দুর্গাপুজোর মণ্ডপের কাছে সিপিএমের বইয়ের স্টল বসানো মামলায় পুলিশের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করল হাই কোর্ট। কেউ বইয়ের দোকান দিলে কিসের সমস্যা, প্রশ্ন তুলল আদালত। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের মন্তব্য, "সেখানে তো কোনও লটারি দোকান দেবেন না।
বইয়ের দোকান দেবেন। অসুবিধার কী আছে?" বিরোধী রাজনৈতিক দলের কণ্ঠস্বর যাতে রোধ না হয়, সে বিষয়টিও তুলে ধরে আদালত।সিপিএমের অভিযোগ, উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় একটি মণ্ডপের সামনে তারা স্টল বসানোর অনুমতি পাচ্ছে না। তা নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় তারা। বুধবার বিচারপতি ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে সিপিএমের আইনজীবীর সওয়াল, বহু বছর ধরে তারা সেখানে বইয়ের স্টল দিয়ে আসছে। এই বছর হঠাৎ অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। অথচ অন্যদের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। সিপিএমের বক্তব্য, হিন্দু জাগরণ মঞ্চও সেখানে বইয়ের স্টল বসানোর অনুমতি পেয়েছে। সে ক্ষেত্রে সিপিএম ছাড়া বাকিদের কাছে স্টল বসানোর প্রয়োজনীয় অনুমতি রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে সিপিএম। শুনানির এক পর্যায়ে বিচারপতি ভট্টাচার্য বলেন, "এক পক্ষকে (অনুমতি) দেওয়া হবে, অন্যদের দেওয়া হবে না— এটা ঠিক নয়। বিরোধী রাজনৈতিক দলের কণ্ঠস্বরকে এ ভাবে দাবিয়ে দেওয়া উচিত নয়।"এ দিন এজলাসে রাজ্যের হয়ে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎনাথ মিত্র। তাঁর বক্তব্য, এই মামলাটি পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা বা অতিসক্রিয়তা সংক্রান্ত মামলা নয়। এটির সঙ্গে পুলিশের কোনও সম্পর্ক নেই। তাই সিপিএমের মামলাটি বিচারপতির ভট্টাচার্যের বেঞ্চ শুনতে পারে না বলে এজলাসে জানান তিনি। মামলাটি যাতে উপযুক্ত বেঞ্চে শোনা হয়, সেই আবেদন জানান তিনি।
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন