পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির নজরে এ বার রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর স্ত্রী, কন্যা এবং পুত্র। সূত্রের খবর, এই তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫
মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট!
তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। এর পাশাপাশি বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুকুল প্রসঙ্গে, তা-ও খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। মুকুল কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক ছিলেন। তাঁর পদ খারিজ হওয়ায় ওই আসন খালি হয়ে গেল। তবে ওই আসনে এই মুহূর্তে নতুন করে আর উপনির্বাচন হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন।২০২১ সালে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন মুকুল।
মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০২৫
বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িত ষড়যন্ত্রকারীরা কেউ পার পাবে না; হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর
দিল্লি বিস্ফোরণের নেপথ্যে থাকা ষড়যন্ত্রকারীরা কেউ পার পাবে না। মঙ্গলবার সকালে বিদেশের মাটি থেকে এভাবেই হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ নিয়ে এই প্রথম প্রকাশ্যে বিবৃতি দিলেন প্রধানমন্ত্রী। গতকাল এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন।
২০০২-এর তালিকায় নাম নেই সস্ত্রীক সব্যসাচীর!
বিধাননগর পুরসভা তৈরি হয়েছে ১৯৯৫-এ। সেই থেকে টানা কাউন্সিলর, ২০১৫-এ বিধাননগরের মেয়র, ২০১৬-এ নিউটাউনের বিধায়ক। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু যার ভোটার ছিলেন, বিধানগর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সেই সব্যসাচী দত্তর নাম উধাও নির্বাচন কমিশনের ২০০২-এর ভোটার তালিকা থেকে। নেই তাঁর স্ত্রী ইন্দ্রাণীর নামও। যা নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ সব্যসাচী। স্বাভাবিকভাবেই এই এসআইআর পর্বে এনুমারেশন ফর্ম তিনি ফিলআপ কীভাবে করবেন সেই নিয়ে বেশকিছু প্রশ্ন তুলেছেন। বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসক এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গেও একাধিকবার কথা বলেছেন সব্যসাচী। কিন্তু কোনও সুরাহা বেরোয়নি। সব্যসাচীর বাড়ির ঠিকানা সল্টলেকের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ডিএল ২৩৯ নম্বর। থানা বিধাননগর পূর্ব। জানা যাচ্ছে, সেক্টর ২-এর ওই পাড়ায় ডিএল ২৩২ থেকে ২৪০ পর্যন্ত ৮টি বাড়িরই হদিশ উধাও ২০০২-এর ভোটার তালিকা থেকে। এই এলাকা একসময় রাজ্যের সব থেকে বড় বিধানসভা বেলগাছিয়া পূর্বের অন্তর্গত ছিল। ডিলিমিটেশিন হওয়ার পর এখন যা বিধাননগর বিধানসভা।
ধর্মেন্দ্র স্থিতিশীল; অভিনেতার মৃত্যুর গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন হেমা, ঈশা
সোমবার রাত থেকে মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়েছে তাঁর। কখনও হেমা মালিনী, কখনও সানি দেওল সমাজমাধ্যমে বার্তা দিয়েছেন, ধর্মেন্দ্র জীবিত। তিনি ধীরে ধীরে চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। এর পাশাপাশি, নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে হাসপাতালের। মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ প্রহরা। খবর, ধর্মেন্দ্র-সহ সমস্ত রোগীর গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ।
দিল্লির বিস্ফোরণে কি পুলওয়ামা কানেকশন?
দিল্লি বিস্ফোরণে পুলওয়ামা কানেকশন! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় লালকেল্লার সামনে যে গাড়িটিতে বিস্ফোরণ ঘটে সেটির বর্তমান মালিক তারিক নামের এক ব্যক্তি। জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তারিককে হোন্ডাই I-10 গাড়িটি বিক্রি করে ফরিদাবাদ থেকে ধৃত নাদিম খান নামের এক ব্যক্তি। তাঁকে জেরা করেই তারিকের কথা জানতে পারেন তদন্তকারীরা।
আশঙ্কাজনক ধর্মেন্দ!
সোমবার দুপুর থেকেই আশঙ্কাজনক বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। শারীরিক অবস্থার এতটাই অবনতি হয় যে, তাঁকে রাখা হয়েছে ভেন্টিলেশনে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, শারীরিক অবস্থা প্রায় একই রকম রয়েছে ধর্মেন্দ্র। এই মুহূর্তে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ধর্মেন্দ্রকে দেখতে গিয়েছেন তাঁর দুই ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওল। হাসপাতালেই রয়েছেন ধর্মেন্দ্রর স্ত্রী হেমা মালিনী।






