Kolkata News.Online Bengali News Portal. বাংলায় খবর। বাঙালির খবর। 24 X 7
    • Internet
    • Market
    • Stock
    • Child Category 1
      • Sub Child Category 1
      • Sub Child Category 2
      • Sub Child Category 3
    • Child Category 2
    • Child Category 3
    • Child Category 4
    • Childcare
    • Doctors
  • Home
  • INDIA
    • Market
    • Stock
  • KOLKATA
    • Dvd
    • Games
    • Software
      • Office
  • INTERNATIONAL
    • Child Category 1
      • Sub Child Category 1
      • Sub Child Category 2
      • Sub Child Category 3
    • Child Category 2
    • Child Category 3
    • Child Category 4
  • SPORTS
  • ENTERTAINMENT
    • Childcare
    • Doctors
  • Uncategorized
kolkata লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
kolkata লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

মহিলারা ৩০০০ টাকা করে পাবেন? অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে আলোচনা

 ৮:৪৪ PM     kolkata     No comments   


সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় নতুন মুখ্যমন্ত্রীর ক্যাবিনেট বৈঠক। স্থান নবান্নের সভাঘর। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর প্রথম বৈঠকে শুভেন্দু সেখানে তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হবে। তারপর পাঁচ জন শপথ নেওয়া মন্ত্রীদের নিয়ে ক্যাবিনেট বৈঠক করবেন। বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা? সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রের প্রকল্পের যেগুলো আগের সরকার গ্রহণ করেনি,তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

আয়ুষ্মান ভারত এখানে গ্রহণ করা হয়নি। নির্বাচনী প্রচারেও এসে বারবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এই নিয়ে মমতা সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। বিজেপি নেতৃত্ব অভিযোগ করেছিলেন, এইভাবে একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্প মমতা সরকার বাংলায় চালু হতে দেননি কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়েই। সেক্ষেত্রে ক্ষতির মুখে পড়ছিলেন রাজ্যের বাসিন্দারাও। মমতা সরকারের পত্তনের পর থেকেই স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের গ্রহণযোগ্যতা প্রায় অবলুপ্তির পথে। কারণ সেই কার্ড অনেক বেসরকারি হাসপাতালই নেওয়া বন্ধ করে গিয়েছে। প্রশ্নের মুখে পড়ে লক্ষ্মীর ভান্ডারও। সেই বিষয়টি নিয়েও শুভেন্দুর বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। মহিলারা যাতে আর্থিক সুবিধা পান, তার জন্য এই প্রকল্পে অন্য নাম দিয়ে চালু করা হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে। আগেই বিজেপি ঘোষণা করেছিল, বলা ভালো তাঁদের সংকল্প পত্রেও উল্লেখিত ছিল, অন্নপূর্ণা ভান্ডার চালু করা হবে বাংলায়। তাতে মহিলারা মাথা পিছু ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। সেই বিষয়েই কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নাকি এদিনের বৈঠকে, সেটাই দেখার।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

'রাহুল গান্ধীর কাছে হাতজোড় করতে হবে তৃণমূল নেত্রীকে'; খোঁচা অধীরের

 ৮:০৭ PM     kolkata     No comments   

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর কংগ্রেস, বাম এবং অতিবামকে একমঞ্চ থেকে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই আবেদনে কটাক্ষ করেছেন রাজ্য সিপিএম নেতৃত্ব। এমন আবহে খোঁচা দিলেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা অধীর চৌধুরী। তাঁর দাবি, নিজের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে কংগ্রেসের কাছে 'হাতজোড়' করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই দিদি-র।

তিনি দেখতে চান, মমতা হাতজোড় করছেন কংগ্রেসের কাছে। এর পাশাপাশি, তৃণমূলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা তথা মমতার ভ্রাতুষ্পুত্রের সম্পত্তি নিয়ে আক্রমণ শানালেন লোকসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা। ভোটের সময় অধীর অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর দলের প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করছে তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক। নাম-পরিচয় গোপন করে ওই সংস্থার কর্মীরা কংগ্রেস প্রার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের কথা বলিয়ে দিচ্ছেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দল ভাঙানোর অভিযোগ করেছিলেন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী। ভোটের ফলপ্রকাশের পর তৃণমূলনেত্রীর জোটবার্তায় এ বার কটাক্ষ শানালেন তিনি। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে অধীর জানান, পশ্চিমবঙ্গে বামশাসনকে হারাতে নকশালদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। এ বার সরকার থেকে তাঁর দল চলে যাওয়ায় রাজনৈতিক অস্তিত্ব সঙ্কটে ভুগছেন মমতা। শনিবার মমতার "বাম, অতিবাম, যে কোনও জাতীয় দল, যে যেখানে আছেন, আসুন আমরা জোট বাঁধি," মন্তব্যের প্রেক্ষিতে অধীরের উত্তর, "এখন দিদি বিপদে পড়েছেন, তাই 'বাঁচাও বাঁচাও' করে সবাইকে ডাকছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এখন তীব্র হতাশায় ভুগছেন।" মমতা বলেছেন, বিজেপি তাঁদের প্রধান শত্রু। তাই বিজেপি-বিরোধী শক্তির যে কেউ চাইলে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে পারেন। তিনি রোজ বিকেল ৪টে থেকে ৬টা পর্যন্ত নিজের অফিসে থাকবেন। এ প্রসঙ্গে অধীরের টিপ্পনী, "বিকেল ৪টে থেকে ৬টার মধ্যে ওঁর বাড়িতে কারা দেখা করতে যাচ্ছেন, সেটা আমরা দেখতে চাই। তা হলে বোঝা যাবে বাংলার মানুষ তাঁকে আন্দোলনের নেত্রী হিসাবে এখনও স্বীকৃতি দিচ্ছেন কি না।"  অধীর আরও বলেন, "দিদি হাজরার মোড়ে দাঁড়িয়ে কী করবেন, সেটা দেখার অপেক্ষায় আছি। তবে এ টুকু নিশ্চিত, আগামিদিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাহুল গান্ধীর কাছে হাতজোড় করেই দাঁড়াতে হবে।"
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

১৫ বছর পর রাজ্য সরকারি বিজ্ঞাপন পাবে সিপিএমের মুখপাত্র!

 ১২:৪৮ PM     kolkata     No comments   


প্রায় ১৫ বছর পর সিপিএমের প্রভাতী মুখপত্র রাজ্য সরকারের বিজ্ঞাপন পেল। নরেন্দ্র মোদী, শুভেন্দু অধিকারীর ছবি সংবলিত বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছে ওই সংবাদপত্রের প্রথম পাতাতেই। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ রয়েছে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে।

তার বিজ্ঞাপন সকালে বিভিন্ন সংবাদপত্রে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে। সিপিএমের মুখপত্র দীর্ঘ দিন রাজ্য সরকারের কোনও বিজ্ঞাপন পায়নি। রাজ্যে সরকার বদলের পর আবার সরকারি বিজ্ঞাপন ছাপা হল সেখানে। রাজ্য সরকারের বিজ্ঞাপন পাওয়াকে প্রাথমিক ভাবে ইতিবাচক হিসাবেই দেখছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। দলের অভিযোগ ছিল, ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে সংবাদপত্র হিসাবে সিপিএমের দলীয় মুখপত্রকে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়নি। এমনকি, এ বিষয়ে সিপিএম আদালতে মামলাও করেছিল। কিন্তু লাভ হয়নি। প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ বিজ্ঞাপনের হাত ধরে দলীয় মুখপত্রে রাজ্য সরকারি বিজ্ঞাপন ছাপার ধারা যদি আবার শুরু হয়, তবে তা আর্থিক দিক থেকে কিছুটা লাভজনক হবে বলে আশাবাদী আলিমুদ্দিন। ২০১৪ সালে দলীয় মুখপত্রে রাজ্য সরকারি বিজ্ঞাপন না-পাওয়ার অভিযোগ জানিয়ে সিপিএম কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছিল। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, প্রত্যেক সংবাদপত্রের প্রতি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি সমান হওয়া উচিত। কোনও রাজনৈতিক দলের মুখপত্র যদি সংবাদপত্রের আইন মেনে কাজ করে, তবে তাকে সংবাদপত্র হিসাবেই দেখা উচিত। আদালত সেই সময় এই মামলায় নির্দিষ্ট কোনও নির্দেশ দেয়নি। কিন্তু সিপিএমের অভিযোগ, তার পরেও তাদের মুখপত্র রাজ্য সরকারের বিজ্ঞাপন পায়নি। তৃণমূল সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই প্রথম তারা রাজ্য সরকারের কাছ থেকে বিজ্ঞাপন পেল।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

এবার মমতাকে ধৃতরাষ্ট্র বলে খোঁচা ফিরহাদের মেয়ের!

 ৭:০৭ AM     kolkata     No comments   

 


দলের বিপর্যয়ে-র সময়ে তৃণমূলের একের পর এক নেতার তোপের মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহারের রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, মালদহের কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী সহ একাধিক নেতা অভিষেকের  ‘কর্পোরেট’ স্টাইল ও আইপ্যাক নির্ভরতার সমালোচনা করে সরাসরি তোপ দেগেছেন। তা নিয়ে অবশ্য তাঁদের কপালে নেমে এসেছে শাস্তির খাড়া। এমন আবহে এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ হাকিমের মেয়ে প্রিয়দর্শিনী। সামাজিক মাধ্যমে তিনি মহাকাব্যের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে মমতাকে 'ধৃতরাষ্ট্র', অভিষেককে ‘দুর্যোধন’ বলে খোঁচা দিলেন। লিখলেন, "চোখে ঠুলি বেঁধে থেকো না। কান দিয়ে দেখো না।"দুই মহাকাব্যের তুলনা টেনে মমতাকে খোঁচা দিলেন পরিবারতন্ত্র নিয়ে।

প্রিয়দর্শিনীর ইঙ্গিত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যক্তিগতভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি অতিরিক্ত দুর্বল, আর সেই কারণেই আজ দলের এই বেহাল দশা। এখানেই শেষ নয়, তিনি নেত্রীকে বিঁধে বলেন, মমতা এখন অন্যের কথায় ওঠেন বসেন। দলের দীর্ঘদিনের সেনাপতিদের চেয়েও নবীন প্রজন্মের কথাকেই তিনি বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

শুভেন্দুই মুখ্যমন্ত্রী!

 ৮:৪০ PM     kolkata     No comments   


জল্পনা ছিলই। সেটাই সত্যি হল। শুভেন্দুই মুখ্য়মন্ত্রী।  শুক্রবার বিজেপির ২০৭ জন জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে বৈঠক করে শুভেন্দু অধিকারীকেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা বেছে নিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রাত পোহালেই তাঁর শপথগ্রহণ।

শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকার শপথ নেবে। তার আগে নিউটাউনে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন হলে বঙ্গবাসীর উদ্দেশে বক্তৃতা রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বাংলার হবু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর এদিন তাঁর কথায়, বারবার উঠে এল একটাই শব্দবন্ধ, ‘আমরা’। দায়িত্ব নেওয়ার আগেই ‘আমি’ নয়, ‘আমরা’তেই জোর দিলেন শুভেন্দু। এই জয়ের কৃতিত্ব ‘দলের জন্য প্রাণপাত করা প্রত্যেক বিজেপি কর্মী’কে দিলেন শুভেন্দু। এর পাশাপাশি তাঁর কথায় বারবার উঠে এল, অমিত শাহ, শমীক ভট্টাচার্য, বাংলার বিচারধারা সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিত্বের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, "আগামী বিধায়ক দল বিচারধারা সঙ্গে যুক্ত লোক সংকল্পপত্রের প্রত্যেকটা সংকল্প সময়ের মধ্যে পূরণ করা হবে।  আমাদের মন্ত্র সবকা সাথ, সবকা বিকাশ।"
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে শুভেন্দু! পড়ুন

 ৩:১১ PM     kolkata     No comments   

 


বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর বাংলায় সরকার গঠনের তোড়জোড় শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে ? রাজনৈতিক মহলে একাধিক নাম ঘুরপাক খেলেও, শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সির দৌড়ে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছেন প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ। বিজেপির তরফে এখনও সরকারিভাবে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু বঙ্গ বিজেপির অন্দরের সমীকরণ বলছে, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে পরীক্ষিত মুখ হিসেবেই শুভেন্দুর পাল্লা সবচেয়ে ভারী। মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে জল্পনায় উঠে এসেছে একাধিক নাম। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন স্বপন দাশগুপ্ত, অগ্নিমিত্রা পাল, এক সন্ন্যাসী মুখ এবং বর্তমান রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই কিছু না কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।স্বপন দাশগুপ্ত জাতীয় স্তরে পরিচিত মুখ হলেও, বাংলার মাটিতে তাঁর প্রত্যক্ষ নির্বাচনী ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা প্রায় নেই বললেই চলে। অন্যদিকে অগ্নিমিত্রা পাল জনপ্রিয় মুখ হলেও, মুখ্যমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলানোর ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা নিয়ে দলের একাংশের মধ্যেই প্রশ্ন রয়েছে। জল্পনায় থাকা সন্ন্যাসী মুখকে ঘিরে আরএসএস শিবিরে উৎসাহ থাকলেও, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের চূড়ান্ত সম্মতি মিলবে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। আবার শমীক ভট্টাচার্যের সাংগঠনিক ভূমিকা নিয়ে দিল্লি অত্যন্ত সন্তুষ্ট বলেই খবর। ভোট-পরবর্তী অশান্তির আবহে যেভাবে তিনি কড়া হাতে সংগঠন সামলাচ্ছেন, তাতে তাঁকে রাজ্য সভাপতির পদেই রেখে দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই পরিস্থিতিতেই অন্যদের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে ২০২১ সালের নির্বাচনে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জয়লাভ তাঁর রাজনৈতিক গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছিল। তারপর থেকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁর ধারাবাহিক আক্রমণাত্মক ভূমিকা বিজেপির নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে আলাদা উদ্দীপনা তৈরি করেছে। বাড়তি হিসেবে যোগ হয়েছে, নিজের খাসতালুক নন্দীগ্রামে ১০ হাজার ভোটে জয়ের পাশাপাশি ভবানীপুরের মতো খাস কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছেন ১৫হাজারেরও বেশি ভোটে। শুধু রাজনৈতিক লড়াই নয়, প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসে থাকার সময় রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এর পাশাপাশি মেদিনীপুর, জঙ্গলমহল-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় তাঁর শক্তিশালী সাংগঠনিক প্রভাব বিজেপির কাছে বড় সম্পদ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ভবানীপুরে শুভেন্দুর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। সেই ঘটনাকেও অনেকেই দিল্লির আস্থার বার্তা হিসেবেই দেখছেন।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

আইএসএফের পতাকা নিয়ে বিজেপির স্লোগান চলবে না! কড়া বার্তা নওশাদের

 ১:৪০ PM     kolkata     No comments   

ভোট মিটতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক অশান্তির আবহ। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিলেন ভাঙড়ের নবনির্বাচিত আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, আইএসএফের পতাকা হাতে নিয়ে বিজেপির হয়ে স্লোগান দিলে তা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। দলের সঙ্গে প্রতারণা করতে গিয়ে ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে অবিলম্বে দল থেকে সাসপেন্ড করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর দলীয় কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে নওশাদ বলেন, "দলীয় কর্মীরাই আমাদের প্রাণশক্তি।

কিন্তু শৃঙ্খলা না থাকলে কোনও সংগঠন টিকে থাকতে পারে না। দলের সাফল্যের আসল চাবিকাঠি শৃঙ্খলাই।" তাঁর কথায়, "লোকজন আইএসএফের পতাকা কাঁধে নিয়ে বিজেপির জন্য স্লোগান দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। যারা দলীয় আদর্শের বিরুদ্ধে কাজ করবে, তাদের দলে কোনও জায়গা নেই।" এর পাশাপাশি তৃণমূল ও বিজেপি, দুই দলকেই নিশানা করেন আইএসএফ বিধায়ক। তিনি দাবি করেন, "ভাঙড়ের মানুষ তৃণমূলকে হারিয়েছে। আগামী দিনে বিজেপিকেও হারাবে।" তাঁর মতে, এই লড়াইয়ে দলীয় কর্মীদের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই সংগঠনের ভিত মজবুত করতে কড়া শৃঙ্খলার প্রয়োজন রয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগও করেন নওশাদ। তাঁর দাবি, তাঁকে দলে টানতে বিজেপির তরফে ২ কোটি টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ।যদিও সেই প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে জানান।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

রাজ্যপাল ভেঙে দিলেন বিধানসভা!

 ৬:০৪ AM     kolkata     No comments   


আর ঠিক দু’দিন পরেই নতুন সরকারের শপথগ্রহণ। কিন্তু, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা নিয়ে চাপানউতোর কম হয়নি। এখনও ছাড়েননি চেয়ার। এদিকে গতকাল ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের শেষ দিন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্তফা দেননি।

এবার ভারতীয় সংবিধান মেনে আগের সরকার ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আর এন রবি। ভারতীয় সংবিধানের ১৭৪ নম্বর অনুচ্ছেদের (২) নম্বর দফার (খ) উপ-দফা অনুযায়ী প্রাপ্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই বিবৃতি জারি করে সে কথা জানিয়েছেন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা। আগামী দু’দিন রাজ্যের দায়িত্বে রাজ্য়পাল। রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্তের ফলে ১৭তম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার কার্যকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ইতি পড়লো। নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ১৮তম বিধানসভা গঠনের পথ পুরোদমে প্রশস্ত হল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

SIR-ট্রাইব্যুনাল ছাড়লেন হাই কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি!

 ৫:২৯ PM     kolkata     No comments   


ট্রাইব্যুনালের কাজে ইস্তফা দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। সুপ্রিম কোর্টের   নির্দেশে SIR-এ বাদ যাওয়ার নামের নিষ্পত্তি করছে ট্রাইব্যুনাল। মোট ১৯টি ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হয়েছে, যেগুলির মাথায় আছেন প্রাক্তন বিচারপতি বা প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিরা। একটি ট্রাইব্যুনালের মাথায় ছিলেন শিবজ্ঞানম।

এবার তিনি ইস্তফা দিলেন। জানা গিয়েছে, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েই ট্রাইব্যুনাল ছেড়েছেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। কলকাতা হাইকোর্টে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। পারিবারিক সমস্যার কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা যাচ্ছে। গত ৫ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের কাজ করেছেন তিনি। মোট ১৭৭৭ জন ভোটারের নিষ্পত্তি করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, যে কয়েকজনের আলাদাভাবে নিষ্পত্তি করা হয়, সেগুলিও করেছিলেন হাইকোর্টের এই প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। আপাতত ট্রাইব্যুনালের কাজ চলছে, তবে ভোটের পর নতুন করে কতজনের নামের নিষ্পত্তি হল, সেই সংখ্যা সামনে আসেনি।সুপ্রিম কোর্ট গত ১০ মার্চ এই নির্দেশ দেয়। ট্রাইব্যুনাল গঠন হয় ২০ মার্চ। কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে। কলকাতা হাইকোর্টের ১৯ জন অবসারপ্রাপ্ত বিচারপতি ও বিচারকদের নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়। কলকাতার জোকায় পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় ইনস্টিটিউটে ট্রাইব্যুনাল বসছে। অনলাইনে বা অফলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে ট্রাইব্যুনালে।সুপ্রিম কোর্ট গত ১০ মার্চ এই নির্দেশ দেয়। ট্রাইব্যুনাল গঠন হয় ২০ মার্চ। কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে। কলকাতা হাইকোর্টের ১৯ জন অবসারপ্রাপ্ত বিচারপতি ও বিচারকদের নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়। কলকাতার জোকায় পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় ইনস্টিটিউটে ট্রাইব্যুনাল বসছে। অনলাইনে বা অফলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে ট্রাইব্যুনালে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

কে এই চন্দ্রনাথ? পড়ুন

 ১০:৪১ AM     kolkata     No comments   


বঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকে গোটা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাওয়া যাচ্ছে অশান্তির খবর। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের মেধাবী ছাত্র! উচ্চশিক্ষার পর বায়ুসেনায় যোগ দিয়ে ছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে সেখানে কীভাবে তাঁর রাজনীতির আঙিনায় পা রাখা? এর নেপথ্যেও রয়েছে এক প্রচণ্ড আনুগত্য-প্রশ্নাতীত বিশ্বাসের সম্পর্ক! শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক রথের শেকড় ছিল পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে।

মেধাবী ছাত্র হিসাবে তাঁর পরিচিতি ছিল শৈশব থেকেই। তিনি ২০০০ সালে উত্তর ২৪ পরগনার বিখ্যাত রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন থেকে অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক পাশ করেন। উচ্চশিক্ষা শেষ করে তিনি ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দেন বায়ুসেনায় তিনি শর্ট সার্ভিস কমিশনে অফিসার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। বেশ কয়েক বছর বায়ুসেনায় দায়িত্ব পালনের পর তিনি সেখান থেকে অবসর গ্রহণ করেন।বায়ুসেনা থেকে ফিরে চন্দ্রনাথ রথ রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেন। আগে থেকেই তাঁর পরিবারে রাজনীতির ছোঁয়া ছিল। মা অনেক কষ্ট করে, লড়াই করে বড় করেছিলেন তাঁকে। চন্দ্রনাথের মা চণ্ডীপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন। আর তাঁর মধ্যে দিয়েই রাজনৈতিক সচেতক হয়ে উঠেছিলেন চন্দ্রনাথ। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ঘনিষ্ঠদের মতে, সে সম্পর্ক ছিল প্রশ্নাতীত বিশ্বাসের। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী যখন বিজেপিতে যোগ দেন, চন্দ্রনাথ তাঁর প্রধান সহযোদ্ধা ছিলেন। ভবানীপুর উপনির্বাচন থেকে শুরু করে নন্দীগ্রামের ভোট— শুভেন্দুর দৈনন্দিন সূচি, মিটিং ও রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে তাঁর ভূমিকা ছিল পর্দার আড়ালে থাকা কারিগররের মতো। ছাব্বিশের নির্বাচনের সময়ে তিনি ছিলেন নন্দীগ্রামে। ভবানীপুরেও শুভেন্দুর নির্বাচনী প্রচারের স্ট্র্যাটেজি সামলেছিলেন। বুধবার রাতে সেই চন্দ্রনাথই গুলিতে ঝাঁঝরা হয়েছেন। মধ্যমগ্রাম থেকে ফেরার সময়ে দুষ্কৃতীরা তাঁকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্তে সিআইডি। বৃহস্পতিবার সকালেই ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। জানা যাচ্ছে, যে গাড়িটি চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে এসে রাস্তা আটকায়, সেটি আসলে চুরির। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

অভিষেক অনেক লড়াই করেছে, সম্মস্ন জানান; নির্দেশ মমতার

 ৭:০৩ AM     kolkata     No comments   

 


তৃণমূলের ক্ষমতার মিনার ভেঙে পড়ার পর থেকেই দলের অন্দরে আলোচ্য হয়ে উঠেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা। তাঁর কর্পোরেট কায়দা, পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাককে সংগঠনের সমান্তরাল করে তোলা নিয়ে নবীন-প্রবীণ নির্বিশেষে ক্ষোভ গোপন করছেন না। বুধবার তৃণমূলের টিকিটে জয়ীদের বৈঠকে সেই অভিষেকের ‘লড়াইকে’ সম্মান দিতে উঠে দাঁড়াতে হল সকলকে। উঠতে হল অভিষেকের জন্মের আগে থেকে রাজনীতির আঙিনায় থাকা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, সমর মুখোপাধ্যায়, জাভেদ খান, ফিরহাদ হাকিমদেরও।

কালীঘাটের বাড়িতে তৃণমূলের জয়ী ৮০ জন প্রার্থীকে ডেকেছিলেন ইস্তফা দিতে না-চাওয়া ‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন অভিষেকও। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকেই অভিষেকের লড়াইকে সম্মান জানানোর নির্দেশ দেন মমতা। তৃণমূলের টিকিটে এ বারও জেতা এক প্রার্থী বলেন, ‘‘অভিষেকের লড়াইকে সম্মান জানতে মমতাই সকলকে বলেন উঠে দাঁড়াতে।’’ রতুয়ার প্রবীণ বিধায়ক সমর, বালিগঞ্জ থেকে জেতা শোভনদেব, কলকাতার মেয়র তথা বন্দর আসন থেকে জেতা ফিরহাদ, বজবজ থেকে জেতা অশোক দেব— সকলকেই উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে হয়েছে অভিষেকের প্রতি। যা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের মধ্যে। সূত্রের খবর, মমতার নির্দেশ মেনে অনেককে উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে হয়েছে ঠিকই। তবে অনেকেই চেয়ার ছেড়ে উঠতে ইতস্তত করেছেন। জয়ী এক প্রার্থী বলেন, ‘‘বসেও তো হাততালি দেওয়া যেত। কিন্তু হাঁটুর বয়সি অভিষেকের সামনে উঠে দাঁড়ানো প্রবীণ নেতাদের কাছে দৃশ্যতই অস্বস্তিকর ছিল।’’ তবে বৈঠকের ভিতরে উঠে দাঁড়ালেও বাইরে বেরিয়ে কেউই বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করেননি। যা খানিকটা প্রত্যাশিতই। তৃণমূল সূত্রে আরও খবর, মমতা স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিয়েছেন, অভিষেকের সমালোচনা করলে পার্টি বরদাস্ত করবে না। শৃঙ্খলা রাখার বিষয়ে তিনি একটি শৃঙ্খলারক্ষা কমিটিও গড়ে দিয়েছেন। যাতে রাখা হয়েছে রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শুভাশিস চক্রবর্তী এবং ধনেখালির জয়ী প্রার্থী অসীমা পাত্রকে। ডেরেককে অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে বসার দায়িত্ব দিয়েছেন মমতা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তিনি সেখানে থাকবেন। তৃণমূলের টিকিটে এ বার জিতেছেন সাকুল্যে ৮০ জন। সূত্রের খবর, বুধবারের বৈঠকে জয়ীদের মধ্যে ১১ জন হাজির ছিলেন না। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হাসনের কাজল শেখ এবং আমডাঙা থেকে জয়ী তথা ফুরফুরা শরিফের পিরজাদা কাশেম সিদ্দিকি।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক গুলিবিদ্ধ!

 ১১:৪৫ PM     kolkata     No comments   


গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্য শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়কের। চন্দ্রনাথ রথ নামে ওই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে পরপর তিনটি গুলি করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যমগ্রামে।

তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেছেন। জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের জয়ী প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন এই চন্দ্রনাথ। বিগত পাঁচ বছর ধরে তিনিই শুভেন্দুর সব কাজকর্মের দায়িত্বে ছিলেন।বিস্তারিত খবর আসছে :-
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

বিজেপিতে যাচ্ছেন অনুব্রত মণ্ডল?

 ৪:৪৮ PM     kolkata     No comments   


বীরভূমে তৃণমূলের ভরাডুবি। ১১টি আসনের মধ্যে মাত্র ৬ আসনে জয়। আর তারপরই অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে উঠ কিছু প্রশ্ন। সামনে আসছে বড় খবর। যেখানে 'কেষ্ট' অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ।  দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বীরভূম জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিচিত ‘বাঘ’ অনুব্রত মণ্ডলের প্রভাব যেন এবারের ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে ধাক্কা খেয়েছে। জেলার ১১টি আসনের মধ্যে ৬টিতে জয় পেয়েছে বিজেপি।

এই ফলাফলের পর স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসছে অনুব্রত মণ্ডলের ভূমিকা ও জেলায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রভাব নিয়ে। নির্বাচনের আগে অনুব্রত মণ্ডলকে জেলা সভাপতির পদে ফিরিয়ে আনা হয়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পেছনে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বড় ভূমিকা রয়েছে। অনুব্রত মণ্ডল ও কাজল শেখের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা কোন্দল জেলা তৃণমূলের সংগঠনে বড় ধরনের ফাটল ধরিয়েছে বলে অভিযোগ। গ্রেপ্তারের পর ফিরে আসার পর থেকেই জেলায় কোর কমিটি গঠন করা হয়, কিন্তু তাতেও গোষ্ঠী সংঘাত থামেনি। নির্বাচনী প্রচারে অনুব্রত মণ্ডলকে এবার তেমন সক্রিয় দেখা যায়নি। বোলপুর শহরে তিনি প্রচার করলেও সেখানে তৃণমূলকে হার স্বীকার করতে হয়েছে। সূত্রের খবর, তাঁর নিজের বাড়ির এলাকার বুথেও তৃণমূল পিছিয়ে পড়ে। যদিও বোলপুর আসনে তৃণমূল জয়ী হয়েছে, তবু জেলার সামগ্রিক ফলাফলকে ‘ভরাডুবি’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, অনুব্রত মণ্ডল নিষ্ক্রিয়তার পাশাপাশি তলায় তলায় কয়েকটি আসনে বিজেপির পক্ষে কাজ করেছেন। এই অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই বীরভূমে তৃণমূলের পরাজয়ের অন্যতম বড় কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে অনুব্রত মণ্ডল সাংবাদিকদের সামনে বলেছিলেন, "বিজেপি যদি ২০০ আসন পায়,তাহলে আমি একদিকের মাথা নেড়া করে ঘুরে বেড়াব।" কিন্তু ফল প্রকাশের পর থেকে তিনি একেবারে নীরব। কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—অনুব্রত মণ্ডল কোন পথে হাঁটবেন? তৃণমূলে থেকে যাবেন? নাকি অন্য কোনও দলে যোগ দেবেন? নাকি রাজনীতি থেকেই সরে দাঁড়াবেন? জেলা রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, আগামী দিনে তাঁর সিদ্ধান্ত বীরভূম তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

চাকরিটা থাকবে তো? চিন্তায় সিভিক ভলান্টিয়াররা

 ৪:১৪ PM     kolkata     No comments   


চাকরি মিলেছিল তৃণমূল সরকারের আমলে। সরকারি পদে, সরকারি কর্মীদের মতো কাজ করতে হলেও সেই চাকরি ছিল  চুক্তিভিত্তিক। স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন করেও সুফল মেলেনি। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই ধরনের চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা হঠাৎ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ চিন্তিত। আগামী দিনে চাকরিটা আদৌ থাকবে তো, নতুন সরকার ছাঁটাই করে দেবে না তো?

প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে অস্থায়ী কর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে। এই মুহূর্তে রাজ্যে সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ প্রায় ৬ লক্ষ। গ্রুপ এ, বি, সি এবং ডি গ্রুপ স্তরের কর্মী মিলিয়ে এই মুহূর্তে কর্মীসংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩ লক্ষ ১৭ হাজার। যার ফলে প্রশাসনিক কাজকর্ম চালাতে ভরসা করতে হয় এই চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের উপর। রাজ্যের প্রায় সমস্ত সরকারি অফিসেই ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, পিওন-সহ বিভিন্ন পদে অস্থায়ী কর্মীরা বসে। এমনকী আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ যে সিভিক ভলান্টিয়ারদের হাতে, তারাও অস্থায়ী কর্মী। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা ৫ লক্ষ। তৃণমূলের আমলে এই সবস্তরের কর্মীই স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন করেছেন। সেসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায়, এই অস্থায়ী কর্মীরা ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত নিজ পদে বহাল থাকতে পারবেন। তাঁদের চাকরি যাবে না। অবসরের পর তাঁদের নামমাত্র অবসরকালীন সুবিধা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়।সমস্যা হল, রাজ্যের নবনির্বাচিত বিজেপি সরকারের ইস্তেহারেই বলা আছে, ক্ষমতায় এলে সব সরকারি চাকরির শূন্যপদ পূরণ করা হবে। তাছাড়া আগের সরকারের আমলে যে অস্থায়ী কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের যে এই সরকার বিশেষ পছন্দ করছে না, সেটা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই নবান্নের বিভিন্ন দপ্তরের ওএসডি এবং রিঅ্যাপয়ন্টেড কর্মীদের নবান্নে যেতে নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই মর্মে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন খোদ মুখ্যসচিব। স্বাভাবিকভাবেই এই পাঁচ লক্ষ অস্থায়ী কর্মী ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে উদ্বেগের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। নতুন সরকার যদি এই অস্থায়ী পদ বিলুপ্ত করে স্থায়ী নিয়োগের পথে হাঁটে? সেক্ষেত্রে মমতার আমলের ওই লিখিত নির্দেশের উপর বিশেষ ভরসা রাখতে পারছেন না তাঁরা। বিভিন্ন স্তরের সরকারি অস্থায়ী কর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলিতে এ নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠছে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

তৃণমূলের দুই নেতাকে তলব ইডি-র!

 ২:৪৬ PM     kolkata     No comments   



ভোটের কাজে ব্যস্ত বলে দুই বিদায়ী মন্ত্রী এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর কাছে সময় চেয়েছিলেন।এবার ভোট মেটার পর বুধবার ছিল তৃণমূলের সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার দিন। কিন্তু দু’জনেই আলাদা ভাবে জানালেন, তাঁরা ইডি দফতরে যেতে পারছেন না।

ইডির একটি সূত্রে খবর, প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, শৌচাগারে পড়ে গিয়ে তিনি পায়ে চোট পেয়েছেন। চিকিৎসক তাঁকে দিন দশেকের জন্য বিশ্রাম নিতে বলেছেন। আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত ইডিকে জানিয়েছেন, ভোট পরবর্তী হিংসায় তাঁর দলের অনেক কর্মী আক্রান্ত। তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি ব্যস্ত। তাঁকে যেন আরও কিছু দিন সময় দেওয়া হয়। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজ্যের দুই মন্ত্রীকেই ভোটের আগে তলব করা হয়েছিল। বস্তুত, প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিতকে সম্প্রতি একাধিক বার তলব করেছে ইডি। সুজিত প্রায় প্রতি বারই ইডির কাছে সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ভোটের কাজে ব্যস্ত, তাই হাজিরা দিতে পারবেন না, এই মর্মে আবেদন নিয়ে আদালতেও গিয়েছিলেন তিনি। হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের বেঞ্চ জানিয়েছিল, ১ মে সুজিতকে হাজিরা দিতে হবে ইডি দফতরে। আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন তৃণমূলের বিদায়ী মন্ত্রী। প্রায় ৯ ঘণ্টা পরে ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমি সাক্ষী হিসাবে এসেছিলাম।’’ তিনি এ-ও বলেছিলেন, ‘‘ব্যবসা করা কখনও কোনও অপরাধ নয়। চুরি করাটা অপরাধ।’’ তবে ইডি তদন্ত করছে। তিনি তদন্তে সহযোগিতা করে যাবেন। আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী রথীনও ভোটের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন বলে ইডির কাছে সময় চেয়েছিলেন। ভোটের ফলপ্রকাশের একদিন পর তাঁকেও তলব করা হয়েছিল ইডি দফতরে।২০২৩ সালের অক্টোবরে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রথম বার রথীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

অভিষেকের কাছে এল লালবাজার থেকে নির্দেশিকা!

 ২:১০ AM     kolkata     No comments   


ভোটে পরাজিত হওয়ার পরই বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে গার্ডরেল সরিয়ে দেওয়া হয়েছে আজ। আর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস এবং বাড়ির বাইরের অতিরিক্ত পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশিকা জারি করল লালবাজার।

আগামিকাল অর্থাৎ বুধবার ৬ তারিখ সকাল সাড়ে ৬ টা থেকে এই নির্দেশিকা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।লালবাজার সূত্রে জানা যাচ্ছে, ১৮৮ এ হরিশ মুখোপাধ্যায় রোডের বাড়ির বাইরের পিকেট, ১২১ কালীঘাট রোডের অফিস আর বাড়ির বাইরের পিকেট। একই সঙ্গে ৯ ক‍্যামাক স্ট্রিটের অফিসের বাইরের পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

তৃণমূল কার্যালয়ে অস্ত্র মজুত; উদ্ধার করল পুলিশ

 ৯:১৯ PM     kolkata     No comments   



দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার ঘুটিয়ারি শরিফের নারায়ণপুর এলাকায় তৃণমূলের একটি দলীয় কার্যালয় থেকে ১৮টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযোগ ছিল, নারায়ণপুর পঞ্চায়েতের প্রধান ও স্থানীয় তৃণমূল নেতা সালাউদ্দিন সর্দারের দলীয় কার্যালয়ে বিপুল পরিমাণ ধারালো অস্ত্র মজুত রয়েছে। সেই খবর পেয়ে ওই কার্যালয়ে হানা দেয় পুলিশ। এদিকে, ভোটের ফলপ্রকাশের পরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি। পেটকুলচাঁদ এলাকায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বুধবার রাতে বাইকে ফেরার সময় পথ আটকে লাঠি এবং রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

"কেন পদত্যাগ করব? ‌আমরা তো হারিনি": মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

 ৪:৫২ PM     kolkata     No comments   

মমতা এবং অভিষেকের সঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ডেরেক ও'ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। মমতা বলেন, "এত দিন আমি চেয়ারে ছিলাম। অনেক কিছু সহ্য করেছি। কিন্তু এখন আমি মুক্ত বিহঙ্গ। সাধারণ মানুষ।

আর সহ্য করব না। সব অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করব। আমি রাস্তার লোক। রাস্তায় ছিলাম, রাস্তায় থাকব।" বিজেপি বিরোধী 'ইন্ডিয়া' জোটের সকল নেতা ফোন করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন বলে জানান মমতা। তিনি বলেন, "জোট আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে। অখিলেশ আজ আসতে চেয়েছিল। আমি কাল আসতে বলেছি। একে একে সকলেই আসবেন। জোট শক্তিশালী করব।"মমতা জানান, এখনই তিনি পদত্যাগ করবেন না। বলেন,"কেন পদত্যাগ করব? ‌আমরা তো হারিনি। জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে। ইস্তফার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে?
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

অবশেষ ব্যান্ডেড পড়ল সিপিএম-এর রক্তক্ষরণে!

 ১২:১৫ AM     kolkata     No comments   


আর শূন্য নয়। অবশেষ বঙ্গে ফের খাতা খুলল সিপিএম। ডোমকল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতলেন সিপিএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (রানা)। বিশাল জয়ের অঙ্কের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থীকে পরাজিত করলেন রানা। কে এই মোস্তাফিজুর? দীর্ঘদিন ধরেই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মোস্তাফিজুর। রয়েছে পারিবারিক ব্যবসা। এর পাশাপাশি শিক্ষকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। SFI করতেন দীর্ঘদিন ধরে। বামেদের একেবারে তরুণ মুখ তিনি। ২০২১ সালেও ডোমকল থেকে লড়াই করেছিলেন মোস্তাফিজুর। তবে সে সময় পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।

ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের তরফে লড়াই করছিলেন আইপিএস হুমায়ুন কবীর। এর আগে তিনি ডেবরা থেকে লড়াই করে তৃণমূলের হয়ে বিপুল জয় পেয়েছিলেন। তাঁরই কেন্দ্র বদল করা হয় এবার। পাঠানো হয় ডোমকলে। এ দিকে, মুস্তাফিজুর ডোমকলের ঘরের ছেলে। ‘বহিরাগত’ হুমায়ুন কবীরকে কি মেনে নিতে পারেননি সেখানকার মানুষজন? উঠছে সেই প্রশ্নই। ডোমকল পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রায় ৫০০ পরিবার একযোগে তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগ দিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূলের পতাকা ছেড়ে হাতে নেন লাল ঝান্ডা। যোগদানের পরই মিষ্টিমুখ। আর তারপর ঝড়-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই শুরু হয় শক্তি প্রদর্শনের মিছিল ও জনসংযোগ। যোগদানকারীদের দাবি, দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও একাধিক অভিযোগেই তাঁরা শাসকদল ছেড়েছেন। তৃণমূলের প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে নিশানা করে সেই সময়ই তিনি বলেছিলেন,'পিকচার বাকি হ্যায়…।' তিনি এও বলেন, 'তৃণমূলের প্রার্থী বহিরাগত। তৃণমূল এখানে কোন জায়গায় যাচ্ছে, তিনি বুঝতে পারবেন না। তবে ডোমকলের মানুষ বুঝবেন। এটা তো ছিল ট্রেলার। পিকচার আভি বাকি হ্যায়। প্রকৃতপক্ষে যাঁরা কর্মী, তাঁদের তৃণমূল মর্যাদা দেয় না।"
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

শনিবার, ২ মে, ২০২৬

সন্ধি প্রস্তাব হুমায়ুনের!

 ৪:১১ PM     kolkata     No comments   


ভোট মিটতেই ফের ভোলবদল হুমায়ুন কবীরের! তৃণমূলের দিকে 'সন্ধি'র হাত বাড়ালেন শাসক শিবির থেকে বহিষ্কৃত নেতা। ফলপ্রকাশের দু’দিন আগেই রীতিমতো বিস্ফোরক দাবি করলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সুপ্রিমো। তিনি জানালেন, তৃণমূলের সঙ্গে সরকার গঠনে থাকতে পারেন তিনি। তবে তার জন্য দিলেন শর্তও। পাশাপাশি শনিবার তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও যথেষ্ট আক্রমণ করেছেন হুমায়ুন কবীর।

শনিবার বহরমপুরে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সুপ্রিমো বলেন, ‘'তৃণমূল যদি হাঁটু গেড়ে আমার কাছে ক্ষমা চায়, বলে যা হয়েছে ভুল হয়েছে, দুর্নীতি করা ভুল হয়েছে, আর দুর্নীতি করব না। তাহলে তখন সমর্থন করার ভাবনাচিন্তা করব। আমার মতো নেতারা চুপচাপ আছে, কমিশনার উপর ভরসা আছে কোথাও কোনও সমস্যা হবে না।" মমতা-অভিষেকের উদ্দেশে তাঁর কটাক্ষ, "চৌঠা মে-র পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দুবাই চলে যাবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের সংকীর্তন করবে।"
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg
পুরাতন পোস্টসমূহ হোম

mgid

adgebra

Offer-2

offer-1

Adnow

AD

Popular Posts

  • আবার কি নতুন করে বদলি হতে পারেন বহু শিক্ষক? আশঙ্কা শিক্ষকদের।
    রাজ্যের স্কুল গুলিতে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের মধ্যে সমস্যা আছে। আর সেই কারণে এই রাজ্যে শিক্ষকের ঘাটতি আছে। সোমবার বিধানসভায় এমনই কথা বললেন ...
  • টার্গেট ২০১৯, মুখোমুখি দুই মুখ্যমন্ত্রী।
    টার্গেট ২০১৯ এর লোকসভা ভোট। আর তার আগে বিজেপি বিরোধী জোট মজবুত করতে আগ্রহী চন্দ্রবাবু নাইডু। আর সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্...
  • ব্রিসবেনে হার কোহলিদের!
    প্রায় জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করল ভারত। যে কোনও দলের কাছে এই হার লজ্জার। বুধবার ব্রিসবেনে ডাকওয়ার্থ লুইস সিস্টেমে প্রথম টি২০ ম্যাচ মাত্র ৪ ...

Recent Posts

Categories

  • Entertainment
  • India
  • International
  • kolkata
  • Sports

Pages

  • Home

Text Widget

Sample Text

Copyright © Kolkata News.Online Bengali News Portal. বাংলায় খবর। বাঙালির খবর। 24 X 7 | Powered by Blogger
Design by | Blogger Theme by NewBloggerThemes.com | Distributed By Gooyaabi Templates