পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ঠিকানা-সহ শহরের ৮টি জায়গায় শনিবার সকালে অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এর পাশাপাশি ভবানীপুরের বাড়িতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন ইডি আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, পুরসভাগুলিতে অন্তত ১২৫ জনের বেআইনি নিয়োগের সঙ্গে মদন মিত্রের সরাসরি যোগ রয়েছে। দালালদের মারফত ঘুষ যেত বিধায়কের কাছে। অনেক ক্ষেত্রে টাকা নেওয়া হত না, ঘুষ হিসেবে নেওয়া হত সোনা। অয়ন শীলের রহস্যময় ডায়েরিতে থাকা 'MM'-এর সূত্র ধরেই এদিন মদনের বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডি।
শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
তৃণমূলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সায়নীকে নিয়ে ধুন্ধুমার!
লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন 'বিদ্রোহী' ১৯ জন তৃণমূল সাংসদ। সম্প্রতি সেই চিঠি ঘিরে বিতর্ক কম হয়নি রাজনৈতিক মহলে। তাঁতেই রয়েছে সায়নী ঘোষের স্বাক্ষর। সেই চিঠির প্রতিলিপি যুব তৃণমূলের গ্রুপে পাঠিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন, এটা কি আপনার সই? ক্লিয়ার করুণ।
সই আপনার হলে অবিলম্বে ইস্তফা দিন। মেসেজগুলি দেখেও কোনও উত্তর দেননি দলের অ্যাডমিত তথা যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ সায়নী। তৃণমূলে ভাঙনের শুরুতেই দলের সব কমিটি ভেঙে দেয় দল। অন্যান্য় কমিটিতে রদবদল হলেও নতুন কমিটিতে যুব তৃণমূলের সভাপতি পদে সায়নী ঘোষকেই রাখা হয়। এরই মধ্যে দেখা যায় কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে যে ১৯ জন তৃণমূল সাংসদ এনডিএকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সায়নীও। এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন এই 'বিদ্রোহী' সাংসদরা। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই দলের অন্দরে শুরু হয় জোর জল্পনা। যুব তৃণমূলের হোয়াসটঅ্যাপ গ্রুপে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়েন সায়নী। দু-তিন দিন ধরেই অভিষেক ঘনিষ্ঠ সায়নীকে নিয়ে গ্রুপে প্রশ্ন তুলছিলেন যুব তৃণমূল নেতারা। গতকাল তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের সই করা চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই সেই চিঠির প্রতিলিপি গ্রুপে আপলোড করে যুব নেতারা প্রশ্ন করেন, "এই সই কি আপনার? আপনার সই হয়ে থাকলে এখনও পর্যন্ত এই গ্রুপে কেন আছেন?" অন্য এক নেতা লিখেছেন,"ক্লিয়ার করে জানান। আর যদি সত্যি আপনার সই হয় তাহলে আগে ইস্তফা দিন।" কয়েকদিন আগে 'নিরুদ্দেশ' সায়নীর খোঁজ দিতে পারলে পুরস্কার দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন এক যুব নেতা। জানা গিয়েছে, এই গ্রুপের অ্যাডমিন সায়নী নিজেই।
তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে এ বার সুদীপও!
লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলে বিদ্রোহ আরও একবার প্রকট হচ্ছে। এ বার বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। শনিবার দিল্লিতে বিদ্রোহী সাংসদ শতাব্দী রায়ের সঙ্গে এক গাড়িতে দেখা গেল কলকাতা উত্তরের সাংসদকে। দিল্লি বিমানবন্দর থেকে শতাব্দীর সঙ্গে একই গাড়িতে চেপে তিনি রওনা দেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ির উদ্দেশে।
বিমানবন্দর থেকে দু-জনে সোজা পৌঁছে যান ভূপেন্দ্রের বাড়িতে। সেখানে একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা। উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের বেশ কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে। তৃণমূলের এই বিদ্রোহী শিবিরের নেতৃত্বে রয়েছেন বারাসতের কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শতাব্দী। এমতাবস্থায় 'বেলাইন' হয়ে যাওয়া শতাব্দীর সঙ্গে একই গাড়িতে চেপে সুদীপের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে যাওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।
শনিবার সকালে কলকাতা থেকে দিল্লিতে গিয়েছেন সুদীপ। শতাব্দীও ওই একই বিমানে দিল্লিতে গিয়েছেন। অবতরণের পরে বীরভূমের বিদ্রোহী সাংসদ শতাব্দীর সঙ্গে একই গাড়িতে উঠে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে বেরোন সুদীপ।
ভোরে অভিষেকের বাড়ির তালা ভাঙল পুলিশ!
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে খুঁজতেই ভোর থেকে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে শালবনি থানার পুলিশ। সূত্রের খবর, সুমিতের মোবাইলের শেষ ‘টাওয়ার লোকেশন’ ছিল অভিষেকের বাড়িতেই। সেই সূত্র ধরে রাত ৩টে নাগাদ পুলিশ কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায় পৌঁছে যায়। ডাকাডাকিতে কেউ সাড়া না দিলে ভাঙা হয় বাড়ির বাইরের দরজার তালা।
শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
বিদ্রোহী শিবিরে তৃণমূলের কোন ১৯ সাংসদ?
লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে দিন কয়েক আগেই চিঠি দিয়েছেন 'বিদ্রোহী' তৃণমূল সাংসদরা। এমনটাই খবর। এর সঙ্গে এনডিএ ব্লকের সদস্য হওয়ার কথাও জানিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু প্রকাশ্যে এবিষয়ে ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের দু-একজন ছাড়া কেউই মুখ খুলছেন না। ফলে তালিকায় কারা, তা নিয়ে জল্পনা ছিলই। এই পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে এল সাংসদদের সই করা চিঠি। তাতেই স্পষ্ট, কোন ১৯ জন হাত ছেড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় রয়েছেন, দেব, রচনা, জুন থেকে শুরু করে অভিষেক ঘনিষ্ঠ সায়নী ঘোষ, বাপি হালদাররাও। পালাবদলের পরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে তৃণমূল। সম্প্রতি ঋতব্রত-পন্থীদের বিদ্রোহে পরিষদীয় দলের রাশ হারিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
গত সোমবার দিল্লিতে বিস্তর জল্পনা শেষে সংসদীয় দলের নিয়ন্ত্রণও খুইয়েছেন তিনি। শোনা যাচ্ছিল, ২০ জন তৃণমূল সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগ দিতে চেয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন। সেই তালিকায় কারা রয়েছেন, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিস্তর জল্পনা চলছিল। শুক্রবার প্রকাশ্যে এল সাংসদদের সই করা চিঠি। নথি অনুযায়ী, সই করেছেন ১৯ সাংসদ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত বিশ্বস্ত কাকলি ঘোষ দস্তিদার। যদিও তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বেসুরো। রয়েছেন দেব। ভাঙনের মরশুমে ঘোষিত তৃণমূলের নতুন কমিটিতে যুব সভাপতির দায়িত্ব পাওয়া সায়নী ঘোষও সই করেছেন। এছাড়া রয়েছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, শতাব্দী রায়। দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ মালা রায়, আবু তাহের খান, খলিলুর রহমান, কালীপদ সোরেনও বিদ্রোহী শিবিরে। সই করেছেন পার্থ ভৌমিক, মিতালি বাগ, অরূপ চক্রবর্তী, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার, অসিত মাল, ইউসুফ পাঠান।
পুজো অনুদান নিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? পড়ুন
মুখ্যমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নিয়েই ধর্মের ভিত্তিতে যে ভাতাগুলো দিত পূর্বতন সরকার, তা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। স্বাভাবিকভাবেই ক্লাব কর্তাদের মনে প্রশ্ন ছিল, তবে কি এবার দুর্গাপুজোর অনুদানও বন্ধ করে দেওয়া হবে? শুক্রবার নিউটাউনের অনুষ্ঠান থেকে পুজো অনুদান নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানালেন, "যারা ওই টাকার উপর ভিত্তি করে পুজোর আয়োজন করেন, তাঁরা অনুদান পাবেন। যাদের প্রয়োজন নেই, তাঁরা পাবেন না।" অর্থাৎ বড় ক্লাবগুলো এবার থেকে আর পাবে না পুজো অনুদান।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় থাকাকালীন একাধিক অনুদানের ব্যবস্থা করেছিলেন। ২০১৮ সালে তিনিই দুর্গাপুজোর আয়োজনে যাতে ক্লাবগুলোকে সমস্যা ভোগ করতে না হয় সেই কারণে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমবছর রাজ্যের প্রতিটি ক্লাব পেয়েছিল ১০ হাজার টাকা। সরকারি অর্থ এভাবে ব্যয় নিয়ে প্রশ্নও উঠেছিল অনেক। বিরোধীরা সোচ্চার হয়েছিলেন। তবে সেসবকে গুরুত্ব দেননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। বন্ধ তো দূর, উলটে প্রতিবছর বেড়েছে অনুদানের অর্থ। গতবছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে রাজ্যের তরফে ক্লাবগুলো পেয়েছিল ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। অর্থাৎ এই খাতে একটা বড় অঙ্ক খরচ হয়েছিল রাজ্যের। বড় ক্লাবগুলো, যাদের পুজোর বাজেট কয়েক কোটি টাকা, তাঁদের কেন অর্থ সাহায্য করা হবে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছিল।পালাবদল হতেই ধর্মের ভিত্তিতে যে ভাতাগুলো দিত পূর্বতন সরকার, তা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফলে চলতি বছরে দুর্গাপুজোর অনুদান মিলবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিলই। শুক্রবার নিউটাউনে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সভা থেকে এনিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "যাদের দরকার নেই, তাঁদের দেওয়ার প্রযোজন নেই। যাঁরা ওই অর্থের জন্যই পুজো করতে পারেন, তাঁরা পাবেন।" অর্থাৎ এবার ক্লাবের ফান্ডের উপর ভিত্তি করে দেওয়া হবে অনুদান। তবে এবার বাংলায় পুজোর সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই জানান শুভেন্দু।
এবার থেকে পাম্প থেকে সবাই কিনতে পারবে না পেট্রল-ডিজেল!
আর পেট্রল পাম্প থেকে সবাইকে পেট্রল-ডিজেল দেওয়া হবে না। এবার থেকে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। শিল্প ক্ষেত্রে, ব্যবসার ক্ষেত্রে এবং বড় কোনও সংস্থার ব্যবহারের জন্য পেট্রল বা ডিজেল আর পেট্রল পাম্প থেকে কেনা যাবে না। পেট্রল পাম্প থেকে শুধুমাত্র সাধারণ গ্রাহকরাই জ্বালানি তেল কিনতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার এক নির্দেশিকায় জানিয়েছে মোদি সরকার। সাধারণ পেট্রল পাম্পগুলি মূলত খুচরো ক্রেতাদের জন্য। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় খুচরো গ্রাহকদের ছাড়িয়ে অনেক ব্যবসায়ী, কল-কারখানার ব্যবহারের জন্য বা বড় কোনও সংস্থার ব্যবহারের জন্য পেট্রল পাম্প থেকেই তেল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যাটা মূলত হয় ডিজেলের ক্ষেত্রে। কেন্দ্রের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এভাবে আর পম্প থেকে তেল কিনতে পারবে না ওই ব্যবসায়ীরা। তাদের তেল কিনতে হবে সরাসরি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার পাইকারি তেল বিক্রয় কেন্দ্র থেকে। কেন এই নির্দেশিকা? প্রথমত বিশ্বজুড়ে তেল সংকট। যার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম আকাশছোঁয়া। এই পরিস্থিতিতে প্রতিনিয়ত মোটা লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। এখন এই বড় ব্যবসায়ীক সংস্থাগুলি যদি সরাসরি তেল সংস্থাগুলির কাছে থেকে তেল কেনে তাহলে তাঁদের লোকসানের পরিমাণ খানিকটা কমবে।
mgid
adgebra
Offer-2
offer-1
Adnow
AD
Popular Posts
-
রাজ্যের স্কুল গুলিতে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের মধ্যে সমস্যা আছে। আর সেই কারণে এই রাজ্যে শিক্ষকের ঘাটতি আছে। সোমবার বিধানসভায় এমনই কথা বললেন ...
-
টার্গেট ২০১৯ এর লোকসভা ভোট। আর তার আগে বিজেপি বিরোধী জোট মজবুত করতে আগ্রহী চন্দ্রবাবু নাইডু। আর সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্...
-
প্রায় জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করল ভারত। যে কোনও দলের কাছে এই হার লজ্জার। বুধবার ব্রিসবেনে ডাকওয়ার্থ লুইস সিস্টেমে প্রথম টি২০ ম্যাচ মাত্র ৪ ...






