কলকাতা পুরসভার আতশকাচের নীচে এ বার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যয়। তাঁর দু-টি ঠিকানায় অবৈধ নির্মাণ হয়েছে, এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ বার জোড়া নোটিস পাঠাল পুরসভা।
কলকাতা পুরসভার আতশকাচের নীচে এ বার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যয়। তাঁর দু-টি ঠিকানায় অবৈধ নির্মাণ হয়েছে, এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ বার জোড়া নোটিস পাঠাল পুরসভা।
ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন ফলতার তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। আগামী ২১ মে ফলতা বিধানসভায় নির্বাচন। আজ, মঙ্গলবার ভোটের প্রচার শেষ হচ্ছে। কিন্তু তার আগেই সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা করে, ভোটের লড়াই থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা করেন 'বাহুবলি' জাহাঙ্গির খান।
নিজের বুথেই জিততে পারেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই মানুষ টাটা, বাই বাই করে দিয়েছে। ক্যামাক স্ট্রিটে বিজেপির উদ্যোগে আয়োজিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এভাবেই মমতাকে কটাক্ষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এর পাশাপাশি তিনি জানান, মমতার রাজনৈতিক কেরিয়ার শেষ হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের মানুষ তাঁকে দরজা দেখিয়ে দিয়েছেন।
পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিকের ৩২ হাজার জনের চাকরি বাতিল মামলা গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ এই মামলায় নোটিস জারি করল। অগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে মামলার শুনানির সম্ভাবনা। ২০১৪ সালে শুরু হওয়া নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিযুক্ত ৩২ হাজার জনের চাকরি বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন মূল মামলাকারী তথা বঞ্চিতেরা। সেই মামলাই গ্রহণ করল সুপ্রিম কোর্ট।
তৃণমূল থেকে বিজেপি, তারপর ফের তৃণমূল। শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবন বেশ পরিচিত। কয়েকমাস আগেই তৃণমূলে ঘর ওয়াপসি হয়েছিল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় কাননের। কিন্তু ভোটের ময়দানে দেখা যায়নি তাঁকে। পালাবদল হতেই এবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন শোভনের বিশেষ বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। দম্ভের কারণেই তৃণমূলের এই পরিণতি বলে দাবি করে জানালেন, তাঁদের সঙ্গে ঠিক কী কী করেছে দলের একাংশের নেতারা। বাংলার রাজনীতিতে শোভন-বৈশাখী অত্যন্ত পরিচিত নাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত আস্থাভাজন ছিলেন শোভন। পরবর্তীতে দলের সঙ্গে, ‘দিদি’র সঙ্গে দূরত্ব বাড়ে। শোভন-বৈশাখী একসঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতেও। কিন্তু বিজেপি মোহ তাঁদের বেশিদিন টেকেনি। ফের তৃণমূলে ফেরেন তাঁরা। এনকেডিএ'র চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান শোভন। মনে করা হচ্ছিল, ছাব্বিশ নির্বাচনে হয়তো প্রিয় কাননকে টিকিট দেবে দল। কিন্তু তা হয়নি।
"ওই ডাকাতটা কোথায়, পুষ্পা না কী যেন নাম। যত অভিযোগ করেছে সাধারণ নির্বাচনের সময়, সবগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে। গুন্ডামি করতে দেব না। নিশ্চিন্ত থাকুন। সাদা থান বাড়িতে ফেলতে দেব না। কোথায় পুষ্পা, কোথায় আপনি?
জেলে বসেই দুর্নীতির নেটওয়ার্ক! এমনটাই অভিযোগ দীর্ঘদিনের। পূর্বতন শাসক শিবিরের সহযোগিতায় স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিযোগ। প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে 'ঘুঘুর বাসা' ভাঙতে তৎপর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনায় তদন্তে নেমে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। প্রেসিডেন্সির সুপার এবং চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।