এবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে চাকরি পেতে বাংলা ভাষা এবং স্থানীয় ভাষা জানতে হবে। এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেক সময় অভিযোগ আসে, প্রশাসনের বিভিন্ন পদে কর্মরত বহু আধিকারিকই বাংলা ভাষায় পটু নন। অথবা বাংলা ভাষা জানেনই না।
এবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে চাকরি পেতে বাংলা ভাষা এবং স্থানীয় ভাষা জানতে হবে। এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেক সময় অভিযোগ আসে, প্রশাসনের বিভিন্ন পদে কর্মরত বহু আধিকারিকই বাংলা ভাষায় পটু নন। অথবা বাংলা ভাষা জানেনই না।
চাকরি প্রার্থীদের জন্য ভাল খবর। সম্প্রতি ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটির তরফে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিভিন্ন পদে নিয়োগের জন্য আবেদনপত্র গ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে।
SSC মামলার শুনানি চলাকালীন এজলাসে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ। SSC র আইনজীবীর বিরুদ্ধে বিশৃঙ্খলার অভিযোগ উঠল। এসএসসি-র আইনজীবীকে এজলাস ছাড়ার নির্দেশ হাইকোর্টের বিচারপতির। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেকে পাঠানো হল হাইকোর্টের শেরিফকে।
এজলাসে 'বিশৃঙ্খলা' করার অভিযোগ ওঠে SSC র আইনজীবীর বিরুদ্ধে। এরপরই আইনজীবীকে এজলাস ছেড়ে বেরিয়ে যেতে বলেন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলি। যদিও প্রাথমিকভাবে বেরোতে অস্বীকার করেন আইনজীবী, এমনটাই খবর। তখনই শেরিফকে ডেকে পাঠান বিচারপতি। আর তড়িঘড়ি এজলাস ছাড়েন SSC-র আইনজীবী চপলেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই সেইসময় এজলাসে উপস্থিত ছিলেন SSC-র চেয়ারম্যান ও সচিব। সাঁওতালি ভাষায় শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা চলাকালীন এই নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে।
প্রসঙ্গত, ফের অনিয়মের অভিযোগ স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে। এবার অলচিকি ভাষায় শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠল এসএসসি-র বিরুদ্ধে। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষর নিয়োগের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী চাকরিপ্রার্থীরা এই ইস্যুতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। স্কুল সার্ভিস কমিশনের আইনজীবী আদালতে সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় বুধবার সকাল সাড়ে দশটায় স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সচিবকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের জন্য পরীক্ষা দেওয়া প্রায় ৩০০ জন মামলাকারী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। অভিযোগ, অলচিকি ভাষায় শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০২০-এর ডিসেম্বরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কমিশন। তারপর পরীক্ষাও হয়। প্রায় ৪৬৫ টি শূন্যপদ ছিল। তাড়াহুড়ো করে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালাতে গিয়ে প্রার্থীদের নম্বরের বিভাজন-সহ অন্য আরও অনেক বিষয়ই স্পষ্ট করেনি স্কুল সার্ভিস কমিশন। ফলে যে প্রার্থীরা চাকরি পাননি, তাঁদের পক্ষে কোনও ভাবেই বোঝা সম্ভব নয় কীসের ভিত্তিতে, কেন তাঁদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। আগামিকাল সকালে আদালতে এসে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সচিবকে এই সমস্ত ব্যাপারে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে, নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চের।
শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বার বার দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রায় সাত বছরেও বেশি সময় আটকে আছে উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। এর পাশাপাশি কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের জেরে চাকরি হারালেন এক শিক্ষক। মুর্শিদাবাদের এক শিক্ষকের চাকরি বাতিল করল পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন। সাম্প্রতিক সময়ে এমন পদক্ষেপ অত্যন্ত বিরল। SSC-এর নবম-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন প্রশান্ত দাস নামে এক ব্যক্তি।
ওই মামলাটি উঠেছিল বিচারপতি অমৃতা সিংহের সিঙ্গল বেঞ্চে। সম্প্রতি সেই মামলার শুনানিতে আদালতে এসএসসি জানায় যে, ওই নিয়োগে কিছু সমস্যা ছিল। এরপরই আদালতের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়, নিয়োগে ভুল থাকলে কেন বেতন দেওয়া হচ্ছে ওই শিক্ষককে। এসএসসির তরফে জানানো হয়, মামলাটি বিচারাধীন বলে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এই যুক্তিতে অসন্তুষ্ট হয় হাই কোর্ট। অবিলম্বে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়। নভেম্বরের ২২ তারিখ মামলার শুনানি ছিল। কিন্তু পরে তা বাতিল হয়ে যায়। এরপরই কমিশনের তরফে চিঠি দিয়ে মামলাকারী প্রশান্ত দাসের আইনজীবী ফিরদৌস শামিমকে জানানো হয়েছে, নীলমণি বর্মনের চাকরি বাতিলের বিষয়টি। এবিষয়ে মামলাকারীর আইনজীবী বলেন, "এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এরকম আরও অনেক ঘটনা রয়েছে। সব ক্ষেত্রেই অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন।"
নিয়োগ দুর্নীতি প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "শিক্ষা দফতর বড় দফতর। কে কোথায় কী করে বেড়াচ্ছে, আর লোক ঢুকিয়ে বেড়াচ্ছে। অনেক কিছুই হচ্ছে।" রায়গঞ্জে দুই দিনাজপুরকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। প্রশ্ন উঠেছে, তা হলে কি স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) বিভিন্ন স্তরে নিয়োগ নিয়ে যে অস্বচ্ছতার ভিযোগ উঠেছে, ঘুরিয়ে সেই প্রসঙ্গেই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী?মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে অনিয়মের যে ইঙ্গিত রয়েছে সে সম্পর্কে তাঁর আমলের দায় এড়িয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি বলেন, "মুখ্যমন্ত্রীর কথায় অবশ্যই সারবত্তা আছে। জেলায় অতীতে যদি কিছু হয়ে থাকে আমরা যথাবিহিত ব্যবস্থা নেব।" অন্যদিকে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন,"মুখ্যমন্ত্রী কোন প্রেক্ষিতে এ কথা বলেছেন, তা না জেনে কিছু বলতে পারব না। তবে শিক্ষা দফতর নিশ্চিত ভাবে বড় দফতর। সমস্ত খুঁটিনাটি সবসময় সকলের নজরে আসে না।"
আগাম জানানো সত্ত্বেও সংসদ ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে গরহাজির থাকলেন দু'জন সাংসদক।এই দু'জন সাংসদকে শোকজ করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় কমিটি।
ওমিক্রন নিয়ে আশঙ্কার কালো মেঘ। করোনার এই ভ্যারিয়্যান্ট ইতিমধ্যেই থাবা বসিয়েছে ভারতবর্ষে। জানুয়ারি মাসে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে, এই আশঙ্কা করা হচ্ছিল। ভারতে এখনও পর্যন্ত ২৩ জন ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের নয়া স্ট্রেনে আক্রান্তের সংখ্যা। এর মধ্যেই কেন্দ্রকে ওমিক্রন নিয়ে কড়া সতর্কবার্তা শোনাল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (IMA)।
প্রায় ২০ মাস বন্ধ থাকার পর রাজ্যে খুলেছে স্কুল কলেজ। স্কুল খোলার পরই করোনা আক্রান্ত ৪ শিক্ষিকা। উপসর্গ দেখা দিয়েছে আরও কয়েকজনের দেহে। এবার ঘটনা হুগলির শ্রীরামপুরের রমেশচন্দ্র গার্লস হাইস্কুলের। শিক্ষকদের করোনার টিকাকরণ হলেও, স্কুল পড়ুয়াদের এখনও হয়নি।
শ্রীরামপুর রমেশচন্দ্র গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষিকা তাপসী পাল জানিয়েছেন, স্কুলের ৪ জন শিক্ষিকা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আরও কয়েকজনেরও উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের সবাইকে বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে। স্কুলে প্রতিদিন স্যানিটাইজার স্প্রে করা হচ্ছে। বেঞ্চে একজন করে বসছে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সবদিক থেকে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। অভিভাবকদের নিয়ে প্রতি সপ্তাহে মিটিং করা হচ্ছে। শিক্ষিকাদের করোনা হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই শঙ্কিত অভিভাবকরা।