সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কাটছাঁট করল রাজ্য সরকার। গত তিন বছর ধরে 'জেড ক্যাটেগরি'র নিরাপত্তা পাওয়া ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক তথা সিএবি সভাপতির নিরাপত্তা দু'ধাপ নামিয়ে 'ওয়াই ক্যাটেগরি' করে দেওয়া হল। যদিও নিরাপত্তা কমানোর বিষয়টি নিয়ে সৌরভ কোনও মন্তব্য করেন নি। প্রধানমন্ত্রী, বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদ, হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, প্রথম সারির রাজনীতিক এবং শীর্ষ আমলারা বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন— 'এক্স','ওয়াই' এবং 'জেড'। 'ওয়াই' এবং 'জেড'-এর ক্ষেত্রে 'প্লাস' বলে আলাদা একটি ক্যাটেগরি থাকে। সরকারি নির্দেশে শিল্পপতি, তারকা, খেলোয়াড়-সহ বিশিষ্ট নাগরিকেরাও নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। কার জীবনের ঝুঁকি কতটা তা খতিয়ে দেখে ঠিক করা হয় তিনি কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা পাবেন।
বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
দল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত, সন্দীপন
দলবিরোধী কাজের অভিযোগে উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যে তৃণমূলের তরফে স্পিকারকে এই বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বহিষ্কারের বিষয়ে এন্টালি এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ককে ইমেল এবং হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে দলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও খবর। বস্তুত বঙ্গে পালাবদলের পর থেকেই দলের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে সরব ঋতব্রত ও সন্দীপন। বিশেষ করে বিধায়কদের সই জালিয়াতি কাণ্ডে তাঁরা নিজেদের দলের 'জালিয়াতি' ফাঁস করার পর তাঁদের বহিষ্কার করা ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না কিন্তু এখন প্রশ্ন হল, দল থেকে বহিষ্কার করার পর এই দুই বিধায়কের বিধায়ক পদ কি বাতিল হবে? দলত্যাগ বিরোধী আইন বলে, একাধিক পরিস্থিতিতে কোনও বিধায়কের পদ বাতিল হতে পারে। এক, ওই বিধায়ক এক দল থেকে নির্বাচিত হয়ে এসে স্বেচ্ছায় সেই দল ত্যাগ করেন।
রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
আক্রান্ত কল্যাণ;খোঁজ নিতে ছুটলেন মমতা
এদিন রাস্তায় নেমে আক্রান্ত হলেন কল্যাণ ব্যানার্জি। রবিবার সকালে হুগলির চণ্ডীতলায় তৃণমূলের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন কল্যাণ ব্যানার্জি। সেখানেই তাঁকে দেখে 'চোর' স্লোগান ওঠে। সেই স্লোগানের মধ্যেই কল্যাণের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁকে ঘটনাস্থলেই মাঝরাস্তায় লুটিয়ে পড়তে দেখা যায়। তিনি অভিযোগ করেন, বারবার টার্গেট করা হচ্ছে সাংসদদের। এই ঘটনার খবর পেয়েই এদিন দুপুরে কল্যাণের বাড়িতে ছুটলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি।
মদন মিত্রের বাড়িতে পুলিশ!
এবার মদন মিত্রের বাড়িতে হানা দিল পুলিশ। আজ, রবিবার দুপুরে বিধায়কের কামারহাটির বাড়িতে হানা দেন পুলিশ আধিকারিকরা। কী কারণে তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে এই হানা? রাজ্যে পালাবদলের পরে একাধিক দুর্নীতি, ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল নেতারা গ্রেপ্তার হচ্ছেন। ইতিমধ্যে, তৃণমূল বিধায়কদের সই কাণ্ড নিয়েও পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়দের বাড়িতে সিআইডি আধিকারিকরা সেই তদন্তে হাজির হয়েছেন।
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
অভিষেক গাড়ি থেকে নামতেই ছোড়া হল ডিম-জুতো; চরম হেনস্থা সাংসদকে
এদিন ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের দেখতে গিয়ে নিজেই আক্রান্ত হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চারচাকার গাড়ি নয়, শনিবার মূল রাস্তা থেকে নেমে দু-চাকার যানে চেপে সোনারপুরে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ঢোকার মুখে তাঁর গায়ে হাত তোলেন বিক্ষোভকারীরা। এলোপাথাড়ি চড়-ঘুষি মারা হয় অভিষেকের মাথায়-ঘাড়ে-গায়ে।
অভিষেকের বাড়িতে হাজির সিআইডি!
সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে পৌঁছে গেল সিআইডি টিম। শনিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ ৫-৬ জন আধিকারিকের একটি টিম হাজির হয় ভবানীপুরে 'শান্তিনিকেতন' নামে ওই বাড়ির সামনে। প্রায় ১০ মিনিট ধরে তাঁরা দরজায় ধাক্কা দিলেও, কেউ বাড়ি থেকে বেরোয়নি বলে অভিযোগ করেন আধিকারিকরা। পরে এক কর্মী বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে জানান, অভিষেক ও পরিবারের সদস্যরা কেউ বাড়িতে নেই।
সরকার বদলাতেই বাংলায় ফিরছে টাটা? কী বললেন বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য
প্রায় ১৫ বছর পরে বঙ্গে এবার শিল্পায়নের সম্ভাবনা। সিঙ্গুরে ফের টাটা গোষ্ঠীকে ফেরানোর বার্তা দিলেন শমীক ভট্টাচার্য। বাংলায় নতুন করে শিল্প আসবে, আশাবাদী বিজেপির রাজ্য সভাপতি। প্রসঙ্গত, বাংলায় ভোটের যখন বাংলায় প্রচারে এসেছিলেন তখনও তাঁর মুখে বাংলায় টাটা ফেরানোর কথা শোনা গিয়েছিল। এবার সেই একই কথা শোনা গেল শমীক ভট্টাচার্যের গলাতে।






