Kolkata News.Online Bengali News Portal. বাংলায় খবর। বাঙালির খবর। 24 X 7
    • Internet
    • Market
    • Stock
    • Child Category 1
      • Sub Child Category 1
      • Sub Child Category 2
      • Sub Child Category 3
    • Child Category 2
    • Child Category 3
    • Child Category 4
    • Childcare
    • Doctors
  • Home
  • INDIA
    • Market
    • Stock
  • KOLKATA
    • Dvd
    • Games
    • Software
      • Office
  • INTERNATIONAL
    • Child Category 1
      • Sub Child Category 1
      • Sub Child Category 2
      • Sub Child Category 3
    • Child Category 2
    • Child Category 3
    • Child Category 4
  • SPORTS
  • ENTERTAINMENT
    • Childcare
    • Doctors
  • Uncategorized
kolkata লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
kolkata লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

চাকরির বিনিময়ে সোনা নিতেন মদন? পড়ুন

 ৫:১১ PM     kolkata     No comments   

পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ঠিকানা-সহ শহরের ৮টি জায়গায় শনিবার সকালে অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এর পাশাপাশি ভবানীপুরের বাড়িতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন ইডি আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, পুরসভাগুলিতে অন্তত ১২৫ জনের বেআইনি নিয়োগের সঙ্গে মদন মিত্রের সরাসরি যোগ রয়েছে। দালালদের মারফত ঘুষ যেত বিধায়কের কাছে। অনেক ক্ষেত্রে টাকা নেওয়া হত না, ঘুষ হিসেবে নেওয়া হত সোনা। অয়ন শীলের রহস্যময় ডায়েরিতে থাকা 'MM'-এর সূত্র ধরেই এদিন মদনের বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডি।

মনে করা হচ্ছে এই 'MM' হলেন মদন মিত্র। ২০২৩ সালের ২০ মার্চ অয়ন শীল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁর সংস্থার বিরুদ্ধে রাজ্যের ৭টি পুরসভার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এই ৭টি পুরসভার মধ্যে রয়েছে কামারহাটি পুরসভাও। অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে এই ৭টি পুরসভায় গ্রুপ ডি, টাইপিস্ট-সহ একাধিক পদে নিয়োগ করা হত। ওএমআর শিট ছাপানো, ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ার ব্যবস্থা করা হত। অভিযোগ, এই সব নিচু তলার পুরকর্মী নিয়োগে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। অয়ন শীলের সল্টলেকের অফিস থেকে উদ্ধার হওয়া এক রহস্যময় ডায়েরি থেকে 'MM' নাম পায় গোয়েন্দারা। সেই সূত্র ধরেই মদনের বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। ইডি সূত্রে খবর, এই 'MM' হলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। সোশাল মিডিয়ায় করা একাধিক লাইভে নিজেকে এই নামেই পরিচয় দিতেন তিনি। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন পুরসভায় কমপক্ষে ১২৫টিরও বেশি বেআইনি নিয়োগের সঙ্গে সরাসরি মদন মিত্র জড়িত রয়েছেন। মিডলম্যান বা দালালদের মাধ্যমে ঘুষ তোলা হত। অনেকের থেকে টাকা না নিয়ে সোনা নিতেন মদন। এমনই অভিযোগ করেছেন ইডি আধিকারিকরা। এই সব প্রসঙ্গেই আজ কামারহাটির বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

তৃণমূলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সায়নীকে নিয়ে ধুন্ধুমার!

 ৪:৫৪ PM     kolkata     No comments   



লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন 'বিদ্রোহী' ১৯ জন তৃণমূল সাংসদ। সম্প্রতি সেই চিঠি ঘিরে বিতর্ক কম হয়নি রাজনৈতিক মহলে। তাঁতেই রয়েছে সায়নী ঘোষের স্বাক্ষর। সেই চিঠির প্রতিলিপি যুব তৃণমূলের গ্রুপে পাঠিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন, এটা কি আপনার সই? ক্লিয়ার করুণ।
সই আপনার হলে অবিলম্বে ইস্তফা দিন। মেসেজগুলি দেখেও কোনও উত্তর দেননি দলের অ্যাডমিত তথা যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ সায়নী। তৃণমূলে ভাঙনের শুরুতেই দলের সব কমিটি ভেঙে দেয় দল। অন্যান্য় কমিটিতে রদবদল হলেও নতুন কমিটিতে যুব তৃণমূলের সভাপতি পদে সায়নী ঘোষকেই রাখা হয়। এরই মধ্যে দেখা যায় কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে যে ১৯ জন তৃণমূল সাংসদ এনডিএকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সায়নীও। এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন এই 'বিদ্রোহী' সাংসদরা। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই দলের অন্দরে শুরু হয় জোর জল্পনা। যুব তৃণমূলের হোয়াসটঅ্যাপ গ্রুপে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়েন সায়নী। দু-তিন দিন ধরেই অভিষেক ঘনিষ্ঠ সায়নীকে নিয়ে গ্রুপে প্রশ্ন তুলছিলেন যুব তৃণমূল নেতারা। গতকাল তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের সই করা চিঠি প্রকাশ্যে আসতেই সেই চিঠির প্রতিলিপি গ্রুপে আপলোড করে যুব নেতারা প্রশ্ন করেন, "এই সই কি আপনার? আপনার সই হয়ে থাকলে এখনও পর্যন্ত এই গ্রুপে কেন আছেন?" অন্য এক নেতা লিখেছেন,"ক্লিয়ার করে জানান। আর যদি সত্যি আপনার সই হয় তাহলে আগে ইস্তফা দিন।" কয়েকদিন আগে 'নিরুদ্দেশ' সায়নীর খোঁজ দিতে পারলে পুরস্কার দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন এক যুব নেতা। জানা গিয়েছে, এই গ্রুপের অ্যাডমিন সায়নী নিজেই।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে এ বার সুদীপও!

 ৪:০৭ PM     kolkata     No comments   


লোকসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলে বিদ্রোহ আরও একবার প্রকট হচ্ছে। এ বার বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। শনিবার দিল্লিতে বিদ্রোহী সাংসদ শতাব্দী রায়ের সঙ্গে এক গাড়িতে দেখা গেল কলকাতা উত্তরের সাংসদকে। দিল্লি বিমানবন্দর থেকে শতাব্দীর সঙ্গে একই গাড়িতে চেপে তিনি রওনা দেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ির উদ্দেশে। বিমানবন্দর থেকে দু-জনে সোজা পৌঁছে যান ভূপেন্দ্রের বাড়িতে। সেখানে একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা। উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের বেশ কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে। তৃণমূলের এই বিদ্রোহী শিবিরের নেতৃত্বে রয়েছেন বারাসতের কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শতাব্দী। এমতাবস্থায় 'বেলাইন' হয়ে যাওয়া শতাব্দীর সঙ্গে একই গাড়িতে চেপে সুদীপের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে যাওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।
শনিবার সকালে কলকাতা থেকে দিল্লিতে গিয়েছেন সুদীপ। শতাব্দীও ওই একই বিমানে দিল্লিতে গিয়েছেন। অবতরণের পরে বীরভূমের বিদ্রোহী সাংসদ শতাব্দীর সঙ্গে একই গাড়িতে উঠে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে বেরোন সুদীপ।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

ভোরে অভিষেকের বাড়ির তালা ভাঙল পুলিশ!

 ১০:১৭ AM     kolkata     No comments   


অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে খুঁজতেই ভোর থেকে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে শালবনি থানার পুলিশ। সূত্রের খবর, সুমিতের মোবাইলের শেষ ‘টাওয়ার লোকেশন’ ছিল অভিষেকের বাড়িতেই। সেই সূত্র ধরে রাত ৩টে নাগাদ পুলিশ কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায় পৌঁছে যায়। ডাকাডাকিতে কেউ সাড়া না দিলে ভাঙা হয় বাড়ির বাইরের দরজার তালা।

তবে সুমিতের খোঁজ মেলেনি। সকাল ৮টার পর পুলিশ বেরিয়ে যায় অভিষেকের বাড়ি থেকে। জমি দুর্নীতির মামলায় কিছু দিন আগে মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। বর্তমানে তিনি পুলিশি হেফাজতে। অন্য দিকে, আর্থিক তছরুপের একটি মামলায় সুমিতকে পুলিশ খুঁজছে। সুজয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর নাম উঠে আসে বলে খবর। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সুমিতের মোবাইলের ‘টাওয়ার লোকেশন’ শেষ বার দেখা গিয়েছিল অভিষেকের বাড়িতে। তাই শালবনি থেকে রাতেই কালীঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয় পুলিশের একটি দল। পুলিশের অভিযানের কথা শুনে ভোরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে পৌঁছে গিয়েছিলেন অভিষেকের বাড়িতে। সকাল ৮টার পর তিনিও বেরিয়ে যান। সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনও মন্তব্য করতে চাননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। অভিষেক বাড়ি থেকে বেরিয়ে জানান, তাঁর বাড়ির তালা ভেঙে পুলিশ ভিতরে ঢুকেছিল। গোটা বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। কিন্তু কিছু পাওয়া যায়নি। পুলিশের কার্যকলাপ রেকর্ড করা হয়েছে বলেও অভিষেক দাবি করেন। পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তুলেছেন তিন।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

বিদ্রোহী শিবিরে তৃণমূলের কোন ১৯ সাংসদ?

 ৫:২৪ PM     kolkata     No comments   



লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে দিন কয়েক আগেই চিঠি দিয়েছেন 'বিদ্রোহী' তৃণমূল সাংসদরা। এমনটাই খবর। এর সঙ্গে এনডিএ ব্লকের সদস্য হওয়ার কথাও জানিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু প্রকাশ্যে এবিষয়ে ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের দু-একজন ছাড়া কেউই মুখ খুলছেন না। ফলে তালিকায় কারা, তা নিয়ে জল্পনা ছিলই। এই পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে এল সাংসদদের সই করা চিঠি। তাতেই স্পষ্ট, কোন ১৯ জন হাত ছেড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় রয়েছেন, দেব, রচনা, জুন থেকে শুরু করে অভিষেক ঘনিষ্ঠ সায়নী ঘোষ, বাপি হালদাররাও। পালাবদলের পরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে তৃণমূল। সম্প্রতি ঋতব্রত-পন্থীদের বিদ্রোহে পরিষদীয় দলের রাশ হারিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
গত সোমবার দিল্লিতে বিস্তর জল্পনা শেষে সংসদীয় দলের নিয়ন্ত্রণও খুইয়েছেন তিনি। শোনা যাচ্ছিল, ২০ জন তৃণমূল সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগ দিতে চেয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন। সেই তালিকায় কারা রয়েছেন, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিস্তর জল্পনা চলছিল। শুক্রবার প্রকাশ্যে এল সাংসদদের সই করা চিঠি। নথি অনুযায়ী, সই করেছেন ১৯ সাংসদ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত বিশ্বস্ত কাকলি ঘোষ দস্তিদার। যদিও তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বেসুরো। রয়েছেন দেব। ভাঙনের মরশুমে ঘোষিত তৃণমূলের নতুন কমিটিতে যুব সভাপতির দায়িত্ব পাওয়া সায়নী ঘোষও সই করেছেন। এছাড়া রয়েছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, শতাব্দী রায়। দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ মালা রায়, আবু তাহের খান, খলিলুর রহমান, কালীপদ সোরেনও বিদ্রোহী শিবিরে। সই করেছেন পার্থ ভৌমিক, মিতালি বাগ, অরূপ চক্রবর্তী, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার, অসিত মাল, ইউসুফ পাঠান।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

পুজো অনুদান নিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? পড়ুন

 ১:৩০ PM     kolkata     No comments   



মুখ্যমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নিয়েই ধর্মের ভিত্তিতে যে ভাতাগুলো দিত পূর্বতন সরকার, তা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। স্বাভাবিকভাবেই ক্লাব কর্তাদের মনে প্রশ্ন ছিল, তবে কি এবার দুর্গাপুজোর অনুদানও বন্ধ করে দেওয়া হবে? শুক্রবার নিউটাউনের অনুষ্ঠান থেকে পুজো অনুদান নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানালেন, "যারা ওই টাকার উপর ভিত্তি করে পুজোর আয়োজন করেন, তাঁরা অনুদান পাবেন। যাদের প্রয়োজন নেই, তাঁরা পাবেন না।" অর্থাৎ বড় ক্লাবগুলো এবার থেকে আর পাবে না পুজো অনুদান।
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় থাকাকালীন একাধিক অনুদানের ব্যবস্থা করেছিলেন। ২০১৮ সালে তিনিই দুর্গাপুজোর আয়োজনে যাতে ক্লাবগুলোকে সমস্যা ভোগ করতে না হয় সেই কারণে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমবছর রাজ্যের প্রতিটি ক্লাব পেয়েছিল ১০ হাজার টাকা। সরকারি অর্থ এভাবে ব্যয় নিয়ে প্রশ্নও উঠেছিল অনেক। বিরোধীরা সোচ্চার হয়েছিলেন। তবে সেসবকে গুরুত্ব দেননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। বন্ধ তো দূর, উলটে প্রতিবছর বেড়েছে অনুদানের অর্থ। গতবছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে রাজ্যের তরফে ক্লাবগুলো পেয়েছিল ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। অর্থাৎ এই খাতে একটা বড় অঙ্ক খরচ হয়েছিল রাজ্যের। বড় ক্লাবগুলো, যাদের পুজোর বাজেট কয়েক কোটি টাকা, তাঁদের কেন অর্থ সাহায্য করা হবে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছিল।পালাবদল হতেই ধর্মের ভিত্তিতে যে ভাতাগুলো দিত পূর্বতন সরকার, তা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফলে চলতি বছরে দুর্গাপুজোর অনুদান মিলবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিলই। শুক্রবার নিউটাউনে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সভা থেকে এনিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "যাদের দরকার নেই, তাঁদের দেওয়ার প্রযোজন নেই। যাঁরা ওই অর্থের জন্যই পুজো করতে পারেন, তাঁরা পাবেন।" অর্থাৎ এবার ক্লাবের ফান্ডের উপর ভিত্তি করে দেওয়া হবে অনুদান। তবে এবার বাংলায় পুজোর সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই জানান শুভেন্দু।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

এবার থেকে পাম্প থেকে সবাই কিনতে পারবে না পেট্রল-ডিজেল!

 ১০:২৩ AM     kolkata     No comments   



আর পেট্রল পাম্প থেকে সবাইকে পেট্রল-ডিজেল দেওয়া হবে না। এবার থেকে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার। শিল্প ক্ষেত্রে, ব্যবসার ক্ষেত্রে এবং বড় কোনও সংস্থার ব্যবহারের জন্য পেট্রল বা ডিজেল আর পেট্রল পাম্প থেকে কেনা যাবে না। পেট্রল পাম্প থেকে শুধুমাত্র সাধারণ গ্রাহকরাই জ্বালানি তেল কিনতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার এক নির্দেশিকায় জানিয়েছে মোদি সরকার। সাধারণ পেট্রল পাম্পগুলি মূলত খুচরো ক্রেতাদের জন্য। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় খুচরো গ্রাহকদের ছাড়িয়ে অনেক ব্যবসায়ী, কল-কারখানার ব্যবহারের জন্য বা বড় কোনও সংস্থার ব্যবহারের জন্য পেট্রল পাম্প থেকেই তেল নেওয়া হচ্ছে। এই সমস্যাটা মূলত হয় ডিজেলের ক্ষেত্রে। কেন্দ্রের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এভাবে আর পম্প থেকে তেল কিনতে পারবে না ওই ব্যবসায়ীরা। তাদের তেল কিনতে হবে সরাসরি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার পাইকারি তেল বিক্রয় কেন্দ্র থেকে। কেন এই নির্দেশিকা? প্রথমত বিশ্বজুড়ে তেল সংকট। যার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম আকাশছোঁয়া। এই পরিস্থিতিতে প্রতিনিয়ত মোটা লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি। এখন এই বড় ব্যবসায়ীক সংস্থাগুলি যদি সরাসরি তেল সংস্থাগুলির কাছে থেকে তেল কেনে তাহলে তাঁদের লোকসানের পরিমাণ খানিকটা কমবে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর মমতার বাড়িতে অভিষেক!

 ৯:২০ AM     kolkata     No comments   


প্রবেশ করেছিলেন সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিট নাগাদ, প্রস্থান রাত ১১:৩০-এ। স‌ই-কাণ্ডে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ সামলে ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোজা গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। ভবানী ভবনে ঢোকা বা বেরনোর সময় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি অভিষেক।

১৪ জুন, রবিবার তাঁকে ফের হাজির হতে বলেছেন তদন্তকারীরা। বৃহস্পতিবারই দিল্লি থেকে কলকাতায় ফিরেছেন অভিষেক। বিকেল ৪টে ২০ মিনিট নাগাদ তাঁর বিমান কলকাতা বিমানবন্দরে নামে। তার পর সেখান থেকে সরাসরি তিনি যান কালীঘাটের বাড়িতে। বিকেল পৌনে ৬টা নাগাদ অভিষেক আবার বাড়ি থেকে বেরোন এবং সময়ের আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে যান।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

ফের অভিষেককে দেখে 'চোর' স্লোগান!

 ৮:১০ PM     kolkata     No comments   


সই জাল কাণ্ডে ২১ দিনের জন্য রক্ষাকবচ মিলেছে। তবে আজ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে ৬ টার মধ্যে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। সেই নির্দেশ মেনে সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দিতে কলকাতা ফিরেছেন অভিষেক। বিমানবন্দর থেকে বেরনোর মুখে উঠল 'চোর' স্লোগান। কোনওরকমে নিরাপত্তারক্ষীদের সহযোগিতায় গাড়িতে ওঠেন তিনি। মনে করা হচ্ছিল, তিনি বিমানবন্দর থেকে সোজাসুজি ভবানীভবন যাবেন। কিন্তু দেখা যায়, কালীঘাটের বাড়িতে যান তিনি। আধঘণ্টা পর, ঘড়ির কাঁটায় ৫ টা বেজে ৪০ মিনিট নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভবানীভবনের পথে রওনা দেন অভিষেক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সিআইডি দপ্তরে পৌঁছন তিনি।

সই জাল কাণ্ডে বেশ কিছুদিন ধরেই সিআইডির নজরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরপর তিনবার হাজিরা এড়িয়েছেন তিনি। এদিকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। বুধবার দিল্লি থেকে ফেরার কথা থাকলেও স্রেফ গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় তিনি রাজধানীতেই থেকে গিয়েছিলেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার হাই কোর্টে ছিল অভিষেকের মামলার শুনানি। সেখানে অভিষেককে রীতিমতো ধমক দেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। কেন বারবার হাজিরা এড়াচ্ছেন তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই কড়া ভাষায় বলেন,"আপনি হাজিরা এড়াচ্ছেন কেন? কখন সিআইডির কাছে যাবেন ১০ মিনিটের মধ্যে জানান। তদন্তে সহযোগিতা করতেই হবে।"এরপরই অভিষেকের আইনজীবী জানান, রক্ষাকবচ মিললে তিনি হাজিরা দেবেন। সবরকম সহযোগিতাও করবেন। সওয়াল-জবাব শেষে বিচারপতি চন্দ অভিষেককে ২১ দিনের রক্ষাকবচ দেন। তবে সেই সঙ্গে তিনি নির্দেশ দেন, যেখানেই থাকুন না কেন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে ৬ টার মধ্যে সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দিতে হবে অভিষেককে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

এবার অভিষেকের মামলা ছাড়লেন কল্যাণ! দলত্যাগের জল্পনা

 ৫:৩২ PM     kolkata     No comments   



তৃণমূল 'সেনাপতি' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর বেজায় চটলেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের ঔদ্ধত্যে বেশ বিরক্ত হয়ে তাঁর মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বর্ষীয়ান আইনজীবী। তাঁর ছেলে শীর্ষন্ন্য-সহ যে জুনিয়র আইনজীবীরা এই মামলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সকলেই সরেছেন বলে আদালত সূত্রে খবর। তবে এখানেই শেষ নয়, তৃণমূলের এই ভাঙনের মরশুমে অভিষেকের আচরণে রেগে লাল কল্যাণ বললেন, "মমতাদিকে বলব, হয় অভিষেককে রাখুন, আমাদের ছেড়ে দিন। নয় আমাদের রাখুন, অভিষেককে সরান।"

সই জাল কাণ্ডে রক্ষাকবচ চেয়ে কিছুদিন আগেই কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আরজিও জানিয়েছিলেন, কিন্তু লাভ হয়নি। মঙ্গলবার তৃতীয়বার 'যুবরাজ' সিআইডি হাজিরা এড়ানোর পর বুঝতে পারেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। কারণ, তাঁর গতিবিধি জানতে এয়ারপোর্ট অথরিটির সঙ্গেও যোগাযোগ করে রাজ্যের তদন্তকারী সংস্থা। এই পরিস্থিতিতে গতকাল অর্থাৎ বুধবার অভিষেকের হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার অভিষেকের হয়ে সওয়াল করার কথা ছিল তাঁরই। বৃহস্পতিবারই হঠাৎ জানা যায়, মামলা থেকে সরে গিয়েছেন কল্যাণ। তাঁর বদলে লড়বেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য। কিন্তু কেন আচমকা সরে গেলেন কল্যাণ? শ্রীরামপুরের সাংসদ বলেন, "ওর জন্য দলটা শেষ হয়ে গেল, তারপরও কী ঔদ্ধত্য! কাল রাত সাড়ে ১২টায় আমার ছেলেকে ফোন করে বলছে জুনিয়রস্য জুনিয়র অয়ন এই মামলায় সওয়াল করবে।এটা শুনে আমি বলে দিয়েছি, আমি অভিষেকের সঙ্গে নেই। ওর উদ্ধত মেনে নেব না।" এই পরিস্থিতিতে কল্য়াণের সাফ কথা, "আমি মমতাদিকে বলব, হয় অভিষেককে রাখুন, আমাদের ছেড়ে দিন। নয় আমাদের রাখুন, অভিষেককে সরান।" এপ্রসঙ্গে কল্যাণপুত্র বলেন, “আমি আইনজীবী। আমি অপমানিত হতে রাজি নই। ওনার মামলা আমি লড়ব না।"
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

২৮ বছর পর আবার হাত শিবিরে ফিরছেন মমতা?

 ৪:১২ PM     kolkata     No comments   



মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি এ বার ১০ জনপথে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আমঙ্গলবার দিল্লির ১০ জনপথে সনিয়া গান্ধীর বাসভবনে গিয়ে কংগ্রেস নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। আর বুধবার সকালে ওই বাড়িতেই রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে পাওয়া খবর, রাহুল এবং অভিষেকের মধ্যে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে বৈঠক হয়। দু-জনের মধ্যে ইতিবাচক বৈঠক হয়েছে বলে ওই সূত্রের দাবি। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্র উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-কে শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে। কী ভাবে, মতপার্থক্য দূরে সরিয়ে বিজেপি বিরোধিতার প্রশ্নে দলগুলি এককাট্টা হতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। তবে তৃণমূল সূত্রে খবর, বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথাবার্তা বলেছেন রাহুল এবং অভিষেক।
বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর একের পর এক ধাক্কা খাচ্ছে তৃণমূল। পরিষদীয় দলের পর সংসদীয় দলেও ভাঙন ধরেছে। তৃণমূলের ২০ জন লোকসভার সাংসদ বিদ্রোহী হয়ে বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসকজোট এনডিএ-কে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে রাহুল-অভিষেক বৈঠককে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দুর্দিনে কংগ্রেসকে আঁকড়ে ধরে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছেন মমতা এবং অভিষেক। সেই কারণেই মমতা-সনিয়া বৈঠকের পরের দিনই অভিষেক রাহুলের দুয়ারে গেলেন বলে মনে করছেন অনেকে। সোমবারই বিরোধী জোট 'ইন্ডিয়া'র বৈঠকে মমতা এবং সনিয়ার সৌজন্যসাক্ষাৎ হয়েছিল। একে অপরকে আলিঙ্গন করেছিলেন তাঁরা।  তার পরের দিন বিকেলেই সনিয়ার বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন মমতা। ঘটনাচক্রে, সেই সময়েই আবার সই জাল-কাণ্ডের তদন্তে মমতার বাড়ি সংলগ্ন তৃণমূল কার্যালয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। কংগ্রেসে থাকাকালীন রাজীব গান্ধীর অত্যন্ত প্রিয়পাত্রী ছিলেন মমতা। সেই সূত্র ধরেই সনিয়ার সঙ্গে মমতার রসায়ন বরাবরই ভাল। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল গড়লেও গান্ধী পরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভেঙে যায়নি। জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন ইস্যুতে রাহুলের সঙ্গে মমতার মতপার্থক্য সামনে এসেছে একাধিক বার। কিন্তু সনিয়া-মমতা সম্পর্কে প্রকাশ্যে তার কোনও প্রভাব পড়েনি। রাহুলকে বার বার নিশানা করলেও প্রকাশ্যে সনিয়ার সমালোচনা করতে দেখা যায়নি তৃণমূলনেত্রীকে। পশ্চিমবঙ্গের ভোটে ভরাডুবির পরে প্রকাশ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে সহযোগিতার বার্তাও দিয়েছেন মমতা। উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ভেঙেই তৃণমূল গঠন করেছিলেন মমতা। ২৮ বছর পর সেই মমতাই দল বাঁচাতে কংগ্রেসের শরণাপন্ন হলেন।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

পরিস্থিতি বুঝে বাড়ি ছাড়তে হচ্ছে মমতাকে!

 ৪:৩৯ PM     kolkata     No comments   


এবার দিল্লির সদর দফতরও হাতছাড়া হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের। ২০ ডক্টর রাজেন্দ্র প্রসাদ রোড অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের রাজধানীর সদর দফতর। মাত্র কয়েক মাস আগেই এই অফিস চালু হয়েছে।

কিন্তু তৃণমূলের সাংসদ দল ভেঙে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এবার এই পার্টি অফিস ও হাত ছাড়া হতে চলেছে। কারণ এই পার্টি অফিসের বাড়ি পার্থ ভৌমিকের নামে বরাদ্দ ছিল। এতদিন দলকে নিজের বাড়ি পার্টি অফিস হিসেবে ব্যবহার করার জন্য দিয়েছিলেন তিনি। এবার বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর সঙ্গে NDA তে সামিল হওয়ার পর সেই অফিস যে তৃণমূলের হাতে থাকবে না, তা স্পষ্ট। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই নিজের বাড়ি ফেরত চেয়েছেন পার্থ। আর এই পরিস্থিতির আঁচ বুঝে আগে থেকেই বাড়ির ভেতর থেকে অনেক আসবাব সরিয়ে নিয়েছে তৃণমূল। ফলে দিল্লির রাজনীতিতে আপাতত ঠিকানাহীন অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

গ্রেফতার সব্যসাচী দত্ত!

 ১১:০৫ AM     kolkata     No comments   


গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে। বিধাননগর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সব্যসাচীর বিরুদ্ধে তোলাবাজি সহ বেশকিছু অভিযোগ সামনে এসেছে।
সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই সোমবার বেশি রাতের দিকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিধাননগর পুরসভার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সব্যসাচীর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন সল্টলেকের এক ব্যবসায়ী। তোলাবাজির পাশাপাশি হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, ব্যবসায়ীর কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা চেয়ে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। ওই ব্যবসায়ীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সোমবার রাতে রাজারহাটের রাইগাছি এলাকায় সব্যসাচীর বাড়িতে হানা দেয় বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। রাতেই বাড়ি থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় তৃণমূল নেতাকে। সূত্রের খবর, সেখানে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পরে গ্রেফতার করা হয় সব্যসাচীকে। প্রসঙ্গত, এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন সব্যসাচী। তবে বিজেপি প্রার্থীর কাছে পরাস্ত হন।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬

'আয়ুষ্মান ভারত' চালু হল বঙ্গে!

 ৬:৪৩ PM     kolkata     No comments   


শুধু রাজ্যে নয়, ভিন্‌রাজ্যের হাজার হাজার হাসপাতালে এ বার বিনা মূল্যে চিকিৎসা পাবেন পশ্চিমবঙ্গবাসী। এ রাজ্যের নাগরিক, যাঁরা ভিন্‌রাজ্যে থাকেন, তাঁরাও পাবেন এই পরিষেবা। পশ্চিমবঙ্গে চালু হল কেন্দ্রীয় সরকারের 'আয়ুষ্মান ভারত' প্রকল্প। সোমবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে রাজ্যের সেই চুক্তি সই হল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎপ্রকাশ নড্ডা-সহ কেন্দ্র এবং রাজ্যের আমলারা।

চুক্তি সই হওয়ার পরে কেন্দ্রীয় সরকারকে ধন্যবাদ দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি এবং মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, এ রাজ্যের মানুষজন কী কী সুবিধা পাবেন এ বার থেকে। মনোজ জানান, এত দিন এ রাজ্যের ১১ কোটি মানুষ বঞ্চিত ছিল। এ বার তারা কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সবিধা পাবেন। মনোজ বলেন, যাদের জন্য প্রকল্প তারাই পাবেন। তিনি আরও জানান, ৭০ বছরের বেশি বয়স, রাজ্যে এমন ৪০ লক্ষ মানুষের জন্য রয়েছে বিশেষ প্যাকেজ। তাঁদের জন্য মোদী সরকার বরাদ্দ করেছে পাঁচ লক্ষ টাকা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুপ্রিয়া পটেল জানিয়েছেন, এ বার দেশের প্রবীণেরা সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারবেন। মনো জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে আশা কর্মীর সংখ্যা প্রায় ২ লক্ষের বেশি। তাঁরাও পাবেন সুবিধা। মুখ্যসচিব মনোজ জানান, এত দিন এজিআই হায়দরাবাদ, শঙ্কর নেত্রালয়ের মতো হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গেলে এ রাজ্যের মানুষজনকে নিজের পকেট থেকে খরচ করতে হত। এখন আর তা করতে হবে না। প্রকল্পের অন্তর্গত যত হাসপাতাল রয়েছে, সেখানে গিয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা করাতে পারবেন রাজ্যবাসী। পশ্চিমবঙ্গ এবং তার আশপাশের রাজ্যেও সেই সুবিধা মিলবে। যাঁদের বয়স ৭০ বছর, তাঁদের সুবিধা দ্বিগুণ। মনোজ জানান, রাজ্যের পূর্বতন সরকারের দেওয়া কার্ডে মাত্র আড়াই-তিন হাজার হাসপাতালেই সেই সুবিধা মিলত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুপ্রিয়া জানান, দেশের মোট ৩৬ হাজারের বেশি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা করাতে পারবেন বঙ্গবাসী। অবশ্যই সেই হাসপাতালগুলি এই প্রকল্পে নথিভুক্ত থাকতে হবে। কার্ড থাকলেই সেখানে চিকিৎসা হবে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

এনডিএ-র শরিক হতে চায় ২০ তৃণমূল সাংসদ!

 ৪:৫৮ PM     kolkata     No comments   


পরিষদীয় দলের পর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলেও বড়সড় ভাঙন। জল্পনা সত্যি করে এবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি জমা দিলেন 'বিদ্রোহী' সাংসদরা। সূত্রের খবর, আপাতত ২৮ জনের মধ্যে ২০ জন সাংসদের সই করা চিঠি জমা পড়েছে। সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এবার বিধানসভার পর লোকসভার রাশও ‘আসল তৃণমূলে’র হাতে। শোনা যাচ্ছে, 'বিদ্রোহী' সাংসদের সংখ্যাটা বেড়ে ২১ হতে পারে।

পালাবদলের একমাস পেরনোর আগেই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পরিষদীয় দলের 'মালিকানা' হাতছাড়া হয়েছে তৃণমল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ৮০ জনের মধ্যে ৫৮ জন বিধায়কই নেত্রীর সঙ্গ ত্যাগ করেছেন। সেই থেকেই শোনা যাচ্ছিল, একই নকশায় ভাঙতে চলেছে সংসদীয় দলও। রবিবার জল্পনার মাঝেই ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি উড়ে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমে বৈঠক হয়েওছে। এককালে ‘জমিদার’ বলে বিঁধলেও সোনিয়া গান্ধীকে জড়িয়ে ধরেছেন মমতা। কিন্তু তাতেও লাভ কিছুই হল না। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় রাজধানীতে থাকাকালীনই ভেঙে টুকরো হয়ে গেল তৃণমূলের সংসদীয় দল। বস্তুত, ছবি যা দাঁড়িয়েছে তাতে বলাই যায়, মমতা ইন্ডিয়ায়, আর তৃণমূল এনডিএ-তে। রবিবার দিল্লিতে গোপন বৈঠক করেন তৃণমূলের অন্তত ২১ ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, অসিত মাল, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ চক্রবর্তী, আবু তাহের খান, সুখেন্দু শেখর রায়, শর্মিলা সরকার, খলিলুর রহমান, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া-সহ আরও ২০ সাংসদ। সেখানে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। কার্যতই তখনই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে, এদিনই বঙ্গ রাজনীতি নাটকীয় মোড় নিতে চলেছে। সেই জল্পনাই সত্য়ি হল। ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠকের কয়েকঘণ্টার মধ্যেই লোকসভার স্পিকারের কাছে গিয়ে চিঠি জমা দেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সেখানে জানানো হয়েছে,এই ২০ সাংসদ তৃণমূলের সঙ্গে থাকতে চান না। তাঁরা এনডিএতে যোগ দিতে চান। স্পিকারের কাছে তাঁরা আর্জি জানিয়েছেন, তাঁদের যেন এনডিএর সঙ্গে বসার ব্যবস্থা করা হয়। অর্থাৎ পরিষদীয় দলের মতোই নাটকীয়ভাবে ভেঙে গেল তৃণমূলের সংসদীয় দল। বিদ্রোহীরা মুখ্য সচেতক হিসেবে চাইছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে। নিয়ম অনুযায়ী, স্পিকারের স্বীকৃতি মিললে এবার লোকসভায় 'আসল তৃণমূল' হতে চলেছেন তৃণমূলের বিদ্রোহীরা। ফলে লোকসভার দলনেতা থাকবেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি যে দিকে এগোচ্ছে এবার জোড়াফুল প্রতীকের দাবিদার হতে চলেছেন 'বিদ্রোহী'রা। এবার নিজের হাতে গড়া দলের প্রতীকও কি হাতছাড়া হবে মমতার? উত্তরের অপেক্ষায় সকলে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

বাড়িতে পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পেলেন প্রাক্তন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য!

