Kolkata News.Online Bengali News Portal. বাংলায় খবর। বাঙালির খবর। 24 X 7
    • Internet
    • Market
    • Stock
    • Child Category 1
      • Sub Child Category 1
      • Sub Child Category 2
      • Sub Child Category 3
    • Child Category 2
    • Child Category 3
    • Child Category 4
    • Childcare
    • Doctors
  • Home
  • INDIA
    • Market
    • Stock
  • KOLKATA
    • Dvd
    • Games
    • Software
      • Office
  • INTERNATIONAL
    • Child Category 1
      • Sub Child Category 1
      • Sub Child Category 2
      • Sub Child Category 3
    • Child Category 2
    • Child Category 3
    • Child Category 4
  • SPORTS
  • ENTERTAINMENT
    • Childcare
    • Doctors
  • Uncategorized
kolkata লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
kolkata লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

SIR-ট্রাইব্যুনাল ছাড়লেন হাই কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি!

 ৫:২৯ PM     kolkata     No comments   


ট্রাইব্যুনালের কাজে ইস্তফা দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। সুপ্রিম কোর্টের   নির্দেশে SIR-এ বাদ যাওয়ার নামের নিষ্পত্তি করছে ট্রাইব্যুনাল। মোট ১৯টি ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হয়েছে, যেগুলির মাথায় আছেন প্রাক্তন বিচারপতি বা প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিরা। একটি ট্রাইব্যুনালের মাথায় ছিলেন শিবজ্ঞানম।

এবার তিনি ইস্তফা দিলেন। জানা গিয়েছে, ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েই ট্রাইব্যুনাল ছেড়েছেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। কলকাতা হাইকোর্টে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। পারিবারিক সমস্যার কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা যাচ্ছে। গত ৫ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের কাজ করেছেন তিনি। মোট ১৭৭৭ জন ভোটারের নিষ্পত্তি করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, যে কয়েকজনের আলাদাভাবে নিষ্পত্তি করা হয়, সেগুলিও করেছিলেন হাইকোর্টের এই প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। আপাতত ট্রাইব্যুনালের কাজ চলছে, তবে ভোটের পর নতুন করে কতজনের নামের নিষ্পত্তি হল, সেই সংখ্যা সামনে আসেনি।সুপ্রিম কোর্ট গত ১০ মার্চ এই নির্দেশ দেয়। ট্রাইব্যুনাল গঠন হয় ২০ মার্চ। কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে। কলকাতা হাইকোর্টের ১৯ জন অবসারপ্রাপ্ত বিচারপতি ও বিচারকদের নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়। কলকাতার জোকায় পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় ইনস্টিটিউটে ট্রাইব্যুনাল বসছে। অনলাইনে বা অফলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে ট্রাইব্যুনালে।সুপ্রিম কোর্ট গত ১০ মার্চ এই নির্দেশ দেয়। ট্রাইব্যুনাল গঠন হয় ২০ মার্চ। কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে। কলকাতা হাইকোর্টের ১৯ জন অবসারপ্রাপ্ত বিচারপতি ও বিচারকদের নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়। কলকাতার জোকায় পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় ইনস্টিটিউটে ট্রাইব্যুনাল বসছে। অনলাইনে বা অফলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে ট্রাইব্যুনালে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

কে এই চন্দ্রনাথ? পড়ুন

 ১০:৪১ AM     kolkata     No comments   


বঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকে গোটা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাওয়া যাচ্ছে অশান্তির খবর। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের মেধাবী ছাত্র! উচ্চশিক্ষার পর বায়ুসেনায় যোগ দিয়ে ছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে সেখানে কীভাবে তাঁর রাজনীতির আঙিনায় পা রাখা? এর নেপথ্যেও রয়েছে এক প্রচণ্ড আনুগত্য-প্রশ্নাতীত বিশ্বাসের সম্পর্ক! শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক রথের শেকড় ছিল পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে।

মেধাবী ছাত্র হিসাবে তাঁর পরিচিতি ছিল শৈশব থেকেই। তিনি ২০০০ সালে উত্তর ২৪ পরগনার বিখ্যাত রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন থেকে অত্যন্ত কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক পাশ করেন। উচ্চশিক্ষা শেষ করে তিনি ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দেন বায়ুসেনায় তিনি শর্ট সার্ভিস কমিশনে অফিসার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। বেশ কয়েক বছর বায়ুসেনায় দায়িত্ব পালনের পর তিনি সেখান থেকে অবসর গ্রহণ করেন।বায়ুসেনা থেকে ফিরে চন্দ্রনাথ রথ রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেন। আগে থেকেই তাঁর পরিবারে রাজনীতির ছোঁয়া ছিল। মা অনেক কষ্ট করে, লড়াই করে বড় করেছিলেন তাঁকে। চন্দ্রনাথের মা চণ্ডীপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন। আর তাঁর মধ্যে দিয়েই রাজনৈতিক সচেতক হয়ে উঠেছিলেন চন্দ্রনাথ। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ঘনিষ্ঠদের মতে, সে সম্পর্ক ছিল প্রশ্নাতীত বিশ্বাসের। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী যখন বিজেপিতে যোগ দেন, চন্দ্রনাথ তাঁর প্রধান সহযোদ্ধা ছিলেন। ভবানীপুর উপনির্বাচন থেকে শুরু করে নন্দীগ্রামের ভোট— শুভেন্দুর দৈনন্দিন সূচি, মিটিং ও রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে তাঁর ভূমিকা ছিল পর্দার আড়ালে থাকা কারিগররের মতো। ছাব্বিশের নির্বাচনের সময়ে তিনি ছিলেন নন্দীগ্রামে। ভবানীপুরেও শুভেন্দুর নির্বাচনী প্রচারের স্ট্র্যাটেজি সামলেছিলেন। বুধবার রাতে সেই চন্দ্রনাথই গুলিতে ঝাঁঝরা হয়েছেন। মধ্যমগ্রাম থেকে ফেরার সময়ে দুষ্কৃতীরা তাঁকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্তে সিআইডি। বৃহস্পতিবার সকালেই ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন তাঁরা। জানা যাচ্ছে, যে গাড়িটি চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে এসে রাস্তা আটকায়, সেটি আসলে চুরির। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

