করোনা আবহেই নতুন করে বেশ কিছু জায়গাতে শুরু হতে চলেছে নিয়োগ। Directorate General of Performance Management বেশ কিছু পদের জন্যে নিয়োগ করতে চলছে। স্টেনোগ্রাফ , হবলদার সহ একাধিক পদের জন্যে এই নিয়োগ হতে চলেছে। এই পদগুলির জন্যে ইতিমধ্যে নিয়োগ শুরু হয়েছে। গত ১১ অক্টোবর থেকে এই নিয়োগ চলছে। আগামী ৫ নভেম্বর পর্যন্ত এই পদের জন্যে আবেদন করা যাবে। অনলাইন ওয়েবসাইট dgpm.gov.in এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। স্পোটস কোটাতে বেশ কিছু নিয়োগ হবে। ইতিমধ্যে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে এই সংক্রান্ত কর্মীদের নিয়োগ করা হবে। টেক্স অ্যাসিস্ট্যান্ট পদের জন্যে ১০ জনকে নিয়োগ করা হবে। হবলদার পদের জন্যে ১০টি শূন্যপদ রয়েছে।
শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২১
বৈশাখীর সিঁথিতে সিঁদুর দিলেন শোভন!
বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে মন দিয়েছিলেন অনেক আগেই। এবার দেবী দুর্গাকে সাক্ষী রেখে তাঁর সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে সেই সম্পর্ককে কার্যত স্বীকৃতি দিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। বিজয়ায় এভাবেই বৈশাখীকে ভালবাসায় ভরিয়ে দিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র। পুজো শুরুর আগে থেকেই এবার সংবাদের শিরোনামে ছিলেন শোভন ও বৈশাখী। তাঁদের একাধিক ভিডিও নিয়ে চর্চা ছিল তুঙ্গে। আর উমার বিদায়ের দিন যেন তাঁদের সম্পর্ক পূর্ণতা পেল। শুক্রবার বিরাটিতে এক পারিবারিক দুর্গাপুজোয় শামিল হয়েছিলেন শোভন ও বৈশাখী।
শোভন-বৈশাখীর ভাইরাল ছবি নিয়ে এবার মুখ খুললে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের শ্বশুর দুলাল দাস। বলেন, 'সিঁথিতে সিঁদুর পরালেই কি বিয়ে হয়ে গেল?'
উল্লেখ্য, এদিন নীল পাঞ্জাবি পরেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং নীল শাড়িতে নিজেকে সাজিয়েছিলেন বৈশাখী। ভাইরাল ছবিতে দেখা যায় বৈশাখীর গালে সিঁদুর লাগিয়ে দিচ্ছেন শোভন। অপর ছবিতে দেখা যাচ্ছে অল্প মাথা নুঁইয়ে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। হাতে একটি আরতির থালা। তাঁর সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিচ্ছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।
বড় ঘোষণা বোর্ডের; দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় একাধিক বদল
করোনা পরিস্থিতিতে পঠনপাঠন ছন্দে ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিতে চলেছে সিবিএসই। ২০২২ সালে ক্লাস টেন ও ক্লাস টুয়েলভের বোর্ড পরীক্ষা হবে দুই পর্যায়ে। সম্ভবত আঠেরোই অক্টোবরের মধ্যে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করবে বোর্ড। বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বোর্ডের ওয়েবসাইটে। স্কুলগুলিকে ইতিমধ্যেই পরীক্ষার্থীর তালিকা দিতে বলেছে বোর্ড। তবে সেই তালিকায় সংশোধনের কোনও সুযোগ থাকছে না।
প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষা হবে অনলাইনে। স্কুলগুলিই পরীক্ষা নেবে। সিবিএসই প্রশ্নপত্র স্কুলগুলিকে দিয়ে দেবে। বিষয়ভিত্তিক এককথায় উত্তরের প্রশ্ন হবে। প্রতি পরীক্ষার দেড় ঘণ্টা ধরে হবে। ফেব্রুয়ারি ও মার্চে হবে দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা। সেখানে বিস্তারিত উত্তর দিতে হবে। প্র্যাকটিক্যালের নম্বরও সেই পরীক্ষায় যোগ হবে। প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষায় সিলেবাসের অর্ধেক থেকে প্রশ্ন আসবে।
দ্বিতীয় পর্যায়ে বাকি অর্ধেক থেকে প্রশ্ন আসবে। কোনওকারণে দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়লে প্রথম দফায় পরীক্ষার মূল্যায়নে জোর দেওয়া হবে। তেমনই নভেম্বরেও দেশজুড়ে স্কুল খোলা না গেলে, দ্বিতীয় দফার মূল্যায়নে জোর দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় একাধিক বদলও আসতে পারে। দায়িত্ব পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নব নিযুক্ত সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য তেমনটাই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন। তিনি মনে করেন, একটি পরীক্ষার মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন না করে, পর্যায়ক্রমিক পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। তাতে অনেক বেশি মেধার ভিত্তিতে একজন পরীক্ষার্থীর মূল্যায়ন সম্ভব। এর আগে অবশ্য এই সিদ্ধান্তের পথে হেঁটেছে সিবিএসই, আইসিএসসি।
বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১
এবার সস্তা হবে রান্নার তেল!
