কোথায় তৃণমূল নেতা শওকত? ভাঙড় বিস্ফোরণকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত তথা ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে খুঁজছে এনআইএ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রের এই তদন্তকারী সংস্থা। 'নদীচোর' ছেলেকে আটক করা হলেও বেপাত্তা 'মাছচোর' বাবা। সূত্রের খবর, নদী পেরিয়ে বাংলাদেশ পালানোর চেষ্টা কষেছিলেন শওকত। যদিও তা সফল হয়নি। শোনা যাচ্ছে, কোনও এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন করে রয়েছেন তিনি। বন্ধ তিনটি মোবাইলই। এসবের মাঝেই শওকতকে পলাতক ঘোষণা করল এনআইএ।
শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
লোকসভাতেও 'আসল তৃণমূল'; দলনেতা হচ্ছে কাকলি
কয়েকটা দিনের অপেক্ষা, বিধানসভার ধাঁচে লোকসভার দখলও যেতে চলেছে 'আসল তৃণমূলে'র হাতে! এমনই শোনা যাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
গ্রেফতার স্বরূপ বিশ্বাস!
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকে গ্রেফতার করেছে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। এর পাশাপাশি তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, টালিগঞ্জের টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োর টেকনিশিয়ানদের কাছ থেকে টাকা তুলতেন তিনি। স্বরূপের গ্রেফতারির পর নিউ আলিপুর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে। স্বরূপের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা।
বিধাননগরও হাতছাড়া তৃণমূলের! মেয়র কৃষ্ণার ইস্তফা
বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
অভিষেকের বাড়িতে সমন হাতে ইডি!
বাড়িতে বেআইনি অংশ। এই অভিযোগ তুলে আগেই সদ্য প্রাক্তন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে হাজির হয়েছিল পুরসভা। এরপর বিধানসভার সই জালিয়াতিকাণ্ডে তাঁর বাড়িতে পৌঁছে যান রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি (CID)। যদিও, শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি হাজিরা দিতে পারেননি। আর এবার অভিষেকের বাড়িতে হাজির কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আজ বিকেল পাঁচটা নাগাদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছন গোয়েন্দারা। দুজন ইডি কর্তা পৌঁছন সেখানে।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা!
কয়েকদিন ধরে চলা জল্পনার সমাপ্তি ঘটল এদিন। শক্তি পরীক্ষায় পাশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী বিধায়কদের সই করা চিঠিকে স্বীকৃতি দিলেন স্পিকার রথীন্দ্রনাথ ঘোষ। অর্থাৎ এবার তৃণমূলের পরিষদীয় দলের 'আসল মালিকানা' পেলেন ঋতব্রত ও তাঁর সঙ্গী বিধায়করা। সাংবাদিক বৈঠক করে ঋতব্রত বললেন, 'আজ থেকে বিরোধ দল হিসেবে আমাদের যাত্রা শুরু।'তৃণমূলের ভবিষ্যৎ কী, পালাবদলের পর থেকে এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল সর্বত্র। তবে প্রথম থেকেই নেতা-কর্মীদের উপর ভরসা রেখেছিলেন সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, ফের ঘুরে দাঁড়াবেন।
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কাটছাঁট!
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কাটছাঁট করল রাজ্য সরকার। গত তিন বছর ধরে 'জেড ক্যাটেগরি'র নিরাপত্তা পাওয়া ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক তথা সিএবি সভাপতির নিরাপত্তা দু'ধাপ নামিয়ে 'ওয়াই ক্যাটেগরি' করে দেওয়া হল। যদিও নিরাপত্তা কমানোর বিষয়টি নিয়ে সৌরভ কোনও মন্তব্য করেন নি। প্রধানমন্ত্রী, বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদ, হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, প্রথম সারির রাজনীতিক এবং শীর্ষ আমলারা বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন— 'এক্স','ওয়াই' এবং 'জেড'। 'ওয়াই' এবং 'জেড'-এর ক্ষেত্রে 'প্লাস' বলে আলাদা একটি ক্যাটেগরি থাকে। সরকারি নির্দেশে শিল্পপতি, তারকা, খেলোয়াড়-সহ বিশিষ্ট নাগরিকেরাও নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। কার জীবনের ঝুঁকি কতটা তা খতিয়ে দেখে ঠিক করা হয় তিনি কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা পাবেন।