অভিষেক অনেক লড়াই করেছে, সম্মস্ন জানান; নির্দেশ মমতার

 ৭:০৩ AM     kolkata     No comments   

 


তৃণমূলের ক্ষমতার মিনার ভেঙে পড়ার পর থেকেই দলের অন্দরে আলোচ্য হয়ে উঠেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা। তাঁর কর্পোরেট কায়দা, পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাককে সংগঠনের সমান্তরাল করে তোলা নিয়ে নবীন-প্রবীণ নির্বিশেষে ক্ষোভ গোপন করছেন না। বুধবার তৃণমূলের টিকিটে জয়ীদের বৈঠকে সেই অভিষেকের ‘লড়াইকে’ সম্মান দিতে উঠে দাঁড়াতে হল সকলকে। উঠতে হল অভিষেকের জন্মের আগে থেকে রাজনীতির আঙিনায় থাকা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, সমর মুখোপাধ্যায়, জাভেদ খান, ফিরহাদ হাকিমদেরও।

কালীঘাটের বাড়িতে তৃণমূলের জয়ী ৮০ জন প্রার্থীকে ডেকেছিলেন ইস্তফা দিতে না-চাওয়া ‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন অভিষেকও। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকেই অভিষেকের লড়াইকে সম্মান জানানোর নির্দেশ দেন মমতা। তৃণমূলের টিকিটে এ বারও জেতা এক প্রার্থী বলেন, ‘‘অভিষেকের লড়াইকে সম্মান জানতে মমতাই সকলকে বলেন উঠে দাঁড়াতে।’’ রতুয়ার প্রবীণ বিধায়ক সমর, বালিগঞ্জ থেকে জেতা শোভনদেব, কলকাতার মেয়র তথা বন্দর আসন থেকে জেতা ফিরহাদ, বজবজ থেকে জেতা অশোক দেব— সকলকেই উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে হয়েছে অভিষেকের প্রতি। যা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের মধ্যে। সূত্রের খবর, মমতার নির্দেশ মেনে অনেককে উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান জানাতে হয়েছে ঠিকই। তবে অনেকেই চেয়ার ছেড়ে উঠতে ইতস্তত করেছেন। জয়ী এক প্রার্থী বলেন, ‘‘বসেও তো হাততালি দেওয়া যেত। কিন্তু হাঁটুর বয়সি অভিষেকের সামনে উঠে দাঁড়ানো প্রবীণ নেতাদের কাছে দৃশ্যতই অস্বস্তিকর ছিল।’’ তবে বৈঠকের ভিতরে উঠে দাঁড়ালেও বাইরে বেরিয়ে কেউই বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করেননি। যা খানিকটা প্রত্যাশিতই। তৃণমূল সূত্রে আরও খবর, মমতা স্পষ্ট বার্তা দিয়ে দিয়েছেন, অভিষেকের সমালোচনা করলে পার্টি বরদাস্ত করবে না। শৃঙ্খলা রাখার বিষয়ে তিনি একটি শৃঙ্খলারক্ষা কমিটিও গড়ে দিয়েছেন। যাতে রাখা হয়েছে রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শুভাশিস চক্রবর্তী এবং ধনেখালির জয়ী প্রার্থী অসীমা পাত্রকে। ডেরেককে অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে বসার দায়িত্ব দিয়েছেন মমতা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত তিনি সেখানে থাকবেন। তৃণমূলের টিকিটে এ বার জিতেছেন সাকুল্যে ৮০ জন। সূত্রের খবর, বুধবারের বৈঠকে জয়ীদের মধ্যে ১১ জন হাজির ছিলেন না। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হাসনের কাজল শেখ এবং আমডাঙা থেকে জয়ী তথা ফুরফুরা শরিফের পিরজাদা কাশেম সিদ্দিকি।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক গুলিবিদ্ধ!

 ১১:৪৫ PM     kolkata     No comments   


গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্য শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়কের। চন্দ্রনাথ রথ নামে ওই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে পরপর তিনটি গুলি করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যমগ্রামে।

তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেছেন। জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের জয়ী প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন এই চন্দ্রনাথ। বিগত পাঁচ বছর ধরে তিনিই শুভেন্দুর সব কাজকর্মের দায়িত্বে ছিলেন।বিস্তারিত খবর আসছে :-
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

বিজেপিতে যাচ্ছেন অনুব্রত মণ্ডল?

 ৪:৪৮ PM     kolkata     No comments   


বীরভূমে তৃণমূলের ভরাডুবি। ১১টি আসনের মধ্যে মাত্র ৬ আসনে জয়। আর তারপরই অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে উঠ কিছু প্রশ্ন। সামনে আসছে বড় খবর। যেখানে 'কেষ্ট' অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ।  দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে বীরভূম জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিচিত ‘বাঘ’ অনুব্রত মণ্ডলের প্রভাব যেন এবারের ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে ধাক্কা খেয়েছে। জেলার ১১টি আসনের মধ্যে ৬টিতে জয় পেয়েছে বিজেপি।

এই ফলাফলের পর স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসছে অনুব্রত মণ্ডলের ভূমিকা ও জেলায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রভাব নিয়ে। নির্বাচনের আগে অনুব্রত মণ্ডলকে জেলা সভাপতির পদে ফিরিয়ে আনা হয়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পেছনে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বড় ভূমিকা রয়েছে। অনুব্রত মণ্ডল ও কাজল শেখের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা কোন্দল জেলা তৃণমূলের সংগঠনে বড় ধরনের ফাটল ধরিয়েছে বলে অভিযোগ। গ্রেপ্তারের পর ফিরে আসার পর থেকেই জেলায় কোর কমিটি গঠন করা হয়, কিন্তু তাতেও গোষ্ঠী সংঘাত থামেনি। নির্বাচনী প্রচারে অনুব্রত মণ্ডলকে এবার তেমন সক্রিয় দেখা যায়নি। বোলপুর শহরে তিনি প্রচার করলেও সেখানে তৃণমূলকে হার স্বীকার করতে হয়েছে। সূত্রের খবর, তাঁর নিজের বাড়ির এলাকার বুথেও তৃণমূল পিছিয়ে পড়ে। যদিও বোলপুর আসনে তৃণমূল জয়ী হয়েছে, তবু জেলার সামগ্রিক ফলাফলকে ‘ভরাডুবি’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, অনুব্রত মণ্ডল নিষ্ক্রিয়তার পাশাপাশি তলায় তলায় কয়েকটি আসনে বিজেপির পক্ষে কাজ করেছেন। এই অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বই বীরভূমে তৃণমূলের পরাজয়ের অন্যতম বড় কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে অনুব্রত মণ্ডল সাংবাদিকদের সামনে বলেছিলেন, "বিজেপি যদি ২০০ আসন পায়,তাহলে আমি একদিকের মাথা নেড়া করে ঘুরে বেড়াব।" কিন্তু ফল প্রকাশের পর থেকে তিনি একেবারে নীরব। কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—অনুব্রত মণ্ডল কোন পথে হাঁটবেন? তৃণমূলে থেকে যাবেন? নাকি অন্য কোনও দলে যোগ দেবেন? নাকি রাজনীতি থেকেই সরে দাঁড়াবেন? জেলা রাজনীতির পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, আগামী দিনে তাঁর সিদ্ধান্ত বীরভূম তৃণমূলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

চাকরিটা থাকবে তো? চিন্তায় সিভিক ভলান্টিয়াররা

 ৪:১৪ PM     kolkata     No comments   


চাকরি মিলেছিল তৃণমূল সরকারের আমলে। সরকারি পদে, সরকারি কর্মীদের মতো কাজ করতে হলেও সেই চাকরি ছিল  চুক্তিভিত্তিক। স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন করেও সুফল মেলেনি। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই ধরনের চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা হঠাৎ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ চিন্তিত। আগামী দিনে চাকরিটা আদৌ থাকবে তো, নতুন সরকার ছাঁটাই করে দেবে না তো?

প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে অস্থায়ী কর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে। এই মুহূর্তে রাজ্যে সরকারি চাকরিতে শূন্যপদ প্রায় ৬ লক্ষ। গ্রুপ এ, বি, সি এবং ডি গ্রুপ স্তরের কর্মী মিলিয়ে এই মুহূর্তে কর্মীসংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩ লক্ষ ১৭ হাজার। যার ফলে প্রশাসনিক কাজকর্ম চালাতে ভরসা করতে হয় এই চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের উপর। রাজ্যের প্রায় সমস্ত সরকারি অফিসেই ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, পিওন-সহ বিভিন্ন পদে অস্থায়ী কর্মীরা বসে। এমনকী আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ যে সিভিক ভলান্টিয়ারদের হাতে, তারাও অস্থায়ী কর্মী। সব মিলিয়ে সংখ্যাটা ৫ লক্ষ। তৃণমূলের আমলে এই সবস্তরের কর্মীই স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন করেছেন। সেসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায়, এই অস্থায়ী কর্মীরা ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত নিজ পদে বহাল থাকতে পারবেন। তাঁদের চাকরি যাবে না। অবসরের পর তাঁদের নামমাত্র অবসরকালীন সুবিধা দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়।সমস্যা হল, রাজ্যের নবনির্বাচিত বিজেপি সরকারের ইস্তেহারেই বলা আছে, ক্ষমতায় এলে সব সরকারি চাকরির শূন্যপদ পূরণ করা হবে। তাছাড়া আগের সরকারের আমলে যে অস্থায়ী কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের যে এই সরকার বিশেষ পছন্দ করছে না, সেটা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই নবান্নের বিভিন্ন দপ্তরের ওএসডি এবং রিঅ্যাপয়ন্টেড কর্মীদের নবান্নে যেতে নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই মর্মে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন খোদ মুখ্যসচিব। স্বাভাবিকভাবেই এই পাঁচ লক্ষ অস্থায়ী কর্মী ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে উদ্বেগের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। নতুন সরকার যদি এই অস্থায়ী পদ বিলুপ্ত করে স্থায়ী নিয়োগের পথে হাঁটে? সেক্ষেত্রে মমতার আমলের ওই লিখিত নির্দেশের উপর বিশেষ ভরসা রাখতে পারছেন না তাঁরা। বিভিন্ন স্তরের সরকারি অস্থায়ী কর্মীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলিতে এ নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠছে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

তৃণমূলের দুই নেতাকে তলব ইডি-র!

 ২:৪৬ PM     kolkata     No comments   



ভোটের কাজে ব্যস্ত বলে দুই বিদায়ী মন্ত্রী এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর কাছে সময় চেয়েছিলেন।এবার ভোট মেটার পর বুধবার ছিল তৃণমূলের সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার দিন। কিন্তু দু’জনেই আলাদা ভাবে জানালেন, তাঁরা ইডি দফতরে যেতে পারছেন না।

ইডির একটি সূত্রে খবর, প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, শৌচাগারে পড়ে গিয়ে তিনি পায়ে চোট পেয়েছেন। চিকিৎসক তাঁকে দিন দশেকের জন্য বিশ্রাম নিতে বলেছেন। আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত ইডিকে জানিয়েছেন, ভোট পরবর্তী হিংসায় তাঁর দলের অনেক কর্মী আক্রান্ত। তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি ব্যস্ত। তাঁকে যেন আরও কিছু দিন সময় দেওয়া হয়। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজ্যের দুই মন্ত্রীকেই ভোটের আগে তলব করা হয়েছিল। বস্তুত, প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিতকে সম্প্রতি একাধিক বার তলব করেছে ইডি। সুজিত প্রায় প্রতি বারই ইডির কাছে সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ভোটের কাজে ব্যস্ত, তাই হাজিরা দিতে পারবেন না, এই মর্মে আবেদন নিয়ে আদালতেও গিয়েছিলেন তিনি। হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের বেঞ্চ জানিয়েছিল, ১ মে সুজিতকে হাজিরা দিতে হবে ইডি দফতরে। আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যেই ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন তৃণমূলের বিদায়ী মন্ত্রী। প্রায় ৯ ঘণ্টা পরে ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমি সাক্ষী হিসাবে এসেছিলাম।’’ তিনি এ-ও বলেছিলেন, ‘‘ব্যবসা করা কখনও কোনও অপরাধ নয়। চুরি করাটা অপরাধ।’’ তবে ইডি তদন্ত করছে। তিনি তদন্তে সহযোগিতা করে যাবেন। আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী রথীনও ভোটের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন বলে ইডির কাছে সময় চেয়েছিলেন। ভোটের ফলপ্রকাশের একদিন পর তাঁকেও তলব করা হয়েছিল ইডি দফতরে।২০২৩ সালের অক্টোবরে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রথম বার রথীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

অভিষেকের কাছে এল লালবাজার থেকে নির্দেশিকা!

 ২:১০ AM     kolkata     No comments   


ভোটে পরাজিত হওয়ার পরই বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে থেকে গার্ডরেল সরিয়ে দেওয়া হয়েছে আজ। আর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস এবং বাড়ির বাইরের অতিরিক্ত পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশিকা জারি করল লালবাজার।

আগামিকাল অর্থাৎ বুধবার ৬ তারিখ সকাল সাড়ে ৬ টা থেকে এই নির্দেশিকা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।লালবাজার সূত্রে জানা যাচ্ছে, ১৮৮ এ হরিশ মুখোপাধ্যায় রোডের বাড়ির বাইরের পিকেট, ১২১ কালীঘাট রোডের অফিস আর বাড়ির বাইরের পিকেট। একই সঙ্গে ৯ ক‍্যামাক স্ট্রিটের অফিসের বাইরের পুলিশ পিকেট তুলে নেওয়ার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

তৃণমূল কার্যালয়ে অস্ত্র মজুত; উদ্ধার করল পুলিশ

 ৯:১৯ PM     kolkata     No comments   



দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার ঘুটিয়ারি শরিফের নারায়ণপুর এলাকায় তৃণমূলের একটি দলীয় কার্যালয় থেকে ১৮টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করল পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযোগ ছিল, নারায়ণপুর পঞ্চায়েতের প্রধান ও স্থানীয় তৃণমূল নেতা সালাউদ্দিন সর্দারের দলীয় কার্যালয়ে বিপুল পরিমাণ ধারালো অস্ত্র মজুত রয়েছে। সেই খবর পেয়ে ওই কার্যালয়ে হানা দেয় পুলিশ। এদিকে, ভোটের ফলপ্রকাশের পরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি। পেটকুলচাঁদ এলাকায় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলআশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, বুধবার রাতে বাইকে ফেরার সময় পথ আটকে লাঠি এবং রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

"কেন পদত্যাগ করব? ‌আমরা তো হারিনি": মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

 ৪:৫২ PM     kolkata     No comments   

মমতা এবং অভিষেকের সঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ডেরেক ও'ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। মমতা বলেন, "এত দিন আমি চেয়ারে ছিলাম। অনেক কিছু সহ্য করেছি। কিন্তু এখন আমি মুক্ত বিহঙ্গ। সাধারণ মানুষ।

আর সহ্য করব না। সব অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করব। আমি রাস্তার লোক। রাস্তায় ছিলাম, রাস্তায় থাকব।" বিজেপি বিরোধী 'ইন্ডিয়া' জোটের সকল নেতা ফোন করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন বলে জানান মমতা। তিনি বলেন, "জোট আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে। অখিলেশ আজ আসতে চেয়েছিল। আমি কাল আসতে বলেছি। একে একে সকলেই আসবেন। জোট শক্তিশালী করব।"মমতা জানান, এখনই তিনি পদত্যাগ করবেন না। বলেন,"কেন পদত্যাগ করব? ‌আমরা তো হারিনি। জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে। ইস্তফার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে?
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

অবশেষ ব্যান্ডেড পড়ল সিপিএম-এর রক্তক্ষরণে!

 ১২:১৫ AM     kolkata     No comments   


আর শূন্য নয়। অবশেষ বঙ্গে ফের খাতা খুলল সিপিএম। ডোমকল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতলেন সিপিএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (রানা)। বিশাল জয়ের অঙ্কের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থীকে পরাজিত করলেন রানা। কে এই মোস্তাফিজুর? দীর্ঘদিন ধরেই বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত মোস্তাফিজুর। রয়েছে পারিবারিক ব্যবসা। এর পাশাপাশি শিক্ষকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি। SFI করতেন দীর্ঘদিন ধরে। বামেদের একেবারে তরুণ মুখ তিনি। ২০২১ সালেও ডোমকল থেকে লড়াই করেছিলেন মোস্তাফিজুর। তবে সে সময় পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।

ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের তরফে লড়াই করছিলেন আইপিএস হুমায়ুন কবীর। এর আগে তিনি ডেবরা থেকে লড়াই করে তৃণমূলের হয়ে বিপুল জয় পেয়েছিলেন। তাঁরই কেন্দ্র বদল করা হয় এবার। পাঠানো হয় ডোমকলে। এ দিকে, মুস্তাফিজুর ডোমকলের ঘরের ছেলে। ‘বহিরাগত’ হুমায়ুন কবীরকে কি মেনে নিতে পারেননি সেখানকার মানুষজন? উঠছে সেই প্রশ্নই। ডোমকল পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রায় ৫০০ পরিবার একযোগে তৃণমূল ছেড়ে সিপিআইএমে যোগ দিয়েছিলেন। সেই সময় তৃণমূলের পতাকা ছেড়ে হাতে নেন লাল ঝান্ডা। যোগদানের পরই মিষ্টিমুখ। আর তারপর ঝড়-বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই শুরু হয় শক্তি প্রদর্শনের মিছিল ও জনসংযোগ। যোগদানকারীদের দাবি, দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ও একাধিক অভিযোগেই তাঁরা শাসকদল ছেড়েছেন। তৃণমূলের প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে নিশানা করে সেই সময়ই তিনি বলেছিলেন,'পিকচার বাকি হ্যায়…।' তিনি এও বলেন, 'তৃণমূলের প্রার্থী বহিরাগত। তৃণমূল এখানে কোন জায়গায় যাচ্ছে, তিনি বুঝতে পারবেন না। তবে ডোমকলের মানুষ বুঝবেন। এটা তো ছিল ট্রেলার। পিকচার আভি বাকি হ্যায়। প্রকৃতপক্ষে যাঁরা কর্মী, তাঁদের তৃণমূল মর্যাদা দেয় না।"
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

শনিবার, ২ মে, ২০২৬

সন্ধি প্রস্তাব হুমায়ুনের!

 ৪:১১ PM     kolkata     No comments   


ভোট মিটতেই ফের ভোলবদল হুমায়ুন কবীরের! তৃণমূলের দিকে 'সন্ধি'র হাত বাড়ালেন শাসক শিবির থেকে বহিষ্কৃত নেতা। ফলপ্রকাশের দু’দিন আগেই রীতিমতো বিস্ফোরক দাবি করলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সুপ্রিমো। তিনি জানালেন, তৃণমূলের সঙ্গে সরকার গঠনে থাকতে পারেন তিনি। তবে তার জন্য দিলেন শর্তও। পাশাপাশি শনিবার তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও যথেষ্ট আক্রমণ করেছেন হুমায়ুন কবীর।

শনিবার বহরমপুরে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সুপ্রিমো বলেন, ‘'তৃণমূল যদি হাঁটু গেড়ে আমার কাছে ক্ষমা চায়, বলে যা হয়েছে ভুল হয়েছে, দুর্নীতি করা ভুল হয়েছে, আর দুর্নীতি করব না। তাহলে তখন সমর্থন করার ভাবনাচিন্তা করব। আমার মতো নেতারা চুপচাপ আছে, কমিশনার উপর ভরসা আছে কোথাও কোনও সমস্যা হবে না।" মমতা-অভিষেকের উদ্দেশে তাঁর কটাক্ষ, "চৌঠা মে-র পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দুবাই চলে যাবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের সংকীর্তন করবে।"
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

দমকলমন্ত্রী সুজিতকে ফের তলব ইডির!

 ৩:৪৪ PM     kolkata     No comments   


পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দমকলমন্ত্রী তথা এ বারের বিধাননগরের তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুকে আবার তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শুক্রবারই তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে হাজিরা দেন। তখন তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ৬ মে আবার আসতে হবে। এর পাশাপাশি অস্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত কিছু নথি নিয়ে আসার কথাও বলা হয়েছে দমকলমন্ত্রীকে। তাঁর ওই নথি যাচাই করে দেখা হবে বলে ইডি সূত্রের খবর।প্রসঙ্গত, এর আগে বেশ কয়েক বার সুজিতকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে হাজিরা দিতে পারেননি বলে দাবি মন্ত্রীর। তার পর ভোট মিটতেই শুক্রবার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে হাজিরা দেন তিনি। শুধু সুজিত নন, তাঁর পুত্র সমুদ্রকেও তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। এর আগে সুজিতের বাড়ি এবং অফিসে হানা দিয়েছিল ইডি।


Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬

আইপ্যাক কর্তাকে গ্রেফতারের পুরস্কার পেলেন ইডি আধিকারিক!

 ৮:২৭ PM     kolkata     No comments   


কলকাতায় তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আই-প্যাকের দফতর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন যে আধিকারিক, তাঁকে পুরস্কৃত করল ইডি। ‘বিরল পেশাদারি সাহসিকতা’র পরিচয় দেওয়ার জন্য বিশেষ সম্মান পেয়েছেন ইডি আধিকারিক প্রশান্ত চান্ডিলা। কেন্দ্রীয় সংস্থার অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর পদে রয়েছেন তিনি।

১ মে ইডির প্রতিষ্ঠা দিবস। ১৯৫৬ সালে এই সংস্থা যাত্রা শুরু করেছিল। শুক্রবার দিল্লিতে ৭০তম ইডি দিবস পালিত হয়। সেখানেই প্রশান্ত-সহ সংস্থার পাঁচ কর্তাকে পুরস্কৃত করা হয় কোনও না কোনও বিশেষ অবদানের জন্য। প্রশান্তকে মঞ্চে ডাকার পর সঞ্চালক বলেছেন, "কলকাতার একটি অভূতপূর্ব অভিযানে প্রশান্ত ব্যতিক্রমী, পেশাদারি সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। বুদ্ধিদীপ্ত তৎপরতায় নিখুঁত পঞ্চনামা প্রস্তুত করেছেন, যা পরে সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে আমাদের অন্যতম মূল প্রমাণ হিসাবে কাজে লেগেছে।" উল্লেখ্য, পুরস্কার দেওয়ার সময় আই-প্যাকের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

ফের ভিজবে তিলোত্তমা!

 ৪:১০ PM     kolkata     No comments   

বৈশাখের তীব্র দাবদাহে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে কালবৈশাখী। গত দু’দিন ধরেই কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে ঝড়বৃষ্টি চলেছে সন্ধের পর থেকে। এর সঙ্গে দমকা হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎ।

আপাতত এই ঝড়বৃষ্টির দাপট আরও কিছুদিন চলবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে। হাওয়া অফিস বলছে, শুক্রবারও কলকাতায় বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। শুক্র ও শনিতে ঝড়বৃষ্টির পরিমাণ খানিকটা কম থাকলেও রবিবার ও সোমবার ঝড় বৃষ্টির দাপট বাড়বে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সোমবার অর্থাৎ ভোটগণনার দিন কালবৈশাখীর সম্ভাবনা কলকাতায়।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি....মানুষের ভোট যেন সুরক্ষিত থাকে: মুখ্যমন্ত্রী

 ৩:৩২ PM     kolkata     No comments   


রেজাল্টের আগে তুঙ্গে স্ট্রংরুম সংঘাত। শাখাওয়াত মেমোরিয়ালে মুখোমুখি তৃণমূল-বিজেপি। প্রায় ৪ ঘণ্টা পর বেরোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বেরিয়েই বললেন, "স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। মানুষের ভোট যেন সুরক্ষিত থাকে। অভিযোগ পেয়ে ছুটে এসেছি। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রথমে ঢুকতে দেয়নি।" যদিও ইভিএম কারচুপির অভিযোগ খারিজ নির্বাচন কমিশনের। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমের সামনে উত্তেজনা নিয়ে সংবাদিক বৈঠকেও বসেছিলন সিইও মনোজ আগরওয়াল। তাঁর সঙ্গেই ছিলেন ডিইও নর্থ স্মিতা পাণ্ডে। কমিশনের

কথা, সমস্ত ইভিএম সুরক্ষিত রয়েছে। মমতা যদিও বলছেন, "এটা পুরো এক পাক্ষিক ভোট হচ্ছে। উদ্বেগ ছিল বলেই এসেছি। সিসিটিভি ফুটেজ আসছিল। বেশ কিছু জায়গায় কারচুপি হচ্ছে বলে অভিযোগ আসছিল। বাইরের লোক এসে ব্যালট এদিক-ওদিক করছে। এই খবর শুনেই আমি ভাবি দেখে আসি একবার। এখানে তো আসার পর কেন্দ্রীয় বাহিনী আমাকে যেতেই দিচ্ছিল না। আমি বলি আমার যাওয়ার অধিকার আছে। শেষে RO-র অনুমতি নিয়ে ভিতরে ঢুকেছি। আমি মনে করি প্রেসের জন্য সিসিটিভি দেখার একটা জায়গা করে দেওয়া উচিত।"
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

এবারের ভোটে বিস্ময়কর ফল হবে! কী বললেন বিকাশরঞ্জন? পড়ুন

 ৬:২৬ PM     kolkata     No comments   


এবার বিস্ময়কর ফল দেখবে বাংলা। ভোটের পর বড় ফ্যাক্টর হতে চলেছে বামেরা। এমন দাবি করলেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।

তবে EXIT POLL কে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি। তিনি একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, "ব্যাপক ভোটাভুটি যা হয়েছে, বিস্ময়কর ফলাফল হলে বিস্মিত হব না।"ভোটের পর ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে বিকাশরঞ্জন। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, এবারে নজিরবিহীনভাবে ভোটের হার নিয়ে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, "এই ভোটের হার আসলে কিছুই নয়, এতদিন শান্তিপূর্ণ ভোট না দিতে পারার বিরুদ্ধে একটা জেহাদ। তাই এত ভোটের হার। চূড়ান্ত দুর্নীতি ও ধর্মীয় বিভাজনের বিরুদ্ধে জেহাদ।"এবারের নির্বাচনে কি বামেরা ফ্যাক্টর? তিনি বলেন, "বামেরা তো প্রথম থেকেই ফ্যাক্টর। অবশ্যই ফ্যাক্টর। প্রচারের সময়েই দেখা যাচ্ছিল। বিজেপি-তৃণমূল বাম বিনা অন্য কথা কেউ বলতেই পারছিলেন না। সবাই বামেদের ভোট চাইছিলেন। বাম নিয়ে ওরা সবাই চূড়ান্ত আতঙ্ক রয়েছে।"
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

ভোট মিটতেই জামিন পেলেন IPAC ডিরেক্টর!

 ১:৩৩ PM     kolkata     No comments   




জামিন পেলেন IPAC ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেল। ভোটের ঠিক আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। আবার ভোট মিটতেই জামিন পেলেন। যা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ১৩ এপ্রিল তাঁকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।  তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপ ও বিভিন্ন হিসেব বহির্ভূত টাকা লেনদেনের অভিযোগ সামিনে আসে। এছাড়া, বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা নিয়ে হাওয়ালা মারফত বাইরে পাঠানোরও অভিযোগ উঠেছে ভিনেশ চান্ডেলের বিরুদ্ধে। তবে, এবার তাঁকে জামিন দিল দিল্লির পাতিয়ালা হাউজ কোর্ট। জানা গিয়েছে, চান্ডেলের জামিনের বিরোধিতা করেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। দিল্লির পাতিয়ালা হাউজ় কোর্টে গত মঙ্গলবারই অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেছিলেন ভিনেশ চান্ডেল। তিনি আদালতকে জানান, তাঁর মা ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত।
বাড়িতে কেউ নেই যে তাঁকে সাহায্য করতে পারে। সেক্ষেত্রে তাঁকে যেন জামিন দেওয়া হয়। কিন্তু, ৪৮ ঘণ্টা আগেও সেই জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। আজও রেগুলার জামিনের আবেদনের শুনানি ছিল। জানা গিয়েছে, চান্ডেলের জামিনের বিরোধিতাই করেনি ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা জানিয়েছেন, তদন্তে সহযোগিতা করেছেন চান্ডেল। তবে, ইডি চান্ডেলের জামিনের ওপর শর্ত আরোপের আবেদন জানায় পাতিয়ালা হাউজ় কোর্টে। তারপরই আদালত শর্তের বিনিময়ে জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে। আজও রেগুলার জামিনের আবেদনের শুনানি ছিল। জানা গিয়েছে, চান্ডেলের জামিনের বিরোধিতাই করেনি ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা জানিয়েছেন, তদন্তে সহযোগিতা করেছেন চান্ডেল। তবে, ইডি চান্ডেলের জামিনের ওপর শর্ত আরোপের আবেদন জানায় পাতিয়ালা হাউজ় কোর্টে। তারপরই আদালত শর্তের বিনিময়ে জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

কলকাতা হাইকোর্টে 'সিংহম' অফিসারের বিরুদ্ধে মামলা; কী বললেন বিচারপতি?

 ৬:০৬ PM     kolkata     No comments   


বঙ্গভোটের দায়িত্ব নিয়ে ভোটের মাঝে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে 'দাবাং' মেজাজে হুমকি দিয়েছিলেন কমিশন নিযুক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা, যিনি যোগীরাজ্যের 'এনকাউন্টার স্পেশালিস্ট' বলে পরিচিত। ফলতার তৃণমূল প্রার্থীর পরিবারকে হুঁশিয়ারির সেই ভিডিও ভাইরাল হয়। তিনি অযথা ভোটার ও প্রার্থীকে হুমকি দিচ্ছেন, এই অভিযোগ তুলে অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। কিন্তু সেই মামলা খারিজ করে দিল আদালত।

জানিয়ে দেওয়া হল, ভোটের দায়িত্ব পাওয়া পুলিশ অফিসারদের নিয়ে মামলায় ২৯ তারিখ পর্যন্ত কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। মঙ্গলবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ পর্যবেক্ষক উত্তরপ্রদেশের 'সিংঘম' অজয় পাল শর্মার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে মামলাকারী এক আইনজীবী সওয়াল করে জানান, ‘‘অজয় পাল শর্মাকে আটকান। তিনি ভোটার ও প্রার্থীকে হুমকি দিচ্ছেন।" কিন্তু মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়ায় শুনানি হয়নি। তবে মৌখিকভাবে শুনে বিচারপতি জানিয়ে দেন, ২৯ এপ্রিল অর্থাৎ শেষ দফা ভোট পর্যন্ত যাঁরা নির্বাচনের দায়িত্বে আছেন, তাঁদের কারও কাজে হস্তক্ষেপ করবেন না।
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg

গভীর রাতে ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বহিনী!

 ৫:২৪ PM     kolkata     No comments   


ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বাড়ির সামনে গিয়ে পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় শর্মা পালের 'হুঁশিয়ারি' নিয়ে বেশ শোরগোল পড়েছে রাজ্যে। এবার কলকাতার মেয়র তথা কলকাতা বন্দরের তৃণমূল প্রার্থী ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে পৌঁছে গেল কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ পর্যবেক্ষক। তাও গভীর রাতে। আর এই নিয়েই কেন্দ্রীয় বাহিনী ও বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হলেন ফিরহাদ।

রাত পোহালেই কলকাতা-সহ ৭ জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ। প্রচার শেষ। ভোটের আগের দিন কিছুটা খোশমেজাজেই দেখা গেল কলকাতা বন্দরের প্রার্থী ববি হাকিমকে। তিনি বলেন,"গতকাল রাত পৌনে একটার সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশ পর্যবেক্ষক চেতলায় আমার বাড়িতে আসে।" নির্বাচনের সময় যাতে কোনও অশান্তি না হয়, সেই বিষয়ে পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী রীতিমতো সতর্ক করে ফিরহাদকে। একইসঙ্গে বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথে বাধা দেওয়া হলে ভালো হবে না বলেও রীতিমতো কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে যান পুলিশ পর্যবেক্ষক। ফিরহাদ হাকিম তাঁদের বলেন, "চেতলায় কোনওদিন কোনও অশান্তি হয় না। এবারেও হবে না।" সেই সময় পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর কমান্ডার কলকাতার মেয়রকে বলেন, যদি কোনও সমস্যা না হয়, তাহলে ভালো হবে। কিন্তু যদি কোনওরকম অভিযোগ এই এলাকা থেকে আসে, তাহলে ভালো হবে না বলেও রীতিমতো কড়া ভাষায় সতর্ক করে যান পর্যবেক্ষক। গতকাল গভীর রাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর তাঁর বাড়িতে আসা নিয়ে ফিরহাদ বলেন, "নকশাল আমলে যেভাবে রাতের অন্ধকারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি হত, একই ধরনের ছবি দেখা যাচ্ছে। রীতিমতো হুমকি দেওয়া হচ্ছে। যে এলাকায় অশান্তি নেই, সেখানেও ঝামেলা তৈরি করা হচ্ছে।"
Read More
  • Share This:  
  •  Facebook
  •  Twitter
  •  Google+
  •  Stumble
  •  Digg
পুরাতন পোস্টসমূহ হোম

mgid

adgebra

Offer-2

offer-1

Adnow

AD

Popular Posts

Recent Posts

Categories

  • Entertainment
  • India
  • International
  • kolkata
  • Sports

Pages

  • Home

Text Widget

Sample Text

Copyright © Kolkata News.Online Bengali News Portal. বাংলায় খবর। বাঙালির খবর। 24 X 7 | Powered by Blogger
Design by | Blogger Theme by NewBloggerThemes.com | Distributed By Gooyaabi Templates