পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় বড়সড় বদল আনতে নতুন বিল আনছে রাজ্য সরকার। প্রস্তাবিত বিল অনুযায়ী, পঞ্চায়েতের কাজে আর 'সিগনেটরি অথরিটি' থাকবেন না প্রধানেরা। অর্থাৎ, নথিপত্রে আর সই করার বা অনুমোদনের অধিকার থাকবে না পঞ্চায়েত প্রধানদের হাতে। এরভপরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হবে সরকারি আধিকারিকদের। এমনটাই জানালেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সোমবার বিধানসভায় পঞ্চায়েত বাজেটের জবাবি ভাষণে বক্তৃতা করছিলেন দিলীপ। সেখানেই এই নতুন বিলের কথা ঘোষণা করেন তিনি। জানান, আগামী দু'সপ্তাহের মধ্যে এ সংক্রান্ত বিল পেশ করা হবে বিধানসভায়। রাজ্যে পালাবদল হলেও অধিকাংশ পঞ্চায়েত রয়েছে তৃণমূলের দখলে।
পরবর্তী পঞ্চায়েত ভোট ২০২৮ সালে। অথচ রাজ্যে তৃণমূল ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বিভিন্ন পঞ্চায়েতে প্রধান এবং উপপ্রধানদের দেখা মিলছে না বলে অভিযোগ। তা নিয়ে পঞ্চায়েত প্রধানদের আগেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন দিলীপ। প্রধানদের বাড়িতে 'ডিমের পরিবর্তে ঢিল পড়বে' বলে সাবধানও করেছিলেন।
পঞ্চায়েতমন্ত্রীর ওই মন্তব্য নিয়ে এ দিন বিধানসভায় প্রশ্ন তোলেন ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের তিন বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন, সমীর জানা এবং বীণা মণ্ডল। বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে দিলীপ বলেন, "আমি বলেছি, পঞ্চায়েত প্রধান হলে মানুষকে পরিষেবা দিতে হবে।তাই বলেছি— এসে কাজ করুন, না হলে পদত্যাগ করুন। যদি অফিসে না আসেন, তা হলে পুলিশ দিয়ে কোমরে দড়ি দিয়ে এনে সই করাব। কী ভাবে জিতেছেন, কোন পার্টি করছেন, কোন দলে যাচ্ছেন জানি না। কোনও কিছুর জন্য মানুষকে বঞ্চিত করা যাবে না।"
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন