রাজ্যে ক্ষমতা হস্তান্তরের পর থেকেই অপরাধ দমনে তৎপর সরকার। ইতিমধ্যে বঙ্গে আনা হয়েছে গুণ্ডা দমন আইন। পালাবদলের পর কার্যত 'যোগীরাজ্যের মডেলে' পশ্চিমবঙ্গেও অপরাধীদের খত করতে শুরু হয়েছে এনকাউন্টার। বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্তের এনকাউন্টার দিয়ে সূত্রপাত, এবার একই দিনে গাইঘাটা-সামশেরগঞ্জেও চলল বন্দুকের শাসন।
এ প্রসঙ্গে বিরোধীশিবিরে একাধিক অভিযোগ থাকলেও, অপরাধীদের উৎখাত করতে এনকাউন্টার-কায়দায় আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। রায়গঞ্জের সভা থেকে ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য করলেন শুভেন্দু। রাজ্যে নারী নির্যাতন ও অপরাধমূলক কার্যকলাপ যে বরদাস্ত হবে না, রায়গঞ্জের সভা থেকে তা আরও একবার স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। সম্প্রতি গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে পুলিশের এনকাউন্টারের প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানান, পশ্চিমবঙ্গের মা-বোনদের সুরক্ষা পুলিশকে 'খোলা হাত' দেওয়া হয়েছে। এ দিন মঞ্চে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, "যা করার করব। নিশ্চিন্তে থাকুন। পুলিশকে খোলা হাত দিয়ে এসেছি। কেউ যদি ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির মতো কাজ করে, তাহলে যা দরকার পুলিশ তাই করবে। যারা মা-বোন ও মেয়েদের অসম্মান করবে, তাদের কী পরিণতি হচ্ছে তা সবাই দেখতে পাচ্ছে। সামাজদার কা তো ইশারাই কাফি হ্যায়। পুলিশমন্ত্রী তো এর থেকে বেশি কিছু বলব না। আপনারা সজাগ থাকবেন।"
0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন