পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদের রোগ একমাত্র সেদেশের জনগণই সারাতে পারে। বিশ্ব অর্থনীতিতে এখন চার নম্বরে ভারত। আপনারা কোথায়? সোমবার গুজরাটের ভুজের জনসভা থেকে ঠিক এভাবেই পাকিস্তানকে খোঁচা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, "পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের রোগ থেকে একমাত্র সেদেশের নাগরিকই মুক্ত করতে পারে। তাদের এগিয়ে আসা উচিত। তরুণদের সামনে আসা উচিত। আপনারা শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করুন।" এর আগে ঠিক একই ভাষায় পাকিস্তানকে কটাক্ষ করেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বলেন, "পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের ব্যবসা করে। সেদেশের মাটি থেকেই সন্ত্রাসী সংগঠনগুলি কার্যক্রম চালায়। এটি জলের মতো পরিষ্কার।" এদিন মোদির গলাতেও ঠিক একই সুর শোনা গেল।
সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫
গ্রুপ-সি ও ডি চাকরিহারাদের ভাতা দেওয়ার বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা!
চাকরিহারা গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি কর্মচারীদের ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হল মামলা। সোমবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে এই মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী ১০ জুন এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে আইনজীবী সূত্রে খবর।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি হারানো গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি কর্মীদের জন্য ২৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা দেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছিল রাজ্য। সম্প্রতি এক গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য জানিয়েছে, ওয়েস্ট বেঙ্গল লাইভলিহুড অ্যান্ড সোশাল সিকিউরিটি ইন্টেরিম স্কিম, ২০২৫ প্রকল্পের আওতায় এই ভাতা দেওয়া হবে। এই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হয়েছে মামলা।
'বাংলাদেশে অস্থিরতার নেপথ্যে ভারত'; দিল্লিকে নিশানা ইউনুসের
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের নেপথ্যে ভারত! বাংলাদেশে গদিচ্যুত হওয়ার আশঙ্কায় এবার ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তুললেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। রবিবার বাংলাদেশে ভারত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে ইউনুস। সেখানে তিনি জানালেন, 'ভারতের আধিপত্য শেষ হওয়ায় রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে ভারত।' এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে একজোট হওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি। রবিবারের বৈঠক শেষে ইউনুসের এই বয়ান সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরলেন নাগরিক ঐক্য সংগঠনের প্রধান মাহমুদুর রহমান মান্নান। প্রধান উপদ্বেষ্টা মহম্মদ ইউনুসের স্বেচ্ছাচারিতায় সংকটের কালো মেঘ বাংলাদেশে। নির্বাচন এড়িয়ে একনায়কের মতো চেয়ার দখল করে রাখা ইউনুসের পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে বিএনপি-সহ বাংলাদেশের বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল। প্রবল চাপের মুখে উপদ্বেষ্টা প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার বার্তা দিয়েও পিছু হঠেছেন ইউনুস। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে এই ইস্যুতে দফায় দফায় বৈঠক করেন তিনি। সেখানেই ভারতের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে ইউনুস বলেন, "শেখ হাসিনার পতন মেনে নিতে পারছে না দিল্লি। ভারতের আধিপত্যবাদ শেষ হওয়ায় নতুন করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংকট তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। ওরা বাংলাদেশকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। এই ষড়যন্ত্রের যোগ্য জবাব দিতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দিল্লিকে বুঝিয়ে দিতে হবে বাংলাদেশ আর কখনও ভারতের গোলামি করবে না।"
বাংলার বাড়ি নিয়ে বড় নির্দেশ নবান্নের!
পঞ্চায়েত দফতরের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার বাড়ি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ মুখ্য সচিবের। শুধুমাত্র ডেটা তৈরি করলেই হবে না। টাকা পেয়েও যাঁরা বাড়ি তৈরি করছেন না সেই সব উপভোক্তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে উৎসাহ দিতে হবে এই প্রকল্পে। তাঁদের চিহ্নিতও করতে হবে। এমনটাই জানালেন মুখ্য সচিব।
নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্য সচিবের নির্দেশ, 'সিমেন্ট, ইট, বালির সমস্যা হলে সেই সমস্যা দ্রুত মেটাতে হবে। ব্লক স্তরে তার জন্য পঞ্চায়েত দফতরকে আরও উদ্যোগী হতে হবে। বাংলার বাড়ি গ্রামীণের কাজের গতি বাড়াতে হবে।'
ইতিমধ্যেই বাংলার বাড়ির প্রথম কিস্তির টাকা রাজ্যব্যাপী খরচ করেছেন ৭২. ১০ শতাংশ উপভোক্তা। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও একাধিক জেলায় প্রথম কিস্তির টাকাতেই ৩০ শতাংশরও বেশি উপভোক্তাদের নিয়মমাফিক কাজ শেষ হয়নি। তার মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, জেলাতেই প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ উপভোক্তা প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পরেও ভিত থেকে লিনটন পর্যন্ত কাজ শেষ করেনি বাংলার বাড়ির। পঞ্চায়েত দফতরের রিপোর্টে এমনই তথ্যই সামনে এসেছে।
ফের বাড়ছে করোনার চোখরাঙানি; বঙ্গে মোট কোভিড রোগীর সংখ্যা ১১
ফের ভারতে চোখ রাঙাতে শুরু করল কোভিড। দেশে অ্যাক্টিভ কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ফের হাজার পেরিয়ে গেল। বেশ কয়েকটি রাজ্যে একদিনে একাধিক কোভিড টেস্ট পজিটিভ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। সবমিলিয়ে, আবারও আতঙ্ক বাড়ছে কোভিড নিয়ে। কেন্দ্রের স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত দেশে অ্যাক্টিভ কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৯ জন। রবিবার একদিনেই দেশজুড়ে ২৫৭ জন নতুন করে কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। বেঙ্গালুরুতে কোভিড আক্রান্ত এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মহারাষ্ট্রেও লাফিয়ে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। একদিনেই সেরাজ্যে ৪৩ জন কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। কোভিড ঘিরে আতঙ্ক বাড়ছে বঙ্গেও। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও বেশ কয়েকজনের শরীরে মিলেছে কোভিড-১৯ ভাইরাস। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নতুন করে ৪ জন করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট কোভিড রোগীর সংখ্যা ১১।
শনিবার, ২৪ মে, ২০২৫
মাত্র ৫৪ বছর বয়সে চলে গেলেন মুকুল দেব!
মুকুল দেবের অকাল প্রয়াণে শোকাচ্ছন্ন বি-টাউন। মাত্র ৫৪ বছর বয়সে অভিনেতার মৃত্যু অবাক করেছে অনুরাগীদের। বহু দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন মুকুল। গত ৭-৮ দিনে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় বলে জানা গিয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। কিন্তু ঠিক কী হয়েছিল তাঁর, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শোনা যাচ্ছে, একাকিত্বে ভুগতেন তিনি। অবসাদ থেকে মুক্তি পেতে মদের আসক্তিও জাঁকিয়ে বসে। এর মধ্যেই মুকুলের শেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ঘিরে রহস্য ঘনাচ্ছে। মা-বাবার মৃত্যুর পরে নিজেকে সব কিছু থেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন মুকুল। একা থাকতেন। কন্যাও সেই ভাবে বাড়িতে থাকতেন না। তাই একাকিত্বে ভুগছিলেন। মদের সঙ্গে গুটখার নেশাও নাকি করতেন। অবসাদের কথাও উঠে আসছে।
দিল্লির এক পঞ্জাবি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মুকুল দেব। ছোটবেলা থেকেই গান, নাচের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি মুকুল দেব ট্রেনিংপ্রাপ্ত পাইলট। ১৯৯৬ সালে মুমকিন ধারাবাহিক থেকে অভিনয়ে কেরিয়ার শুরু করেন মুকুল।বলিউডে তাঁর প্রথম ছবি দস্তক। এই ছবিতে সুস্মিতা সেনের বিপরীতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। হিন্দি ছবির পাশাপাশি বাংলা, পঞ্জাবি, কন্নড়, ইংরেজি ছবিতেও অভিনয় করেছেন মুকুল। তাঁর শেষ ছবি 'অন্ত'। যা মুক্তি পায় ২০২২ সালে। অভিনেতার দাদা রাহুল দেবও বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা।
চাকরিহারাদের পাশে দাঁড়িয়েই কী বললেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য?
শীর্ষ আদালত আগেই রায় দিয়েছে চাকরি বাতিলের। সেই মতো প্রায় ২৬ হাজারের চাকরি চলে গিয়েছে। নতুন করে ফের তাঁদের বসতে হবে পরীক্ষায়। তবে 'যোগ্য' চাকরিহারাদের দাবি, রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে অযোগ্যদের তালিকা দিতে হবে। এমন আবহে আজ শনিবার আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হাজির 'যোগ্য' চাকরিহারাদের একটা অংশ। আর কোনও ভাবে কি বাঁচানো যায় চাকরি? এই প্রশ্নেরই সদুত্তর পেতে হাজির হন তাঁরা।
এদিন চাকরিহারাদের সঙ্গে দেখা করেন বিকাশ। তবে পরিষ্কার জানিয়ে দেন, চাকরিহারাদের চাকরি এ ভাবে ফিরে পাওয়ার আশা নেই। পরীক্ষা দিয়েই মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেতে হবে। তিনি বলেন, "ওদের ভুল বোঝানো হয়েছিল কাজ ফিরে পেতে পারে। আইনত ওদের কাজ ফেরার সম্ভাবনা নেই। এইটাই আমি ওদের স্পষ্ট করে বললাম, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর পুরনো কাজ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ওদের নতুন ভাবে পরীক্ষায় বসতে হবে। তারপরই যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে চাকরি ফিরে পেতে হবে। এটাই বললাম।"
অপরদিকে, বিকাশবাবুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে চাকরিহারারা বলেন, "আমরা সকলের সঙ্গেই এই প্রসঙ্গে কথা বলছি। মুখ্যমন্ত্রীকেও চিঠি দিয়ে বলেছি চাকরি বাঁচান। আমাদের চাকরি বাঁচানো যায় কী? জানতে চেয়েছিলাম। তবে রাজ্য সরকার এটা সকলের সামনে আনুক কারা-কারা এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। এবার এই দাবিতেই আন্দোলন করব।"






