অবশেষে ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হওয়ার জন্য আবেদন করলেন রাহুল দ্রাবিড়। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বিকেলে রাহুল ওই পদের জন্য তাঁর আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন।
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২১
বিপুল কর্মসংস্থানের হদিশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী!
তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বার বার। আর সেই কারণে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরই কর্মসংস্থান বাড়ানোর দিকে জোর দিয়েছে তৃণমূল সরকার। মঙ্গলবার কাশিয়াংয়ের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে কর্মসংস্থান বাড়ানোর কথাই বললেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হদিশ দিলেন দার্জিলিংয়ে থাকা 'সোনার খনি'র। কীভাবে তা কাজে লাগাতে হবে, এদিনের বৈঠকেই তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন মুখ্যমমন্ত্রী।
মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আমরা কর্মসংস্থান নিয়ে আলোচনা করি। কিন্তু আমাদের সামনে থাকা জিনিসগুলোকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে আমরা ওয়াকিবহল নই। দার্জিলিংয়ে পাহাড়ের গায়ে যে গাছ থাকে, সেগুলির পাতা যদি রপ্তানি করা যায়, তা অত্যন্ত লাভজনক।
এর পাশাপাশি এদিন ঝরনার জল ব্যবহার করে পাহাড়ে ওয়াটার বটলিং প্ল্যান্টের তৈরির পরামর্শও দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলা ডেয়ারি থেকে দুগ্ধজাত দ্রব্য বিক্রির কথা বলেন। যার ফলে বাড়বে কাজের সুযোগ। আশ্বাস দেন সকলের পাশে থাকার। পাহাড়ি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্য করে নেত্রী বলেন, "আপনারা বিনিয়োগ করুন, আমরা সহযোগিতা করব।" এছাড়া পাহাড়ের পর্যটন শিল্পে জোর দেওয়ার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাহাড়ের ছেলেমেয়েদের স্কিল ডেভলপমেন্টে জোর দেওয়ার কথা বলেন। অর্থাৎ বলাই যায়, কর্মসংস্থান হোক কিংবা উন্নয়ন, পাহাড় নিয়ে বিশেষভাবে ভাবছে রাজ্য সরকার।
দুয়ারে রেশন বিতর্ক; অবশেষে স্বস্তি রাজ্যের; কলকাতা হাই কোর্টে ফের ধাক্কা ডিলারদের
ফের ধাক্কা খেল রেশন ডিলাররা। গতকালের পর আজও আদালতে আবেদন খারিজ হয়ে গেল রেশন ডিলারদের একাংশের আবেদন। দুয়ারের রেশন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের অবসরকালীন বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন রেশন ডিলাররা। আজ তাঁদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ।
চলতি মাসে রাজ্যের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, দুয়ারে রেশন রাজ্যের পাইলট প্রজেক্ট।
এদিন বিচারপতি সরাফ প্রশ্ন তোলেন, "রাজ্য কি কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে?" সেরকম কোনও নিদর্শন দেখাতে পারেননি রেশন ডিলাররা। এর পরই বিচারপতি আরও বলেন, "রাজ্য যখন কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি, তাহলে আদালত আগাম পদক্ষেপ করবে? রাজ্য শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করতেই পারে। কী ধরনের শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তা দেখে তবেই আদালত ব্যবস্থা নেবে।" বিচারপতির এই অবস্থানে আরও স্বস্তি পেল রাজ্য সরকার।
স্কুল খুলছে বঙ্গে; এই শর্তগুলি মানতে হবে...
শিলিগুড়িতে সোমবার প্রশাসনিক বৈঠক যোগ দিয়ে সরকারি-বেসরকারি স্কুল ও কলেজ খোলার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বৈঠক শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই মুখ্যসচিবকে বলেন, পুজোর মরসুম শেষ হতেই, অর্থাৎ ছট পুজো ও জগদ্ধাত্রী পুজোর পর স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হয়। তার আগে প্রস্তুতির জন্য সময় দেওয়ার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, "স্কুল-কলেজ খোলার আগে প্রস্তুতির সময় দিতে হবে। দীর্ঘ দিন স্কুল বন্ধ ছিল। তাই কিছুটা সময় দিতে হবে স্কুলগুলিকে যাতে স্কুল কর্তৃপক্ষ পরিকাঠামোগত কাজ সেরে ফেলতে পারে। তার পরেই স্কুল শুরু হবে।"
প্রায় ২০ মাস পর খুলছে স্কুল। এর পাশাপাশি কলেজ খুলতেও নির্দেশ। তবে কীভাবে পড়ুয়ারা স্কুলে আসবে, তা নিয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনার খসড়া তৈরি করা হচ্ছে। একসঙ্গে না এনে ধাপে ধাপে পড়ুয়াদের স্কুলে আনা হবে। তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনামা শীঘ্রই জানানো হবে। একইসঙ্গে কোন কোন ক্লাসের পড়ুয়াদের জন্য স্কুল খুলছে সে সম্পর্কে এখনও কোনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি। যদিও সূত্রের খবর, প্রথমে নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ পরে ধাপে ধাপে বাকি ক্লাসের পড়ুয়াদেরও স্কুলে নিয়ে আসা হবে।
স্কুল কী ভাবে খোলা হবে, তা নিয়ে কার্যত এক প্রকার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। জানা গিয়েছে, একই সঙ্গে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত সব ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলে আনতে চাইছে না শিক্ষা দফতর। করোনা পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে এক একটি ক্লাসের ছাত্র ছাত্রীদের জন্য একটি সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি স্কুলে একই সঙ্গে একাধিক ছাত্র-ছাত্রীর জমায়েত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না। একিসাথে একাধিক ক্লাসরুম করা হবে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস করার জন্য। অর্থাৎ সেক্ষেত্রে এক একটি ক্লাসের জন্য ক্লাস রুমের সংখ্যা বাড়ানো হবে। রাজ্য যা ভাবছে তা হল,
ধাপে ধাপে স্কুলে আনা হবে ছাত্র-ছাত্রীদের। অর্থাৎ নবম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের সময় দেওয়া হবে সেই সময়ই একাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস নেওয়া হবে না। অর্থাৎ এক একটি ক্লাসের সময়সীমা একেক রকম থাকবে। তার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষকও থাকবে যাতে পঠন-পাঠনে কোনও সমস্যা না হয়।
এক একটি ক্লাস রুমে কম সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে ক্লাস হবে। যাতে ক্লাসরুম গুলিতে ছাত্র ছাত্রীদের একাধিক জমায়াতে না হয়। সে ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি বেঞ্চে একজন করেই ছাত্র-ছাত্রী বসাতে চাইছে রাজ্য। এক একটি ক্লাসের একাধিক সেকশন থাকে। প্রত্যেকটি সেকশনের ছাত্র-ছাত্রীদের একাধিক ক্লাসরুমে ভাগ করা হবে। যাতে একই সাথে একাধিক ছাত্র-ছাত্রী একটি ক্লাস রুমে বসতে না পারেন।
অভিভাবকদের থেকে সম্মতি নিয়ে আসতে হবে সেই ছাত্র বা ছাত্রী ক্লাস করতে চায়। যে অংশগুলির ওপর নির্ভর করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে সেই অংশগুলি আগে পড়ানো হবে। সেক্ষেত্রে তার জন্য নির্দিষ্ট করে নির্দেশিকা জারি করতে পারে দুই বোর্ড।
ইতিমধ্যেই ক্লাসরুম গুলি মেরামত-সহ স্যানিটাইজেশন এর কাজ শেষ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পড়ুয়ারা করনা বিধি মানছে না কি সেই বিষয়েও নজরদারির জন্য প্রত্যেকটি স্কুলে দায়িত্ব দেওয়া হবে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। সব মিলিয়ে আপাত পাবে এই নিয়মে স্কুল চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যদিও এই প্রস্তাবে চূড়ান্ত সীলমোহর দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর চলতি সপ্তাহের শেষে মুখ্য সচিব এই বিষয় নিয়ে স্কুল শিক্ষা দফতরের সঙ্গে একটি বৈঠক করতে পারেন।
ঘূর্ণাবর্তের ভ্রুকুটি; দক্ষিণবঙ্গে ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস
এবছর বিদায় নিল দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু। নির্দিষ্ট সময়ের থেকেও অনেক বেশি দিন গোটা দেশে এবছর সক্রিয় ছিল মৌসুমী বায়ু। এর ফলে স্বাভাবিকের থেকে তুলনামূলক অনেক বেশি বৃষ্টি হয়েছে দেশজুড়ে।
অনেকটা সুস্থ আছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়!
চিকিৎসায় সাড়া দিয়েছেন। অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। মঙ্গলবার হাসপাতালে প্রাতরাশ করেছেন তিনি, এমনটাই জানাল এসএসকেএম। জানা গিয়েছে, খুলে দেওয়া হয়েছে বাইপ্যাপ। তবে এখনও চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন মন্ত্রী।
সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিসের পাশাপাশি সিওপিডির সমস্যা রয়েছে। রবিবার হঠাৎই নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হয় সুব্রতবাবুর।
পাশাপাশি সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণে একটি মেডিক্যাল বোর্ডও তৈরি করা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। সেই বোর্ডের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। ছয় সদস্যর মেডিক্যাল বোর্ডে কার্ডিওলজির বিভাগীয় প্রধান সরোজ মণ্ডল রয়েছেন। সঙ্গে সিসিইউ স্পেশালিস্ট, মেডিসিন, রেসপিরেটরি মেডিসিন, এন্ডোক্রিনোলজি, নেফ্রোলজির বিশেষজ্ঞ নিয়ে বোর্ড। সকলেই সকালে দেখেছেন। সেই অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু হয়েছে। বিকেলেও তাঁরা প্রত্যেকেই রিভিউ করেন। সেই মতোই ওষুধ ও অন্যান্য চিকিৎসা চলছে।
কলকাতার শিল্পপতি সঞ্জীব মালিক আইপিএল দলের!
ফের আইপিএল-এর দল কিনলেন কলকাতার শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। কলকাতার এই বাসিন্দার সোমবার ৭,০৯০ কোটি টাকা দাম দিয়ে কিনে নিল আইপিএল-এর একটি দল। লখনউ থেকে খেলবে তারা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এক বিবৃতিতে এই খবর জানান হয়েছে।
খেলাধুলোর প্রতি বরাবরই আকর্ষণ রয়েছে সঞ্জীবের। আইপিএল শুরু হওয়ার সময়ই কলকাতার দল (কেকেআর) কিনতে চেয়েছিলেন তিনি।