সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় নতুন মুখ্যমন্ত্রীর ক্যাবিনেট বৈঠক। স্থান নবান্নের সভাঘর। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম বৈঠকে শুভেন্দু সেখানে তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হবে। তারপর পাঁচ জন শপথ নেওয়া মন্ত্রীদের নিয়ে ক্যাবিনেট বৈঠক করবেন। বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা? সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রের প্রকল্পের যেগুলো আগের সরকার গ্রহণ করেনি,তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
'রাহুল গান্ধীর কাছে হাতজোড় করতে হবে তৃণমূল নেত্রীকে'; খোঁচা অধীরের
পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর কংগ্রেস, বাম এবং অতিবামকে একমঞ্চ থেকে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই আবেদনে কটাক্ষ করেছেন রাজ্য সিপিএম নেতৃত্ব। এমন আবহে খোঁচা দিলেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা অধীর চৌধুরী। তাঁর দাবি, নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে কংগ্রেসের কাছে 'হাতজোড়' করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই দিদি-র।
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
১৫ বছর পর রাজ্য সরকারি বিজ্ঞাপন পাবে সিপিএমের মুখপাত্র!
প্রায় ১৫ বছর পর সিপিএমের প্রভাতী মুখপত্র রাজ্য সরকারের বিজ্ঞাপন পেল। নরেন্দ্র মোদী, শুভেন্দু অধিকারীর ছবি সংবলিত বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছে ওই সংবাদপত্রের প্রথম পাতাতেই। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ রয়েছে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে।
এবার মমতাকে ধৃতরাষ্ট্র বলে খোঁচা ফিরহাদের মেয়ের!
দলের বিপর্যয়ে-র সময়ে তৃণমূলের একের পর এক নেতার তোপের মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহারের রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, মালদহের কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী সহ একাধিক নেতা অভিষেকের ‘কর্পোরেট’ স্টাইল ও আইপ্যাক নির্ভরতার সমালোচনা করে সরাসরি তোপ দেগেছেন। তা নিয়ে অবশ্য তাঁদের কপালে নেমে এসেছে শাস্তির খাড়া। এমন আবহে এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ হাকিমের মেয়ে প্রিয়দর্শিনী। সামাজিক মাধ্যমে তিনি মহাকাব্যের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে মমতাকে 'ধৃতরাষ্ট্র', অভিষেককে ‘দুর্যোধন’ বলে খোঁচা দিলেন। লিখলেন, "চোখে ঠুলি বেঁধে থেকো না। কান দিয়ে দেখো না।"দুই মহাকাব্যের তুলনা টেনে মমতাকে খোঁচা দিলেন পরিবারতন্ত্র নিয়ে।
শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
শুভেন্দুই মুখ্যমন্ত্রী!
জল্পনা ছিলই। সেটাই সত্যি হল। শুভেন্দুই মুখ্য়মন্ত্রী। শুক্রবার বিজেপির ২০৭ জন জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে বৈঠক করে শুভেন্দু অধিকারীকেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা বেছে নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাত পোহালেই তাঁর শপথগ্রহণ।
মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে শুভেন্দু! পড়ুন
বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর বাংলায় সরকার গঠনের তোড়জোড় শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে ? রাজনৈতিক মহলে একাধিক নাম ঘুরপাক খেলেও, শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সির দৌড়ে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছেন প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ। বিজেপির তরফে এখনও সরকারিভাবে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু বঙ্গ বিজেপির অন্দরের সমীকরণ বলছে, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে পরীক্ষিত মুখ হিসেবেই শুভেন্দুর পাল্লা সবচেয়ে ভারী। মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে জল্পনায় উঠে এসেছে একাধিক নাম। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বপন দাশগুপ্ত, অগ্নিমিত্রা পাল, এক সন্ন্যাসী মুখ এবং বর্তমান রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
আইএসএফের পতাকা নিয়ে বিজেপির স্লোগান চলবে না! কড়া বার্তা নওশাদের
ভোট মিটতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক অশান্তির আবহ। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিলেন ভাঙড়ের নবনির্বাচিত আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, আইএসএফের পতাকা হাতে নিয়ে বিজেপির হয়ে স্লোগান দিলে তা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। দলের সঙ্গে প্রতারণা করতে গিয়ে ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে অবিলম্বে দল থেকে সাসপেন্ড করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর দলীয় কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে নওশাদ বলেন, "দলীয় কর্মীরাই আমাদের প্রাণশক্তি।