দামে লাগাম পরানোর জন্য ফের এক বার ভোজ্য তেলে আমদানি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিল নরেন্দ্র মোদীর সরকার। চলমান উৎসবের মরশুমে আগুন লেগেছে রান্নার তেলে। স্বভাবতই দাম নিয়ন্ত্রণ এবং পাশাপাশি জোগান বাড়ানোর লক্ষ্যে ভোজ্য তেলে শুল্ক কমাল কেন্দ্রের সরকার।
জানা গিয়েছে, অপরিশোধিত পাম তেলের প্রাথমিক আমদানি কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২.৫ শতাংশ করা হয়েছে, অপরিশোধিত সয়াতেল এবং অপরিশোধিত সূর্যমুখী তেলের ক্ষেত্রে এই কর ৭.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২.৫ শতাংশ করা হয়েছে। পাম অয়েল, সয়াওয়েল এবং সূর্যমুখী তেলের পরিশোধিত গ্রেডের উপর প্রাথমিক আমদানি কর ৩৭.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩২.৫ শতাংশ করা হয়েছে।
বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১
বিশ্ব ক্রিকেটকে নিয়ন্ত্রণ করছে সৌরভের বোর্ড; ইমরানের মন্তব্যে বিতর্ক
ভারতের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বিশ্ব ক্রিকেটে ধনীতম হওয়ার সুযোগ নিয়ে দাদাগিরি চালাচ্ছে ভারতীয় বোর্ড। নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের পাকিস্তান সফর বাতিল প্রসঙ্গে এমনই কড়া মন্তব্য করে বসলেন ইমরান।
এক সাক্ষাৎকারে ইমরান খান বলেন, "ইংল্যান্ড কখনওই ভারত সফর বাতিল করত না। কারণ তাঁরা জানে ভারতের সঙ্গে খেললে অনেক বেশি অর্থ পাওয়া যাবে। আর এখন ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ক্রিকেট বোর্ডগুলির জন্যও টাকা অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ। আর বিসিসিআই ধনীতম বোর্ড হওয়ায় বিশ্ব ক্রিকেটকে কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছে।"
এই প্রসঙ্গে এর আগে পিসিবি চেয়ারম্যান রামিজ রাজাও ভারতের বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও সমালোচনা করেন। সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনেট স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে রামিজ রাজা বলেন, 'আমাদের যে ভয়ের বিষয়টা রয়েছে, সেটা আপনাদের জানাই। আমাদের ৫০ শতাংশ অর্থের জোগান দেয় আইসিসি। আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজন করে। যে টাকা লাভ হয়, সেটাই তারা সদস্য দেশগুলির মধ্যে ভাগ করে দেয়। আর আইসিসির ৯০ শতাংশ অর্থ আসে ভারতের বাজার থেকে। সেদিক থেকে দেখলে ভারতের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলি পাকিস্তান ক্রিকেট চালাচ্ছে।'
তিনি আরও বলেন, 'কাল যদি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঠিক করেন পাকিস্তানকে কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হবে না, তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ধসেও পড়তে পারে।' রামিজ রাজা এও মেনে নেন যে, আইসিসিকে অর্থ জোগানোর ক্ষেত্রে পাকিস্তানের কোনও ভূমিকা নেই। তাই আইসিসিতে পাকিস্তানের কোনও গুরুত্বও নেই।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ভরতি হাসপাতালে!
হাসপাতাল ভরতি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। দিল্লির এইমস হাসপাতালে ভরতি আছেন বলে জানা গিয়েছে। এইমসের চিকিৎসক নীতীশ নায়েকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর। বছর খানেক আগেও তাঁকে এইমসে ভরতি করা হয়েছিল।
মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১
ক্রমশ চাপ বাড়ছে; কর্মীদের বেতন দেওয়া নিয়েও চিন্তা অর্থ দফতরের
কর্মীদের জন্য খারাপ খবর। কলকাতা পুরসভার কোষাগারের অবস্থা এমনই করুণ যে আগামী মাসে কর্মীদের বেতন কী ভাবে হবে, তা নিয়েই চিন্তায় পুরসভার অর্থ দফতরের কর্তারা।
অর্থ দফতর সূত্রের খবর, গত মাসের বেতন দিতেই নাকাল হয়েছিল পুরসভা কর্তৃপক্ষ।
পুরসভার অর্থ দফতরের আধিকারিকেরা জানাচ্ছেন, ব্যাঙ্কে পুরসভার টাকা প্রায় নেই বললেই চলে। অতিমারির জেরে গত দেড় বছর ধরে পুরসভার বিভিন্ন বিভাগে রাজস্ব সংগ্রহে ভাটা পড়েছে। আয় বাড়াতে গত বছরের অক্টোবরে ওয়েভারের (সুদ ও জরিমানা ছাড়া সম্পত্তিকর আদায়) সুযোগ দিলেও আদায় একেবারেই আশাব্যঞ্জক নয়। সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচশো কোটি টাকা আদায় হলেও এখনও প্রায় দু-হাজার কোটি টাকার বেশি সম্পত্তিকর বকেয়া পড়ে রয়েছে।
পুরসভা সূত্রের খবর, পুরসভার স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মীদের বেতন এবং অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন দিতেই মাসে প্রয়োজন হয় ১৩৩ কোটি টাকা। প্রায় আঠারো হাজার স্থায়ী কর্মীর জন্য মাসে ৭৮ কোটি টাকা, ৩৫ হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর জন্য ৪০ কোটি টাকা এবং প্রায় কুড়ি হাজার অস্থায়ী কর্মীর বেতনের জন্য লাগে ১৫ কোটি টাকা।