হাসপাতালে ভর্তি টলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী। সূত্রের খবর, শনিবার তাঁকে বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে এ দিন তাঁর একটি মাইক্রো সার্জারি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাপিয়ার সোশাল মিডিয়াতেই বেশ হাসপাতালের বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে।
পাপিয়া অধিকারী জানান, ডান হাতের মধ্যমায় ইনফেকশন হয়েছিল তাঁর। এই সংক্রমণের কারণে আঙুলটি মারাত্মক ফুলে গিয়েছিল। এই আঙুলের জন্য ডানহাতে কোনওরকম কাজ করতে পারছিলেন না তিনি। ডাক্তার তাঁকে জানিয়ে ছিলেন এই অবস্থায় যদি বেশিদিন আঙুলটি থাকত, তাহলে কেটে বাদ দিতে হত। এই কারণেই দ্রুত একটি মাইক্রোসার্জারি করতে হয়েছে। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে অস্ত্রোপচার চলেছে। বাঙুরের মতো সরকারি হাসপাতালের প্রশংসা করে পাপিয়া বলেন, "আমি টালিগঞ্জের বাসিন্দা। তাই বাঙুরই আমার যাওয়াটাই সুবিধাজনক ছিল। তাছাড়াও বাঙুরের চিকিৎসা ব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো। অপারেশন থিয়েটারও দারুণ। আমি যখন গিয়েছি, খুবই সচেতন ও যত্ন করে আমার চিকিৎসা করেছে। তাহলে অন্য কোথাও যাব কেন!"
হাসপাতালে পাপিয়া অধিকারী!
'জাস্টিস ফর তামান্না...কথা রেখেছি'; ধৃতদের নামের তালিকা প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর
দিন কয়েকআগে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুখে শোনা গিয়েছিল তামান্না প্রসঙ্গ। তারপরই মৃত নাবালিকার মা সাবিনা ইয়াসমিন দেখা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। কয়েকদিনের মধ্যে তামান্না কাণ্ডে পুলিশের জালে আরও ১২ অভিযুক্ত। শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে ধৃতদের নামের তালিকা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। লিখলেন, 'কথা রেখেছি'।
গতবছর ২৩ জুন উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দুপুরে কালীগঞ্জ থানার মোলান্দি গ্রামে দুষ্কৃতীদের ছোড়া বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় ৯ বছরের তামান্না খাতুনের। ঘটনায় নিহতের মা সাবিনা ইয়াসমিন ২৪ জনের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রথম দফায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও বাকি অভিযুক্তরা পলাতক ছিল। সুবিচারের জন্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতেও চেয়েছিলেন তামান্নার মা। কিন্তু তা হয়নি। পালাবদলের পর মঙ্গলবার বিধানসভায় তামান্না খুনের বিষয়ে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছিলেন, তামান্নার পরিবারও বিচার পাবে। এরপরই তামান্নার মা সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। কথা দিয়েছিলেন, ছোট্ট তামান্না বিচার পাবেই। এরপরই শুরু হয় পুলিশের ধরপাকড়। একের পর এক শুরু হয় গ্রেপ্তারি। শুক্রবার গত কয়েকদিনে তামান্না কাণ্ডে জড়িত ১২ জনের তালিকা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।






