ্রেস, তৃণমূল, ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টি (এসপি)-র মতো দলগুলির বিরুদ্ধে।
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
নির্বাচনের মুখে ডিএ নিয়ে ভাল খবর!
কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ভাল খবর। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি কর্মীদের জন্য ২ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়ে দিল মোদি সরকার। যার জেরে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ-র হার বেড়ে দাঁড়াল মূল বেতনের ৬০ শতাংশ।
হরমুজ প্রণালীতে ভারতের তেলবাহী জাহাজে হামলার অভিযোগ!
হরমুজ প্রণালীতে ভারতের তেলবাহী জাহাজে হামলার অভিযোগ। জাহাজ লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়েছে ইরানের নৌসেনা। এই হামলার জেরে শেষ পর্যন্ত পিছু হটেছে জাহাজ দুটি। ভারতীয় জাহাজের উপর এহেন হামলার ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি। গোটা ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে বিদেশমন্ত্রক।
অধীর চৌধুরীই আমার গুরুদেব! বিশ্বাসঘাতকতা করেছি! তৃণমূল প্রার্থী বাইরনের মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক
অধীররঞ্জন চৌধুরীই তাঁর 'গুরুদেব'। তাঁর হাত ধরেই রাজনীতিতে এসেছিলেন। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত অধীরকে তিনি মনে রাখবেন। এমনটাই দাবি করলেন মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস। এমনকি, কংগ্রেসের সঙ্গে তিনি 'বিশ্বাসঘাতকতা' করেছেন বলেও স্বীকার করে নিলেন বাইরন। ভোটের আগে তাঁর এই সমস্ত মন্তব্য নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বাম-সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী হিসাবে ২০২৩ সালের উপনির্বাচনে সাগরদিঘি থেকে লড়েছিলেন বাইরন। তৃণমূল প্রার্থীকে প্রায় ২৩ হাজার ভোটে হারিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু জেতার পরেই তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে সাগরদিঘি থেকে সেই বাইরনকেই টিকিট দিয়েছে রাজ্যের শাসকদল। আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় তাঁর কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। তার কয়েক দিন আগে অন্য সুর শোনা গেল সেই বাইরনের মুখে। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, অধীর তাঁর 'দাদার মতো' এবং সেই অধীরের সঙ্গে তিনি 'স্বার্থপরের মতো বিশ্বাসঘাতকতা' করেছেন।বাইরনকে অধীর প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "সারা দেশ জানে, অধীর চৌধুরীর হাত ধরেই আমি কংগ্রেসের জোট প্রার্থী হয়েছিলাম। সেলিম (সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম) সাহেবের হাত ধরে প্রার্থী হয়েছিলাম। যেটা সত্যি, সেটা তো বলতেই হবে। আমি শুধু কংগ্রেস আর সিপিএমের ভোটে জয়ী হইনি। তা সম্ভব ছিল না। আমাকে বিজেপিও ভোট দিয়েছে। তৃণমূলের ভোটও পেয়েছি।" সাগরদিঘির মানুষের উদ্দেশে বাইরনের বার্তা, "আমি বাইরন বিশ্বাস নিজে বলছি, যদি বিজেপির প্রার্থী বা অন্য কোনও প্রার্থীকে আপনারা আমার থেকে ভাল বলে মনে করেন, তাঁকে জয়ী করুন। তাঁর কাছ থেকে পরিষেবা নিন। যদি মনে হয়, অন্য কেউ সবসময় আপনাদের পাশে থাকবে, বাইরন বিশ্বাসকে জয়ী করার দরকার নেই।"






