বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
প্রয়াত নানা পটেকর!
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
চোখে জল নিয়ে রাজনীতি ছাড়লেন হুমায়ুন কবীর!
ইডির দফতরে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল!
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
বিজেপির আমলেও ভোট লুটের অভিযোগ!
তৃণমূল আমলেও ভোট লুটের অভিযোগ উঠেছিল বার বার। বিজেপি আমলেও সেই একই অভিযোগ সামনে এল। মঙ্গলবার চলছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে উপ-নির্বাচন। আর এই নির্বাচনে ভোট লুটের অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। একদিকে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান ও অন্যদিকে রেজিনগরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠা হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে এই একই অভিযোগ করছে। |
শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
জ্ঞানেশ বিক্ষোভে আটক বৃন্দা করাট-সহ ১১০০
অনুমতি দেয়নি পুলিশ। তার পরেও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে দিল্লিতে আটক অন্তত ১১০০ জন। এদের মধ্যে রয়েছেন মধ্যে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অতীশীও। তাঁকে যন্তরমন্তর থেকে রীতিমতো টানতে টানতে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ।
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
ফের সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল কালীঘাট তৃণমূল!
সুপ্রিম কোর্টে বিরাট ধাক্কা কালীঘাট তৃণমূলের। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে থাকা চারটি অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট তৃণমূল। কিন্তু সেই আবেদনে হস্তক্ষেপ করল না শীর্ষ আদালত। বহাল থাকল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশই। অর্থাৎ ওই চারটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজই থাকছে। ফলত উপনির্বাচন আগে মমতা তৃণমূল ওই চার অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারছে না। ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে থাকা চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে সিআইডি। এহেন পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় মমতা তৃণমূল। কিন্তু এই মামলায় কোনও হস্তক্ষেপ করেনি আদালত।
এরপরেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়। আজ, বৃহস্পতিবার বিচারপতি সুন্দররেশের বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী মনু সিংভি বলেন, প্রায় ১২ কোটি টাকা প্রতি মাসে খরচ হয় দলের। এই পরিস্থিতিতে সামনে উপ নির্বাচন। ফলে দ্রুত অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অনুমতি যাতে সুপ্রিম কোর্ট দেয় সেই আবেদন জানান আইনজীবী। যদিও এই বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানান সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। পালটা যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, ভিন্ন একটি এফআইআরের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়টি। যদিও পুরো বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের বিচারাধীন রয়েছে বলেও দাবি করেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল। এছাড়াও বেশ কিছু যুক্তিও এদিন তুলে ধরেন। সবপক্ষের বক্তব্য শুনে বিচারপতি এম সুন্দরেশের বেঞ্চ জানায়, তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ় করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই অবস্থায় হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করবে না আদালত। এরপরেই মমতা তৃণমূলের দায়ের করা মামলা খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।






