চিনির পরে পেঁয়াজ। হপ্তা দুয়েক আগে চিনির দাম উঠেছিল ৭০ টাকা কেজিতে। তারও দু'সপ্তাহ আগে দাম ছিল ৪৮ টাকা কেজি। মাঝে একটু কমে এখন খুচরো বাজারে আবার ৭০। ফলে জ্বালা কিঞ্চিৎ কমলেও তা যে সারেনি, তা স্পষ্ট। বরং কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিচ্ছে পেঁয়াজ। "গত বছর এই সময় ৩০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। এখন বিক্রি করতে হচ্ছে দ্বিগুণ দামে। পাইকারি বাজারে দাম বেশি থাকলে আমরা কী করব?" বলছে খুচরো পেঁয়াজ বিক্রেতারা। আবার পাইকারি বিক্রেতাদের সতর্কবাণী, ক'দিন বাদে দাম ৭০-৮০ টাকা হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।কেন দাম বাড়ছে পেঁয়াজের?
ইন্ধন জুগিয়েছে চিনির দাম বাড়া। বাড়তি দামের আশায় পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরাও মজুত পেঁয়াজ বাজারে পাঠানো কমিয়ে দেন। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান এবং কেন্দ্রীয় কৃষিসচিব নিতিন খড়গে মজুতদারিকেই দামবৃদ্ধির জন্য দায়ী করেছেন। তবে ঘটনা হল, প্রতি বছর অগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে, উৎসবের মরসুমের মুখে পেঁয়াজের দাম বাড়ার একটা প্রবণতা থাকে। আর এই সময়টায় ভিনরাজ্যের পেঁয়াজের দিকেই তাকিয়ে থাকে বাংলা। এ রাজ্যে পেঁয়াজের বীজ রোপণ করা হয় ডিসেম্বরে। ফেব্রুয়ারির শেষে অথবা মার্চের গোড়ায় সেই পেঁয়াজ ঘরে তোলেন কৃষকেরা। বাজারে এপ্রিল থেকে জুলাই পর্যন্ত বাংলার পেঁয়াজের জোগান থাকে। জুলাইয়ের পর মূলত মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে আসা পেঁয়াজের ভরসাতেই চলে বাঙালির হেঁশেল।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন