আদালতের নির্দেশে কিছুটা স্বস্তি পেলেন অভিভাবকরা। স্কুলের ফি মেটাতে না পারলেও কোনও ছাত্রছাত্রীর ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বন্ধ করা চলবে না। বেসরকারি স্কুলগুলিকে এমন নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ আজ এই নির্দেশ দিল বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে। বকেয়া ফি মিটিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে দু-টো ভাগে ভাগ করে অভিভাবকদের টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল আদালত।
শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১
চাকরিতে পদোন্নতিতে সংরক্ষণকে বাড়তি গুরুত্ব নয়; জানালেন ফিরহাদ
কলকাতা পৌরনিগমের কর্মীদের পদোন্নতিতে আসতে চলেছে বড়সড় পরিবর্তন। আর পদোন্নতিতে সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিতে নারাজ পৌর প্রশাসন। পদোন্নতি হবে যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করেই। শুক্রবার পৌরনিগমের প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম জানান, পৌরনিগমের কর্মীরা যে কোনও সম্প্রদায় বা যে কোনও জাতির মানুষ হতে পারেন।
ফিরহাদ হাকিমের সাফ কথা, এ রকম হবে না যে আজ আপনি কাজে যোগদান করলেন এবং আগামিকাল আপনার উপরের পদটি খালি থাকায় আপনি নির্দিষ্ট একটি জাতির মানুষ বলে পদোন্নতি পেয়ে যাবেন। আপনার নিচে এমন কেউ বসে রইলেন যিনি কাজটা জানেন অথচ তিনি প্রমোশনটা পেলেন পেলেন না। কাজ জানার পর অভিজ্ঞতার নিরিখে প্রমোশন। সেই জন্য প্রত্যেকটি স্টেজে ন্যূনতম তিন বছর কাজ করতেই হবে। তারপর তিনি পরবর্তী প্রমোশন পাবেন।
শুক্রবার, ১ অক্টোবর, ২০২১
এবার বিজেপি ছাড়তে পারেন বিধায়ক হিরণ!
বিধানসভা ভোটের ঠিক মুখে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। এর পরে ভোটযুদ্ধ জিতে বিধায়কও হয়েছিলেন অভিনেতা হিরণ। কিন্তু তারপর থেকেই দূরত্ব তৈরি হয়েছে দিলীপ ঘোষের সঙ্গে। বর্তমানে বিধায়ককে দেখা যাচ্ছে না দলের ডাকা কোনও কর্মসূচিতে। আর এতেই শুরু হয়েছে কানাঘুষো। শোনা যাচ্ছে, এবার বিজেপি ছাড়তে পারেন হিরণ।
দীর্ঘদিন তৃণমূলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। যুব তৃণমূলের সহ-সভাপতি পদে ছিলেন তিনি। ভোটের আগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন হিরণ। জানিয়েছিলেন, দলে সম্মান পাচ্ছেন না।
এবারও পুজো মণ্ডপে বহাল 'নো এন্ট্রি'!
পুজোর সময় এবারও মণ্ডপে থাকছে 'নো এন্ট্রি', রাজ্যের আবেদন মেনে জানিয়ে দিল হাইকোর্ট। বহাল থাকছে গত বছর ১৯ ও ২১ অক্টোবর জারি হওয়া নির্দেশ। নির্দেশ দেয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। রাজ্যের তরফে জানানো হয় নির্দেশ জারি থাকলে আপত্তি নেই।
তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা এখনও উড়িয়ে দেননি চিকিৎসকরা। ফলে করোনাবিধি মেনে যাতে এবারও দুর্গাপুজো হয়, সেই জন্য কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের থেকে পরামর্শ চায় কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার আদালতে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, এবারের পুজো মণ্ডপে 'নো এন্ট্রি' বহাল থাকছে। ২০২০-তে কলকাতা হাইকোর্ট যে নির্দেশিকা দিয়েছিল তা মেনেই পুজো হবে। সমস্ত কোভিডবিধি মেনেই পুজো হবে। কেন্দ্র আগেই বলেছে, উৎসব হোক। তবে নিয়ম মেনে। আদালতে রাজ্যের দাবি সেটাই হবে।
ফের বাড়ল করোনা বিধিনিষেধ; খুলছে না স্কুল-কলেজ; ঠাকুর দেখতে উঠল নাইট কার্ফু
রাজ্যে ফের বাড়ল বিধিনিষেধের মেয়াদ। আগামিকাল, ১ অক্টোবর থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত রাজ্যে জারি থাকবে করোনা বিধিনিষেধ। তবে পুজোর কথা মাথায় রেখে ১০ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে এই নিষেধাজ্ঞা। উৎসবের ওই দিনগুলিতে থাকবে না নাইট কারফিউ। মূলত পুজো উদযাপনে যাতে সমস্যা না হয়, সেই কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। ২১ অক্টোবর থেকে ফের চালু হবে নাইট কারফিউ।
এদিনের বিজ্ঞপ্তিতেও লোকাল ট্রেন চালানো নিয়ে কোনও উল্লেখ নেই। তাই এটা ধরে নিতেই হবে যে, পুজোর সময় যথারীতি লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি পুজোর পরে স্কুল খোলার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
কয়লাকাণ্ডে সশরীরে হাজিরা দিতেই হবে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে: আদালত
কয়লাকাণ্ডে সশরীরে হাজিরা দিতেই হবে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। জানাল পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। হাজিরাতে ছাড় চেয়েছিলেন রুজিরা, তাতে অনুমোদন দিল না আদালত। ১২ অক্টোবর সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আজ ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে হাজিরা দেন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোভিড-আবহে ছোট বাচ্চাদের ছেড়ে আসতে পারবেন না দিল্লিতে, তাই ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে হাজিরা, আদালতে জানান রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। জামিনযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির দাবি জানিয়েছেন ইডি-র আইনজীবী।
কয়লাকাণ্ডে সবার প্রথম সেপ্টেম্বর মাসেই সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই ডাকে অভিষেক সাড়া দেন। তদন্তকারী সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখিও হন।
রুজিরার এই আমন্ত্রণে সাড়া দেয়নি আর্থিক তছরূপের তদন্ত করা এই কেন্দ্রীয় সংস্থা। জানা যায়, অভিষেককে আরও কয়েকবার তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সাড়া দেননি। এই মর্মে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে নিম্ন আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল ইডি। চিফ মেট্রোপলিটান আদালতের বিচারক রুজিরাকে সমন পাঠান। একাধিক তলব সত্ত্বেও রুজিরা হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছেন, ইডি-র এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই এই সমন পাঠানো হয়।
দিল্লি হাইকোর্টে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ইডি আধিকারিকরা চাইলে তাঁকে কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। প্রয়োজনে গ্রেফতারও করতে পারেন। কিন্তু যেটাই করা হয়, সেটা যেন কলকাতাতেই হয়। দিল্লি তলব থেকে যাতে রেহাই মেলে, তার জন্য আবেদন করেন রুজিরা। আইন মেনে কলকাতাতেই তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করুক ইডি। এই আবেদন জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের অভিষেক-রুজিরা।
কংগ্রেসে নির্বাচিত সভাপতিই নেই, সিদ্ধান্ত কে নেন, জানি না; বিস্ফোরক কপিল সিবাল
একের পর এক নেতা দল ছাড়ছেন, পঞ্জাবে সিধুকে নিয়ে নাকানিচোবানি খেতে হচ্ছে কংগ্রেস। এই অবস্থায় নাম না করে গান্ধী পরিবারকে আক্রমণ করলেন বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম নেতা কপিল সিব্বল। তাঁর কথায়,''দলে কোনও স্থায়ী সভাপতি নেই। কে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন সেটাই তো বুঝে উঠতে পারছি না।" রাহুল গান্ধী কংগ্রেস সভাপতির পদ ছাড়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রীর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সনিয়া। তবে সনিয়া অসুস্থ থাকায় প্রিয়াঙ্কা ও রাহুল মিলেই সমস্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে খবর।
প্রসঙ্গত কপিল সিবাল সহ ২৩ জন শীর্ষ নেতা গত বছর আগস্টে সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লেখেন।
আজাদ বললেন, 'কেন সকলে কংগ্রেস ছাড়ছেন? হয়তো আমাদের দেখা উচিত, যে এটা আমাদের দোষ কিনা! এখনই কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডাকা উচিত, যাতে কথাবার্তা শুরু করা যায়। আমরা দলের নীতি বিসর্জন দিয়ে যেখানে সেখানে যাব না। মজার বিষয় হল, যাঁর ওঁদের (নেতৃত্বের) কাছের, তাঁরাই ছেড়ে চলে গিয়েছে। আর যাঁদের ওঁরা কাছের ভাবেন না, তাঁরাই রয়ে গিয়েছেন।'






