মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারির পরই রেজিনগরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে পুলিশ। 'স্যাটাভাঙা মার' মন্তব্যের জেরে দায়ের হওয়া ২ টি পৃথক মামলায় তাঁকে ৩ ও ৫ জুলাই থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
যদিও হুমায়ুনের দাবি, তিনি বাড়িতে নেই, তাই নোটিসের কথা জানেন না। নোটিস হাতে পেলে হাজিরা দেবেন কি না ভাববেন। গত শুক্রবার রেজিনগরের কাশীপুর এলাকার এক জনসভা থেকে হুমায়ুন কবীর বলেন, "বিজেপি জিতেছে, সরকার গড়েছে, ভালো কথা। কিন্তু মুর্শিদাবাদে হেরেও দু, একজন এমন আস্ফালন দেখাচ্ছেন যেন তাঁরাই বিধায়ক। এই আস্ফালনটা কমান। আমি যখন মুসলমানদের জড়ো করে করে স্যাটাভাঙা মার শুরু করব না, পালানোর পথ পাবেন না।" আরও একধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, "কেস হবে? ওরকম কেস আমাদের বিরুদ্ধে অনেক আছে।" পরে শক্তিপুরের সভায় হুমায়ুনের হুঁশিয়ারি ছিল, "ভোটের আগেরদিন আমার ভাইপোকে গ্রেপ্তার করেছেন ওসি। তাঁকে আগে দেখব। তারপর ওর বাবাকে দেখব। ১০ হাজার লোক নিয়ে থানা ঘিরে থানা থেকে একে বের করব। পারলে রুখে দেখান।" সোমবার বিধানসভায় হুমায়ুনের সাম্প্রদায়িক মন্তব্য নিয়ে বিবৃতি দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "এই দুটো ঘটনার পর আমার মনে হয়েছে এনাফ ইজ এনাফ। এই ধরনের লোককে সবক শেখানোর সময় এসেছে। মনে রাখবেন, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী নন। দুর্বল মুখ্যমন্ত্রী পেয়ে সেসময় যা খুশি করেছেন, যা খুশি বলেছেন। এখন এত বড় ক্ষমতা আপনাকে কেউ দেয়নি। দুটো কেস আমরা রুজু করেছি। বিএনএস এর সব মামলা দিয়েছি। পুলিশ যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে, আমি এক সপ্তাহের মধ্যে মুর্শিদাবাদ যাচ্ছি। দেশে আইন শেষ কথা বলে, কোনও বাপের বেটা বলে না।"

0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন