টোটোর পর এবার মোটর ভ্যান নিয়ে কড়া পদক্ষেপ রাজ্য পরিবহন দফতরের। আগেই জাতীয় ও রাজ্য সড়কে টোটো চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল পরিবহন দফতর। এবার মোটর ভ্যানও বন্ধ করে দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়ে দিলেন পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং। ইতিমধ্যেই পরিবহন দফতরের তরফে মোটর ভ্যানচালকদের ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
সামনেই পুরভোট; নয়া ফর্মুলা বামফ্রন্টের
কলকাতা পুরসভার আসন সংখ্যা বেড়ে ২০৯ হওয়ার সম্ভাবনার মধ্যেই আসন্ন পুরভোটে বামফ্রন্টের আসন সমঝোতা নিয়ে জটিলতার আশঙ্কা বাড়ছে। আগের পুরভোটের তুলনায় এবার শরিক দলগুলি আরও বেশি আসন দাবি করবে বলেই বাম শিবির সূত্রে খবর। তবে আসন ভাগাভাগির ক্ষেত্রে পুরনো সমীকরণ থেকে বেরিয়ে নতুন ফর্মুলার কথা ভাবছে সিপিএম নেতৃত্ব। কোন ওয়ার্ডে কোন দলের সাংগঠনিক শক্তি বেশি, সেই হিসাবেই প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তাব উঠতে পারে। যদিও শুধু অঙ্ক কষলে হবে না। যুক্তিসংগত আসন বণ্টন করতে হবে।
আবার নির্বাচন আদৌ হবে কি না তা নিয়েই সংশয় রয়েছে। কারণ, বিজেপির রেকর্ড তৃণমূলের থেকেও খারাপ বলে মনে করছে বামফ্রন্ট নেতৃত্ব। বামফ্রন্টের অন্দরের এই নয়া ফর্মুলা কার্যকর হলে কলকাতা পুরভোটে সিপিএমের লড়াই করা ওয়ার্ডের সংখ্যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়তে পারে। কারণ, কলকাতার বহু ওয়ার্ডে শরিক দলগুলির তুলনায় সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে সিপিএম। সেই শক্তির ভিত্তিতে আসন বণ্টন হলে স্বাভাবিকভাবেই সিপিএমের ভাগে বেশি ওয়ার্ড যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দীর্ঘদিনের আসন সমঝোতার কাঠামো বদলে দিয়ে শুধুমাত্র সাংগঠনিক শক্তির ভিত্তিতে আসন বণ্টনের প্রস্তাব শরিকরা কতটা মেনে নেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে সিপিআই, ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি-সহ অন্যান্য শরিক দলের নিজেদের শক্ত ঘাঁটি রয়েছে এমন কয়েকটি ওয়ার্ডে তারা পুরনো দাবির ভিত্তিতেই আসন চাইতে পারে। গত কলকাতা পুরভোটে বামফ্রন্ট ১৪১টি ওয়ার্ডেই প্রার্থী দিয়েছিল। সেই সময়ের আসন বিন্যাসে সিপিএম পেয়েছিল ৯৬টি ওয়ার্ড। সিপিআই ১৪টি, ফরওয়ার্ড ব্লক ১১টি এবং আরএসপি ১০টি ওয়ার্ডে লড়েছিল। এছাড়া মার্কসবাদী ফরওয়ার্ড ব্লক ২টি, সমাজবাদী পার্টি ২টি, ডিএসপি ২টি, বিপ্লবী বাংলা কংগ্রেস ১টি, আরসিপিআই ১টি এবং আরজেডি ২টি ওয়ার্ডে প্রার্থী দিয়েছিল। এবার পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ২০৯ হলে স্বাভাবিক ভাবেই গোটা সমীকরণ নতুনভাবে করতে হবে। শুধু আগের অনুপাতে আসন বাড়ানো হবে, না কি প্রতিটি ওয়ার্ডের বর্তমান সাংগঠনিক শক্তি, গত নির্বাচনের ফল, বুথভিত্তিক ভোট এবং স্থানীয় নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা করে আসন ভাগ হবে-তা নিয়েই মূল আলোচনা হতে পারে ফ্রন্টের বৈঠকে। সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে আসন বণ্টনের কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আরএসপির সাধারণ সম্পাদক মনোজ ভট্টাচার্য।
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
২৬ হাজারের চাকরি ঘিরে ফের জটিলতা!