 ১১:৫৩ PM     kolkata     No comments   

 


নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পেলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য। তড়িঘড়ি তাঁকে শিলিগু়ড়ির এক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরে স্থানান্তরিত করা হয় অন্য হাসপাতালে। শনিবার নিজের বাড়িতে পড়ে যান শিলিগুড়ি পুরসভার প্রাক্তন মেয়র। পরিবার সূত্রে খবর, মাথা ফেটে যায় তাঁর।

বেশ কয়েকটি সেলাই পড়ে। পরে এই প্রবীণ সিপিএম নেতাকে মাটিগাড়া সংলগ্ন অন্য একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সিটি স্ক্যান করানো হয়েছে অশোকের। শুধু তা-ই নয়, আরও যাবতীয় বিভিন্ন স্বাস্থ্যপরীক্ষাও হয় তাঁর। পরীক্ষার রিপোর্টে উদ্বেগের কিছু নেই বলে সূত্রের খবর। শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন ওই বর্ষীয়ান নেতা এ প্রসঙ্গে বামফ্রন্টের জেলা আহ্বায়ক জীবেশ সরকার জানান, অশোকের অবস্থা স্থিতিশীল। মাথার সামনে ছ’টা সেলাই পড়েছে। তবে কোনও অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়নি৷ হৃদ্‌যন্ত্রও স্বাভাবিক রয়েছে। আপাতত তাঁকে চিকিৎসকদের নজরদারিতে থাকতে হবে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

বাংলায় এসে বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রীর!

 ৮:৪০ PM     India, kolkata     No comments   


সরকার বদলের এক মাসের মধ্যেই বাংলায় রেলের কাজে গতি বাড়ল।  একের পর এক রেল প্রকল্প আটকে থাকায় রেলমন্ত্রীকে পাশে বসিয়ে আগের সরকারের অসহযোগিতা নিয়ে সমালোচনায় মুখর হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর কথায় সমর্থন জানিয়ে আগের তৃণমূল সরকারের ভূমিকা নিয়ে গুচ্ছ গুচ্ছ প্রশ্ন তুললেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও। সাফ বললেন, "আগের সরকার রেলের উন্নয়ন আটকে রেখে দিয়েছিল। তৃণমূল সরকার মেট্রো রেলের সুবিধা কলকাতার মানুষ যাতে না পান তার জন্য সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছিল।

আজ বাংলায় যে পরিবর্তন এসেছে, তাতে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরণ যাতে হয় সেটাই দেখব।" 

অন্যদিকে বাংলার জন্য যে বড় অঙ্কের বরাদ্দ কার্যত দরজায় কড়া নাড়ছে তাও জানালেন রেলমন্ত্রী। কত বারদ্দ হচ্ছে, কী কী প্রকল্পে কাজ হচ্ছে তারও বিশদে হিসাব দিয়ে বললেন, “ইউপিএ সরকারের আমলে ৪০০০ কোটি মিলত বাংলার জন্য। আর নরেন্দ্র মোদীজী ১৪২০৫ কোটি দিয়েছেন। এখন তো এনওসি দেওয়ার কাজ, জমি অধিগ্রহণের সমস্যা সব সমাধান হতে শুরু করেছে। আগামীতে সবাই মিলে আরও দ্রুত কাজ হবে।"বাংলার জন্য রেলের রূপরেখা সম্পর্কে বলতে গিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, "১০২ টি নতুন অমৃত ভারত স্টেশন হবে। তার মধ্যে ১০টি স্টেশনের কাজ ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। বন্দে ভারত স্লিপার সবার আগে বাংলায় চালু হয়েছিল। ৯ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চলছে বাংলায়। ১৩টি অমৃত ভারত চলছে।" এবার যে বাংলাও বুলেট ট্রেন পাচ্ছে সে কথা জানান রেলমন্ত্রী। সাফ বলেন, "পশ্চিমবঙ্গে এবার প্রধানমন্ত্রী বুলেট ট্রেন চালুর পরিকল্পনা করেছেন। দিল্লি থেকে বারাণসী-পাটনা হয়ে শিলিগুড়ি পর্যন্ত ছুটবে এই বুলেট ট্রেন।

Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

বিতর্কিত খবরকে গুজব বলে ওড়ালেন সৌরভ!

 ৭:৪২ PM     kolkata     No comments   


ইউসুফ পাঠানকে পদত্যাগ করিয়ে তাঁর জায়গায় বহরমপুর আসন থেকে লোকসভায় যেতে চান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! বেশ কয়েকদিন ধরে সংবাদমাধ্যম ও সোশাল মিডিয়ায় এমন চাঞ্চল্যকর খবর ছড়াচ্ছে। তাতে খানিকটা অপ্রত্যাশিতভাবে জড়িয়ে গিয়েছে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও। বলা হচ্ছে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ই নাকি মমতার বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন ইউসুফ পাঠানের কাছে।

কিন্তু সৌরভ সাফ জানিয়ে দিলেন, এই ধরনের খবরের কোনও ভিত্তি নেই। এই খবর একেবারে মনগড়া। আর এই মনগড়া খবরে তিনি যে বিরক্ত, সেটাও বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। সম্প্রতি এক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় রাজনীতিতে নজর দিতে চাইছেন। সেই লক্ষ্যে তিনি লোকসভায় যেতে চান। তাঁর প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠানকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়ে, ওই কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে কংগ্রেসের সমর্থনে জিতে আসা। ইউসুফের কাছে তাঁর বার্তা নাকি পৌঁছে দিয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর রীতিমতো আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। সৌরভের ভূমিকাও আতস কাচের তলায়। তবে সৌরভের দাবি, ওই প্রতিবেদনে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

দেব-রচনাদের নিয়ে বাড়ছে জল্পনা!

