বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ের স্বার্থে, সব দলের একসঙ্গে লড়াই করা উচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরে এই বার্তা দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরেই তার পালটা দিলেন এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষ। বললেন, "বামেদের লড়াই চিরকাল আরএসএস-এর বিরুদ্ধে ছিল। যাঁদের মতাদর্শ পালটায় তাঁদের লড়াইয়ে দরকার নেই।" ককরোচ জনতা পার্টির যন্তরমন্তর বিক্ষোভে শামিল হওয়ার পরই গত মঙ্গলবার ঐশীর বিরুদ্ধে পুরনো মামলায় পদক্ষেপ করে দিল্লি পুলিশ। যদিও শেষমেশ বামকর্মীদের বাধায় পিছু হটতে হয় পুলিশকে।
চোখের জলে অবসর ঘোষণা রাহানের!
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
মৃত্যুর ২ বছর পর কয়লা কেলেঙ্কারি থেকে মুক্ত ডঃ মনমোহন সিং!
শামির আন্তর্জাতিক কেরিয়ার কি শেষ?
বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন রাহুল গান্ধী!
নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে এদিন হট্টগোল লোকসভায়। বিজেপি সাংসদ কিরেন রিজিজুর অভিযোগ, 'অসংসদীয়' ভাষায় বিজেপি তথা কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছেন লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। হাউসের রেকর্ড থেকে শব্দটি বাদ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং।
ইডির দফতরে মদন মিত্র!
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
এবার জেলাতেই হবে বিমানবন্দর!
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এবার আশার আলো দেখছে পুরুলিয়ার ছররা বিমানবন্দর। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে এই পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটিকে পুনরুজ্জীবিত করার কাজ শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্র সরকারের ‘উড়ান’ প্রকল্পের আওতায় এই বিমানবন্দরটিকে যুক্ত করে এর আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই প্রকল্পের জন্য মোট ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সাংসদ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, ১৯৪২ সালে সামরিক প্রয়োজনে ছররা বিমানবন্দরটি তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এটি সক্রিয়ভাবে ব্যবহৃত হলেও তারপর থেকেই এটি সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বাম আমল থেকেই এই বিমানবন্দরটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও কাজ এগোয়নি। এমনকি বর্তমান তৃণমূল সরকারের আমলে বিগত ১৫ বছরে একাধিকবার এই নিয়ে ঘোষণা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তবে বর্তমান পরিস্থিতির পালাবদলের পর সাম্প্রতিক বাজেটেই ছররা বিমানবন্দর চালুর কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় এবং এর জন্য ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়।
অভিষেকের দফতর ভাঙা যাবে না ৬ আগস্ট পর্যন্ত!
দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কার্যালয় ভাঙার উপর স্থিতাবস্থা বহাল রাখল কলকাতা হাই কোর্ট। আজ, মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানিয়েছেন, আগামী ৬ অগস্ট পর্যন্ত এই স্থিতাবস্থা বহাল থাকবে। ওই দিনই দুপুর ২টোয় ফের এই মামলাটি শুনবে হাই কোর্ট। এর আগে গত ১৯ জুলাই (রবিবার), ছুটির দিনে এজলাস বসিয়ে ওই কার্যালয় ভাঙার উপর স্থিতাবস্থা জারি করেছিল হাই কোর্ট।
মঙ্গলবার রাজ্যের পক্ষ থেকে ওই স্থিতাবস্থা তুলে নেওয়ার জন্য নতুন করে আবেদন করা হয়। অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) সুরজিৎনাথ মিত্র জানান, মামলায় অন্তর্বতী নির্দেশ প্রত্যাহার করার আবেদন করা হয়েছে। ওই বিষয়ে দ্রুত শুনানি করা হোক। উল্টো দিকে, অভিষেকের সংস্থা 'লিপস্ অ্যান্ড বাউন্ডস'-এর পক্ষ থেকে আইনজীবী কিশোর দত্ত অন্তর্বতী নির্দেশের মেয়াদবৃদ্ধির আবেদন করেন। তৃণমূলের পক্ষ থেকেও ওই ভাঙার বিরুদ্ধে নতুন করে আবেদন করেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য।
রাজ্যের বক্তব্য, সেখানকার ৫০৯ এবং ৫১২ নম্বর দাগ জমির উপর নির্মাণ ভাঙা নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। অথচ সেখানে কোনও ভাঙার কাজ হয়নি। ভাঙা হয়েছে ৫০৭ নম্বর দাগে। ফলে আদালতের আগের স্থিতাবস্থার নির্দেশ প্রত্যাহার করা উচিত। পাল্টা কিশোর জানান, জমির দাগ নম্বর নিয়ে যে বিতর্ক রয়েছে, ওই বিষয়ে বক্তব্য জানানো হবে। তিনি বলেন, "আমার মক্কেল (অভিষেক) জমির মালিক। ভাঙার আগে ওই সংস্থাকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। এমনকি অভিযোগে কী ছিল, কোন নথির ভিত্তিতে বেআইনি নির্মাণ বলা হয়েছে, সেই সব তথ্যও দেওয়া হয়নি। কোনও বক্তব্যের সুযোগ না-দিয়েই ভাঙা হয়েছে।" একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, "যদি বেআইনি নির্মাণ হয়েও থাকে, তবে প্রথমে জমির মালিককেই ভাঙার জন্য সময় দেওয়া উচিত। তিনি না-ভাঙলে তখন কর্তৃপক্ষ পদক্ষেপ করতে পারতেন। এ ক্ষেত্রে সেটিও হয়নি।"
দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি ঘোষ জানান, এই মামলায় তিনটি আলাদা আবেদন জমা পড়েছে। সেগুলি নিয়ে একত্রে শুনানি করা প্রয়োজন। তাই আপাতত মামলার শুনানি মুলতবি রাখা হল। আগামী ৬ আগস্ট এই মামলার শুনানি হবে।
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
মূল্যবান গাছ পাচারের অভিযোগ শাহজাহানদের বিরুদ্ধে; বড় ভূমিকা অভিষেকের
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
'কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি'....এই কথা বলে কেউ যেন বাড়ি ফিরে না যেতে পারে; হুঁশিয়ারি দিলেন শমীক ভট্টাচার্য
![]() |
কার্গিল দিবসের দিন কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। আর এমন আবহে কলকাতায় দাঁড়িয়ে হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এবার থেকে কলকাতায় দাঁড়িয়ে ‘আজাদি' স্লোগান বা 'কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি' স্লোগান দিলে ছেড়ে কথা বলা হবে না বলে মন্তব্য শমীকের। এ দিন শমীক ভট্টাচার্য বলেন,"দেশ বিরোধী শক্তি নতুন করে মাথা চাড়া দিয়েছে।
শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক; জট কাটল না; ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে অনড় রইল ককরোচ জনতা পার্টি
নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্ক; শিক্ষা সচিব পদ থেকে সরানো হল বিনীত যোশীকে
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
জন্ম, মৃত্যুর শংসাপত্র; দিতে পারবেন না পঞ্চায়েত প্রধান এবং পুরপ্রধানরা
এবার থেকে জন্ম, মৃত্যুর শংসাপত্র আর দিতে পারবেন না পঞ্চায়েত প্রধান এবং পুরপ্রধানরা। সরাসরি সরকারি আধিকারিকেরা তা দিতে পারবেন। স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে গোটা রাজ্যে আধিকারিকদের এই দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হবে। আজ,বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল। পঞ্চায়েত প্রধানদের হাতে থাকবে না আর আর্থিক ক্ষমতাও। আগামী শনিবার এই মর্মে বিধানসভায় বিল পেশ হতে পারে।
হাই কোর্টে ধাক্কা; রক্ষাকবচ দেওয়া যাবেনা অভিষেককে
হাই কোর্টে ধাক্কা তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এদিন মিলল না সার্বিক রক্ষাকবচ! বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের প্রশ্ন, অভিষেকের তো রক্ষাকবচ রয়েছে। আবার কী প্রয়োজন? তৃণমূল নেতার আইনজীবী কপিল সিব্বল জানান, রক্ষাকবচ আছে একটি মামলায়। ডিজে মন্তব্যের জেরে মামলায় রক্ষাকবচ রয়েছে। তাঁরা সার্বিক রক্ষাকবচের আবেদন করছেন।
বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
সিজিও-তে মদন পুত্র!
'চাইলে জামা-কাপড় খুলে রাস্তায় মারতে পারি!' বিস্ফোরক দিলীপ
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
মমতার সঙ্গে কথা কাটাকাটি; সভাত্যাগ কল্যাণের
![]() |
নিজের বক্তৃতা শেষ করেই ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে নেমে সটান বাড়ি চলে গেলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতা শোনার জন্যও অপেক্ষা করলেন না। কালীঘাটপন্থীদের একটি সূত্র বলছে, নেত্রী সংক্ষেপে বক্তৃতা শেষ করার নির্দেশ দিলেও কানে তোলেননি শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ। প্রায় সাড়ে ২২ মিনিট বক্তৃতা করেছেন তিনি। তার জেরে তালিকায় থাকলেও বাদ পড়তে হয়েছে কয়েক জন সাংসদ-বক্তাকে। তা নিয়েই ‘কথা কাটাকাটি’ হয়েছে নেত্রীর সঙ্গে।
'সিম্বল ছাড়ব না, সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব'; হুঙ্কার মমতার
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
নয়া বিল আনছে সরকার; পঞ্চায়েত প্রধানদের সইয়ে আর কোনও কাজ হবে না
সরকারি দপ্তরের কাজকর্মে বাংলা ভাষা ব্যবহার বাধ্যতামূলক! নয়া ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
বাংলা ভাষাকে ব্যাপকতরভাবে ছড়িয়ে দিতে এবার বড়সড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যের প্রতিটি সরকারি দপ্তরের কাজকর্মে বাংলা ভাষা ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হল বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। সোমবার বিধানসভায় এই ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
mgid
adgebra
Offer-2
offer-1
Adnow
AD
Popular Posts
-
রাজ্যের স্কুল গুলিতে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতের মধ্যে সমস্যা আছে। আর সেই কারণে এই রাজ্যে শিক্ষকের ঘাটতি আছে। সোমবার বিধানসভায় এমনই কথা বললেন ...
-
প্রায় জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করল ভারত। যে কোনও দলের কাছে এই হার লজ্জার। বুধবার ব্রিসবেনে ডাকওয়ার্থ লুইস সিস্টেমে প্রথম টি২০ ম্যাচ মাত্র ৪ ...
-
টার্গেট ২০১৯ এর লোকসভা ভোট। আর তার আগে বিজেপি বিরোধী জোট মজবুত করতে আগ্রহী চন্দ্রবাবু নাইডু। আর সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্...



