২৬ হাজার চাকরিহারার ভবিষ্যৎ আর স্কুলের শূন্যপদ নিয়ে জটিলতা ক্রমেই বাড়ছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলেও, ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে ফের নিয়োগ ঘিরে তৈরি হয়েছ জট। এবার সেই ২৬ হাজার চাকরিহারাকে নিয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল স্কুল সার্ভিস কমিশন। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও এসএসসি যৌথভাবে শীর্ষ আদালতে এই আবেদন করেছে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, অগস্ট মাসের মধ্যেই নিয়োগ করতে হবে। সেই মতো প্রক্রিয়া শুরু হয়। কাউন্সেলিং ও যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছিল। কিন্তু মাঝপথেই তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওবিসি সংরক্ষণের নিয়ম বাতিল করে রাজ্য সরকার যে নতুন নিয়ম তৈরি করেছে, তা কার্যকর করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেয় এসএসসি। স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছিলেন, সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যাবেন তাঁরা। ৮ থেকে ৯ মাস মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুসারে, চাকরিহারার ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরির মেয়াদ ৩১ অগস্টেই শেষ হওয়ার কথা। এদিকে, তার মধ্যে নিয়োগ সম্পূর্ণ না হলে সমস্যা তৈরি হতে পারে শিক্ষা ব্যবস্থায়। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে ওই চাকরিহারাদের চাকরির মেয়াদ আরও বাড়ানোর আবেদন জানানো হল। জানা গিয়েছে, নবম-দশমের নিয়োগের ভেরিফিকেশন চলছিল ও একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগের কাউন্সেলিং চলছিল। যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও সংশয় থাকছে। জাতিগত সংরক্ষণ নীতি কার্যকরী করতে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে এসএসসি।
১ হাজার ৬০০ সুপার নিউমেরারি পদ প্রত্যাহার!
উচ্চ প্রাথমিকে ১ হাজার ৬০০ সুপার নিউমেরারি পদে কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পূর্বতন তৃণমূল সরকার। আজ, বুধবার সেই সংক্রান্ত নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে নিল বর্তমান রাজ্য সরকার। কলকাতা হাই কোর্টে সে সিদ্ধান্তের কথা রাজ্যের তরফে জানানো হয়। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, গত ২০১৬ সালের উচ্চমাধ্যমিকে কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ‘সুপার নিউমেরারি পোস্ট বা অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করে তৎকালীন রাজ্য সরকার। রাজ্যের এই অতিরিক্ত শূন্যপদের সিদ্ধান্ত নিয়েই সেই সময় মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাই কোর্টে। ২০২৩-এর এপ্রিলে এই শূন্যপদে নিয়োগের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয় বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর একক বেঞ্চ।
মহুয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা!
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
এখনই জাতিগত সব শংসাপত্র যাচাই নয়: হাই কোর্ট
ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন; এবার বামেদেরই কাঠগড়ায় তুললেন মন্ত্রী দিলীপ
mgid
adgebra
Offer-2
offer-1
Adnow
AD
Popular Posts
-
রাজ্যের স্কুল গুলিতে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের মধ্যে সমস্যা আছে। আর সেই কারণে এই রাজ্যে শিক্ষকের ঘাটতি আছে। সোমবার বিধানসভায় এমনই কথা বললেন ...
-
প্রায় জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করল ভারত। যে কোনও দলের কাছে এই হার লজ্জার। বুধবার ব্রিসবেনে ডাকওয়ার্থ লুইস সিস্টেমে প্রথম টি২০ ম্যাচ মাত্র ৪ ...
-
টার্গেট ২০১৯ এর লোকসভা ভোট। আর তার আগে বিজেপি বিরোধী জোট মজবুত করতে আগ্রহী চন্দ্রবাবু নাইডু। আর সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্...






