হৃদরোগে আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রীর ভাই গণেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। ভরতি SSKM হাসপাতালে। রবিবার বিকেলে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
হৃদরোগে আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রীর ভাই গণেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। ভরতি SSKM হাসপাতালে। রবিবার বিকেলে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে যান তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের জেরে চাকরি হারালেন এক শিক্ষক। মুর্শিদাবাদের এক শিক্ষকের চাকরি বাতিল করল পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন। সাম্প্রতিক সময়ে এমন পদক্ষেপ অত্যন্ত বিরল। SSC-এর নবম-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন প্রশান্ত দাস নামে এক ব্যক্তি। দাবি করেছিলেন, মেধাতালিকায় উপরের দিকে নাম থাকা সত্ত্বেও তিনি চাকরি পাননি। কিন্তু নীলমণি বর্মন নামে এক ব্যক্তির নাম মেধাতালিকায় নিচের দিকে থাকলেও তিনি চাকরি পেয়েছেন। এই মর্মে প্রশান্ত দাসের হয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। অক্টোবরে দায়ের হয়েছিল সেই মামলা।
বহু বিতর্কের পরে উচ্চ প্রাথমিকের অভিযোগকারী শিক্ষক পদপ্রার্থীদের চূড়ান্ত শুনানির তালিকাও শনিবার প্রকাশ করে দিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। ১৩ থেকে ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে শুনানি হবে ২,২৭৫ জনের। এর ফলে আশা করা হচ্ছে, এরপরেই শুরু হতে পারে নিয়োগের পরবর্তী ধাপ।
চলতি বছর ২০ জুলাই হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, প্রকাশিত মেধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত প্রার্থীদের ইন্টারভিউ ফের নিতে হবে। আর যাঁরা ইন্টারভিউয়ে ডাক পাননি, তাঁরা অভিযোগ জানালে তার শুনানি করতে হবে। ১০ আগস্ট সেই শুনানি শুরু হয়। ২৩ ডিসেম্বর তা শেষ হতে চলেছে। তবে, এই তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরে মামলাকারী বেশ কিছু প্রার্থী অভিযোগ তুলছেন, তাঁরা এখনও ডাক পাননি এসএসসির তরফে। যদিও, আদালতের বিষয়গুলি পৃথকভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে এসএসসি সূত্রে খবর।
২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সব মিলিয়ে শুনানির সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ১৮,৩৬৪। আর ১৪,৩৩৯টি শূন্যপদের জন্য ১৫,৪৩৬টি নামের তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। তবে, অভিযোগকারীদের শুনানি না হওয়ায় ওই প্রার্থীদের ইন্টারভিউ হয়ে গেলেও নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি। বহু বছর ধরে ঝুলে রয়েছে উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়াটি। ফলে উচ্চ প্রাথমিক স্তরে স্কুলগুলিতে শিক্ষকের সঙ্কট রয়েছে।
আইনি জালে এখনও আটকে আছে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। তাই বহু স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যা কম। শিক্ষকের সঙ্কট মেটাতে রাজ্য সরকার ফের 'র্যাশনালাইজেশন' প্রক্রিয়া শুরু করেছে। অর্থাৎ, যে সব স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৩০০ পর্যন্ত রয়েছে, সেখানকার শিক্ষক বা অতিরিক্ত শিক্ষকদের অন্যত্র বদলি করা শুরু হয়েছে। অতি সম্প্রতি খান চল্লিশেক এমন বদলি হয়েছে বলে দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। তা নিয়েও শুরু হয়েছে অসন্তোষ।
কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে আগেই। এই নির্বাচনে নিরাপত্তার জন্য কলকাতা পুলিশের উপরেই আস্থা রাখছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন একি সাথে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে রাজ্য পুলিশও। বিরোধীদের দাবি এবং রাজ্যপালের পরামর্শ সত্ত্বেও পুর নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার না করারই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। পুর নির্বাচনে নিরাপত্তার জন্য সিভিক ভলান্টিয়ারদেরও ব্যবহার করা হবে না।
এবার দেশে কোথাও আর স্থায়ী চাকরি বলে কিছু থাকবে না। সরকারি বা বেসরকারি কোনও ক্ষেত্রেই স্থায়ী চাকরি থাকবে না। এবার শ্রম বিধি সম্পর্কিত বিল এনে তারই পাকাপাকি ব্যবস্থা করতে চাইছে কেন্দ্রের সরকার।
অতিসক্রিয়তার জের জটিলতা বাড়ল। নির্দেশিকা প্রকাশের আগেই মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা নিয়েছে রাজ্যের বহু স্কুল। এবার সেসব স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের উপর বাড়তি চাপ। ফের পরীক্ষায় বসতে হবে তাদের। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) অধীন স্কুলগুলিতে ১৩ থেকে ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে টেস্ট পরীক্ষা হওয়ার কথা। এমনই নির্দেশ স্কুলশিক্ষা দফতরের। প্রত্যেকটি পরীক্ষা শেষে প্রশ্নপত্র মেল করে পাঠিয়ে দিতে হবে পর্ষদে। কিন্তু গত ১৬ নভেম্বর স্কুল খোলার পরই বহু স্কুল টেস্ট নেওয়া শুরু করে দেয়।
যে প্রতিষ্ঠানগুলিতে মাধ্যমিকের টেস্ট সংক্রান্ত বোর্ডের নিয়ম ভাঙা হয়েছে, তাদের কাজে সন্তুষ্ট নয় পর্ষদ। এই অবস্থায় কোনও স্কুল বোর্ডের সময়সীমা মেনে টেস্ট না নেওয়ার আবেদন করলে নমনীয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, "পরীক্ষা নিয়ে নেওয়া স্কুলগুলি আগে জানাক, তারা নিয়ম ভেঙে কেন পরীক্ষা নিয়েছে। ফের পরীক্ষা নিতে হবে কি না, তা আবেদনের ভিত্তিতে আমরা খতিয়ে দেখে জানাব।"