দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এবার আশার আলো দেখছে পুরুলিয়ার ছররা বিমানবন্দর। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে এই পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটিকে পুনরুজ্জীবিত করার কাজ শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্র সরকারের ‘উড়ান’ প্রকল্পের আওতায় এই বিমানবন্দরটিকে যুক্ত করে এর আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই প্রকল্পের জন্য মোট ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সাংসদ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, ১৯৪২ সালে সামরিক প্রয়োজনে ছররা বিমানবন্দরটি তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এটি সক্রিয়ভাবে ব্যবহৃত হলেও তারপর থেকেই এটি সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বাম আমল থেকেই এই বিমানবন্দরটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও কাজ এগোয়নি। এমনকি বর্তমান তৃণমূল সরকারের আমলে বিগত ১৫ বছরে একাধিকবার এই নিয়ে ঘোষণা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতির পালাবদলের পর সাম্প্রতিক বাজেটেই ছররা বিমানবন্দর চালুর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় এবং এর জন্য ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়।
এবার জেলাতেই হবে বিমানবন্দর!
অভিষেকের দফতর ভাঙা যাবে না ৬ আগস্ট পর্যন্ত!
দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কার্যালয় ভাঙার উপর স্থিতাবস্থা বহাল রাখল কলকাতা হাই কোর্ট। আজ, মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানিয়েছেন, আগামী ৬ অগস্ট পর্যন্ত এই স্থিতাবস্থা বহাল থাকবে। ওই দিনই দুপুর ২টোয় ফের এই মামলাটি শুনবে হাই কোর্ট। এর আগে গত ১৯ জুলাই (রবিবার), ছুটির দিনে এজলাস বসিয়ে ওই কার্যালয় ভাঙার উপর স্থিতাবস্থা জারি করেছিল হাই কোর্ট।
মঙ্গলবার রাজ্যের পক্ষ থেকে ওই স্থিতাবস্থা তুলে নেওয়ার জন্য নতুন করে আবেদন করা হয়। অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) সুরজিৎনাথ মিত্র জানান, মামলায় অন্তর্বতী নির্দেশ প্রত্যাহার করার আবেদন করা হয়েছে। ওই বিষয়ে দ্রুত শুনানি করা হোক। উল্টো দিকে, অভিষেকের সংস্থা 'লিপস্ অ্যান্ড বাউন্ডস'-এর পক্ষ থেকে আইনজীবী কিশোর দত্ত অন্তর্বতী নির্দেশের মেয়াদবৃদ্ধির আবেদন করেন। তৃণমূলের পক্ষ থেকেও ওই ভাঙার বিরুদ্ধে নতুন করে আবেদন করেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য।
রাজ্যের বক্তব্য, সেখানকার ৫০৯ এবং ৫১২ নম্বর দাগ জমির উপর নির্মাণ ভাঙা নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। অথচ সেখানে কোনও ভাঙার কাজ হয়নি। ভাঙা হয়েছে ৫০৭ নম্বর দাগে। ফলে আদালতের আগের স্থিতাবস্থার নির্দেশ প্রত্যাহার করা উচিত। পাল্টা কিশোর জানান, জমির দাগ নম্বর নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে, ওই বিষয়ে বক্তব্য জানানো হবে। তিনি বলেন, "আমার মক্কেল (অভিষেক) জমির মালিক। ভাঙার আগে ওই সংস্থাকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। এমনকি অভিযোগে কী ছিল, কোন নথির ভিত্তিতে বেআইনি নির্মাণ বলা হয়েছে, সেই সব তথ্যও দেওয়া হয়নি। কোনও বক্তব্যের সুযোগ না-দিয়েই ভাঙা হয়েছে।" একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, "যদি বেআইনি নির্মাণ হয়েও থাকে, তবে প্রথমে জমির মালিককেই ভাঙার জন্য সময় দেওয়া উচিত। তিনি না-ভাঙলে তখন কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ করতে পারতেন। এ ক্ষেত্রে সেটিও হয়নি।"
দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি ঘোষ জানান, এই মামলায় তিনটি আলাদা আবেদন জমা পড়েছে। সেগুলি নিয়ে একত্রে শুনানি করা প্রয়োজন। তাই আপাতত মামলার শুনানি মুলতবি রাখা হল। আগামী ৬ আগস্ট এই মামলার শুনানি হবে।






