দল একটাই। কিন্তু এখন তা আসল-নকলের দ্বন্দ্বে ভেঙে চুরমার। একটা কালীঘাট তৃণমূল। আরেকটা ঋতব্রতদের তৃণমূল। সম্প্রতি, ২১ জুলাই নিয়েও দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছে দুই তৃণমূলের মধ্যে।
কালীঘাটের তৃণমূলের মতো ভিক্টোরিয়া হাউজেই শহিদ দিবস পালন করতে চায় ঋতব্রতপন্থীরা। যখন শহিদ দিবসের এই সমাবেশ নিয়ে রাজ্য-রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক সেইসময় ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। ঋতব্রত তৃণমূলের বিরুদ্ধে থানায় গেল কালীঘাট শিবির। ঋতব্রত, সন্দীপন, জাভেদ, অরূপদের বিরুদ্ধে দু-টি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে কালীঘাট তৃণমূল। বিনা অনুমতিতে দলের নাম ও প্রতীক ব্যবহারের অভিযোগ ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে। প্রতারণা, চক্রান্ত, ভিত্তিহীণ তথ্য পেশেরও অভিযোগ তুলে পুলিশের কাছে দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল। ঋতব্রত শিবিরের নেতাদের পাশাপাশি নিউটাউনের সভায় উপস্থিত থাকা কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা হয়েছে। উল্লেখ্য দিন কয়েক আগেই, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নিউটাউনের গোপন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুরনিগমের একগুচ্ছ কাউন্সিলর।
রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
কালীর 'কালো হাত' ক্যান্টিনে; কালীর নয়া কীর্তি ফাঁস
হাসপাতালে পাপিয়া অধিকারী!
হাসপাতালে ভর্তি টলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী। সূত্রের খবর, শনিবার তাঁকে বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে এ দিন তাঁর একটি মাইক্রো সার্জারি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাপিয়ার সোশাল মিডিয়াতেই বেশ হাসপাতালের বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে।
পাপিয়া অধিকারী জানান, ডান হাতের মধ্যমায় ইনফেকশন হয়েছিল তাঁর। এই সংক্রমণের কারণে আঙুলটি মারাত্মক ফুলে গিয়েছিল। এই আঙুলের জন্য ডানহাতে কোনওরকম কাজ করতে পারছিলেন না তিনি। ডাক্তার তাঁকে জানিয়ে ছিলেন এই অবস্থায় যদি বেশিদিন আঙুলটি থাকত, তাহলে কেটে বাদ দিতে হত। এই কারণেই দ্রুত একটি মাইক্রোসার্জারি করতে হয়েছে। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অস্ত্রোপচার চলেছে। বাঙুরের মতো সরকারি হাসপাতালের প্রশংসা করে পাপিয়া বলেন, "আমি টালিগঞ্জের বাসিন্দা। তাই বাঙুরই আমার যাওয়াটাই সুবিধাজনক ছিল। তাছাড়াও বাঙুরের চিকিৎসা ব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো। অপারেশন থিয়েটারও দারুণ। আমি যখন গিয়েছি, খুবই সচেতন ও যত্ন করে আমার চিকিৎসা করেছে। তাহলে অন্য কোথাও যাব কেন!"
'জাস্টিস ফর তামান্না...কথা রেখেছি'; ধৃতদের নামের তালিকা প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর
দিন কয়েকআগে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখে শোনা গিয়েছিল তামান্না প্রসঙ্গ। তারপরই মৃত নাবালিকার মা সাবিনা ইয়াসমিন দেখা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। কয়েকদিনের মধ্যে তামান্না কাণ্ডে পুলিশের জালে আরও ১২ অভিযুক্ত। শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে ধৃতদের নামের তালিকা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। লিখলেন, 'কথা রেখেছি'।
গতবছর ২৩ জুন উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দুপুরে কালীগঞ্জ থানার মোলান্দি গ্রামে দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় ৯ বছরের তামান্না খাতুনের। ঘটনায় নিহতের মা সাবিনা ইয়াসমিন ২৪ জনের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রথম দফায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও বাকি অভিযুক্তরা পলাতক ছিল। সুবিচারের জন্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতেও চেয়েছিলেন তামান্নার মা। কিন্তু তা হয়নি। পালাবদলের পর মঙ্গলবার বিধানসভায় তামান্না খুনের বিষয়ে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছিলেন, তামান্নার পরিবারও বিচার পাবে। এরপরই তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। কথা দিয়েছিলেন, ছোট্ট তামান্না বিচার পাবেই। এরপরই শুরু হয় পুলিশের ধরপাকড়। একের পর এক শুরু হয় গ্রেপ্তারি। শুক্রবার গত কয়েকদিনে তামান্না কাণ্ডে জড়িত ১২ জনের তালিকা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬
জাহাঙ্গিরকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরানো 'মানবাধিকার লঙ্ঘন': হাই কোর্ট
ফলতার জাহাঙ্গির খানকে কোমরে দড়ি আর হাফ প্যান্ট পরিয়ে এলাকায় ঘোরানোর ঘটনায় মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাই কোর্ট। এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে আচরণের বিরুদ্ধে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন জাহাঙ্গিরের স্ত্রী সারিকা বিবি। সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, জাহাঙ্গিরের সঙ্গে এমন কোনও আচরণ যেন না করা হয়, যাতে তাঁর মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়।
ফিরহাদের গ্রেফতারি চেয়ে সুর চড়াচ্ছে কালীঘাট-তৃণমূল, বাম, বিজেপি, কংগ্রেসও
তারাতলার ভেঙে পড়া গুদামের নকশায় চূড়ান্ত ছাড় দেওয়ার অভিযোগে বিদ্ধ প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এবার তাঁর গ্রেফতারির দাবিতে সুর চড়াচ্ছেন মমতা-পন্থী তৃণমূল নেতারা। একই দাবি বাম ও কংগ্রেস্র। এমনকি, বিজেপির নেতা-মন্ত্রীরাও। ওই নির্মীয়মাণ গোডাউনের ছাদ ভেঙে পড়ার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এদেছে।
গুদামের নকশা ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং তাতে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছিলেন তদানীন্তন মেয়র ফিরহাদ—এই তথ্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভার ভিতরেই জানিয়েছেন। তার পর থেকে নানা সূত্রে ফিরহাদের নাম এসেছে। সরকারি নথি বলছে, গত বছর ২০ নভেম্বর মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং কমিটির বৈঠকে গুদামের নকশাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। মিটিং নোটে মন্তব্য করা হয়, নকশায় বিল্ডিং রুল 'সেই অর্থে' ভাঙা হয়নি, কিন্তু বিল্ডিং বিভাগের মেয়র পারিষদ অথবা মেয়রের অনুমতি ছাড়া যে এই ছাড়পত্র কার্যকর হবে না, সে কথাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মিটিং নোটে সই করে অনুমতি দিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম, যিনি ছিলেন একাধারে মেয়র এবং বিল্ডিং বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত।তা ছাড়া, যে গোডাউন ভেঙে পড়েছে, সেটি তৈরির দায়িত্বে ছিলেন আসগর হোসেন, যিনি নাকি সংশ্লিষ্ট ৮০ নম্বর ওয়ার্ডের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর আনোয়ার খানের ঘনিষ্ঠ। দু-জনের সঙ্গেই ফিরহাদের ছবি পাওয়া গিয়েছে। ঘনিষ্ঠতার আরও প্রমাণ পাওয়া যেতে পারে। ফিরহাদ অবশ্য দায় এড়িয়েছেন। তিনি বলেন, "আমি যত দূর জেনেছি, গোডাউনটা বেআইনি নয়। নজরদারির অভাব ছিল। মেয়র বা কমিশনার গিয়ে তো আর নজরদারি করতে পারেন না।" তাঁর যুক্তি, তিনি বিশেষজ্ঞ নন, মিটিং নোটে তাঁর সই একটি ফর্মালিটি মাত্র।কিন্তু ফিরহাদকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করার দাবি জানিয়েছেন মমতা শিবিরের বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সাংসদ মহুয়া মৈত্রের প্রশ্ন, প্রাক্তন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস যদি 'অকারণে' দু-সপ্তাহের ওপর জেলে থাকেন, তবে ফিরহাদ মুক্ত কী ভাবে? সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী প্রশ্ন তুলেছেন, 'সরকার-অনুগত বিরোধী দলের' অংশ হওয়ার কারণেই কি শহরে একের পর এক নির্মাণ দুর্ঘটনার পরেও প্রাক্তন মেয়র তথা পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীর গায়ে আঁচ লাগছে না? বিজেপির নেতারা পাল্টা বলছেন, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বিধানসভায় ফিরহাদের নাম তুলে নথিতে তাঁর সই দেখিয়েছেন, সেখানে তাঁর সরকার ফিরহাদকে বাঁচাবে, এই প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে?
mgid
adgebra
Offer-2
offer-1
Adnow
AD
Popular Posts
-
রাজ্যের স্কুল গুলিতে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের মধ্যে সমস্যা আছে। আর সেই কারণে এই রাজ্যে শিক্ষকের ঘাটতি আছে। সোমবার বিধানসভায় এমনই কথা বললেন ...
-
প্রায় জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করল ভারত। যে কোনও দলের কাছে এই হার লজ্জার। বুধবার ব্রিসবেনে ডাকওয়ার্থ লুইস সিস্টেমে প্রথম টি২০ ম্যাচ মাত্র ৪ ...
-
টার্গেট ২০১৯ এর লোকসভা ভোট। আর তার আগে বিজেপি বিরোধী জোট মজবুত করতে আগ্রহী চন্দ্রবাবু নাইডু। আর সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্...