 ৬:৩৭ PM     kolkata     No comments   


পুরসভার বোর্ড ভাঙা থেকে শুরু হয়েছে। তারপর বিধানসভায় টালামাটাল অবস্থা। বাংলায় ক্ষমতাচ্যূত হতেই একমাসের মধ্যেই বদলে গিয়েছে তৃণমূলের পুরো খোলনলচে। বিধানসভায় ভেঙেছে তৃণমূল। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাধ্যায়ের নেতৃত্বে ‘'নব তৃণমূল ব্লক' গঠন হয়েছে। তাতে আবার ৫০ এর বেশি বিধায়ক যোগদান করেছেন। এবার লোকসভায়ও সেই ছবি দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, রাজধানী দিল্লিতে ক্রমেই ভিড় বাড়ছে তৃণমূল সাংসদদের। ৮ জুন তৃণমূল নেত্রীর দিল্লি সফরের দিনেই কি 'ভাঙন অপারেশনে নামবেন সাংসদরা?' প্রশ্ন উঠছে, বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। তবে, এরপরও একের পর এক সাংসদদের চাপা ক্ষোভের খবর মিলছে। সূত্রের খবর,জগদীশ বাসুনিয়াকে ফোন করেছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। জানতে চান কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকে আসেননি। উত্তরে জগদীশ ছেলের অসুস্থতার কথা বলেছেন। শুধু বলা হয়, প্রমাণ দেখাতে হয়েছে তাঁকে। হাসপাতালের বেডে ছেলে শুয়ে রয়েছে সেই ছবি পাঠাতে হয়েছে ডেরেকে বলে খবর। স্বাভাবিকভাবে এই আচরণে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ জাগদীশ। আবার আরও এক সাংসদ বিজেপির সঙ্গে যোগযোগ করছেন বলে অন্দরের খবর। যদিও, বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে এই ঘটনায় কিছু করার নেই। এছাড়াও, সেলিব্রেটি সাংসদরা দলের থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন বলে মিলছে খবর। সূত্রের খবর, তালিকায় দেব, রচনা, ইউসুফ পাঠান, জুন ব্যস্ত শুটিংয়ে। সায়নী ঘোষ কোন পক্ষে আছেন তা বলা যাচ্ছে না। অন্যদিকে, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় আপাত ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে, তবে লোকসভার দলনেতার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল সুদীপকে তাঁরা জায়গায় আনা হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফলত তিনি কোনদিকে থাকেন নজর থাকবে। অপরদিকে, মালদহ-মুর্শিদাবাদের মুসলমান সাংসদরা তৃণমূলের সঙ্গে থাকবেন নাকি কংগ্রেসে যোগ দেবেন সেই দিকে নজর থাকবে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত!

 ৬:১২ PM     kolkata     No comments   



নির্বাচনের আগে ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে ধৃত ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লাকে 'মূল ষড়যন্ত্রকারী' উল্লেখ করে শনিবার আদালতে পেশ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ।  তাঁর জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতের আবেদন জানান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবীরা। শনিবার এনআইএ আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে। ১৯ জুন পর্যন্ত এনআইএ হেফাজতে থাকতে হবে শওকতকে।
শুক্রবার গ্রেপ্তারের পর শওকতের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও একটি পেনড্রাইভ উদ্ধার করেছিলেন এনআইএ আধিকারিকরা। এগুলির ফরেন্সিক পরীক্ষার আবেদনও এদিন মঞ্জুর করেছে আদালত। বিস্ফোরণের ঘটনায় এর আগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ। তাঁদের মধ্যে দুই জন জেল হেফাজত ও একজন এনআইএ হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসগুলির ফরেন্সিক পরীক্ষার আবেদনও মঞ্জুর করেছেন বিচারক।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg
পুরাতন পোস্টসমূহ হোম

mgid

adgebra

Offer-2

offer-1

Adnow

AD

Popular Posts

  • আবার কি নতুন করে বদলি হতে পারেন বহু শিক্ষক? আশঙ্কা শিক্ষকদের।
    রাজ্যের স্কুল গুলিতে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের মধ্যে সমস্যা আছে। আর সেই কারণে এই রাজ্যে শিক্ষকের ঘাটতি আছে। সোমবার বিধানসভায় এমনই কথা বললেন ...
  • টার্গেট ২০১৯, মুখোমুখি দুই মুখ্যমন্ত্রী।
    টার্গেট ২০১৯ এর লোকসভা ভোট। আর তার আগে বিজেপি বিরোধী জোট মজবুত করতে আগ্রহী চন্দ্রবাবু নাইডু। আর সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্...
  • ব্রিসবেনে হার কোহলিদের!
    প্রায় জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করল ভারত। যে কোনও দলের কাছে এই হার লজ্জার। বুধবার ব্রিসবেনে ডাকওয়ার্থ লুইস সিস্টেমে প্রথম টি২০ ম্যাচ মাত্র ৪ ...

Recent Posts

Categories

  • Entertainment
  • India
  • International
  • kolkata
  • Sports

Pages

  • Home

Text Widget

Sample Text

Copyright © Kolkata News.Online Bengali News Portal. বাংলায় খবর। বাঙালির খবর। 24 X 7 | Powered by Blogger
Design by | Blogger Theme by NewBloggerThemes.com | Distributed By Gooyaabi Templates