দুর্নীতির পাশাপাশি দলের শৃঙ্খলা রক্ষাতেও জিরো টলারেন্স নীতি বিজেপির। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য। তার জেরে দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের বিধায়ককে শোকজ করল রাজ্য বিজেপি। সাতদিনের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে হবে বিধায়ক সত্যেন রায়কে। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত সত্যেন রায়।
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের ঘাটতি মেটাতে বেসরকারি হাসপাতালে নজর!
সরকারি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ঘাটতি মেটাতে বেসরকারি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক আনার কথা ভাবছে স্বাস্থ্যভবন। চুক্তির ভিত্তিতে বেসরকারি স্বাস্থ্যক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের সরকারি হাসপাতালে নিয়োগ করে আপাতত শূন্যপদ পূরণ করা হবে, জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সরকারি চিকিৎসকদের বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখা (প্রাইভেট প্র্যাকটিস) নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে স্বাস্থ্যভবন যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, তা নিয়ে বিতর্ক ঠেকাতেই বেসরকারি স্বাস্থ্যক্ষেত্রে নজর দিচ্ছে সরকার। সোমবার স্বাস্থ্যভবনের নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, সরকারি হাসপাতালে কোনও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে যে দিন রোগী ভর্তি হবেন, সেই দিন থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা ওই চিকিৎসক ‘প্রাইভেট প্র্যাকটিস’ করতে পারবেন না।
হাওড়ার আবাসনে বিধ্বংসী আগুন! মৃত্যু বৃদ্ধার
হাওড়াতে বিধ্বংসী আগুন। একটি আবাসনে আগুন লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। যেখানে আগুন লেগেছে সেখানে পাঁচ থেকে সাতজন আটকে ছিল বলে খবর। তাঁদের উদ্ধারে এসেছে পাঁচটি দমকলের ইঞ্জিন। আগুনে অনেকে ঝলসে গিয়েছে বলে এখনও অবধি জানা যাচ্ছে। মৃত্যু এক বৃদ্ধার।
সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
অন্নপূর্ণা বিভ্রাটের নেপথ্যে অন্তর্ঘাত; বিস্ফোরক শমীক ভট্টাচার্য
যে কথা পুর-নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখে শোনা গিয়েছে, তা আরও একবার সরাসরি এবং স্পষ্ট ভাবে বলতে শোনা গেল বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে। জেলায় জেলায় অন্নপূর্ণা যোজনার তিন হাজার টাকা না-পাওয়া নিয়ে মহিলারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। শমীক বলছেন, গোটা পরিস্থিতির জন্য কিছু ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনায় বিচ্যুতি রয়েছে। তবে অন্তর্ঘাত রয়েছে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে।
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
যাদবপুর কাণ্ডে কড়া বার্তা অগ্নিমিত্রার!
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
টোটোর পর এবার মোটরভ্যান নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের কথা বললেন অর্জুন সিং!
টোটোর পর এবার মোটর ভ্যান নিয়ে কড়া পদক্ষেপ রাজ্য পরিবহন দফতরের। আগেই জাতীয় ও রাজ্য সড়কে টোটো চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল পরিবহন দফতর। এবার মোটর ভ্যানও বন্ধ করে দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়ে দিলেন পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং। ইতিমধ্যেই পরিবহন দফতরের তরফে মোটর ভ্যানচালকদের ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
সামনেই পুরভোট; নয়া ফর্মুলা বামফ্রন্টের
কলকাতা পুরসভার আসন সংখ্যা বেড়ে ২০৯ হওয়ার সম্ভাবনার মধ্যেই আসন্ন পুরভোটে বামফ্রন্টের আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতার আশঙ্কা বাড়ছে। আগের পুরভোটের তুলনায় এবার শরিক দলগুলি আরও বেশি আসন দাবি করবে বলেই বাম শিবির সূত্রে খবর। তবে আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে পুরনো সমীকরণ থেকে বেরিয়ে নতুন ফর্মুলার কথা ভাবছে সিপিএম নেতৃত্ব। কোন ওয়ার্ডে কোন দলের সাংগঠনিক শক্তি বেশি, সেই হিসাবেই প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তাব উঠতে পারে। যদিও শুধু অঙ্ক কষলে হবে না। যুক্তিসংগত আসন বণ্টন করতে হবে।
আবার নির্বাচন আদৌ হবে কি না তা নিয়েই সংশয় রয়েছে। কারণ, বিজেপির রেকর্ড তৃণমূলের থেকেও খারাপ বলে মনে করছে বামফ্রন্ট নেতৃত্ব। বামফ্রন্টের অন্দরের এই নয়া ফর্মুলা কার্যকর হলে কলকাতা পুরভোটে সিপিএমের লড়াই করা ওয়ার্ডের সংখ্যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়তে পারে। কারণ, কলকাতার বহু ওয়ার্ডে শরিক দলগুলির তুলনায় সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে সিপিএম। সেই শক্তির ভিত্তিতে আসন বণ্টন হলে স্বাভাবিকভাবেই সিপিএমের ভাগে বেশি ওয়ার্ড যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘদিনের আসন সমঝোতার কাঠামো বদলে দিয়ে শুধুমাত্র সাংগঠনিক শক্তির ভিত্তিতে আসন বণ্টনের প্রস্তাব শরিকরা কতটা মেনে নেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে সিপিআই, ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি-সহ অন্যান্য শরিক দলের নিজেদের শক্ত ঘাঁটি রয়েছে এমন কয়েকটি ওয়ার্ডে তারা পুরনো দাবির ভিত্তিতেই আসন চাইতে পারে। গত কলকাতা পুরভোটে বামফ্রন্ট ১৪১টি ওয়ার্ডেই প্রার্থী দিয়েছিল। সেই সময়ের আসন বিন্যাসে সিপিএম পেয়েছিল ৯৬টি ওয়ার্ড। সিপিআই ১৪টি, ফরওয়ার্ড ব্লক ১১টি এবং আরএসপি ১০টি ওয়ার্ডে লড়েছিল। এছাড়া মার্কসবাদী ফরওয়ার্ড ব্লক ২টি, সমাজবাদী পার্টি ২টি, ডিএসপি ২টি, বিপ্লবী বাংলা কংগ্রেস ১টি, আরসিপিআই ১টি এবং আরজেডি ২টি ওয়ার্ডে প্রার্থী দিয়েছিল। এবার পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ২০৯ হলে স্বাভাবিক ভাবেই গোটা সমীকরণ নতুনভাবে করতে হবে। শুধু আগের অনুপাতে আসন বাড়ানো হবে, না কি প্রতিটি ওয়ার্ডের বর্তমান সাংগঠনিক শক্তি, গত নির্বাচনের ফল, বুথভিত্তিক ভোট এবং স্থানীয় নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা করে আসন ভাগ হবে-তা নিয়েই মূল আলোচনা হতে পারে ফ্রন্টের বৈঠকে। সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে আসন বণ্টনের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আরএসপির সাধারণ সম্পাদক মনোজ ভট্টাচার্য।






