আইপিএল ২০২৫-এর মেগা ফাইনাল ছিল। এই খেলায় পঞ্জাব কিংসকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ৬ রানে হারিয়ে প্রথমবারের জন্য ট্রফি ঘরে তুলেছে আরসিবি। ১৮ বছরের অপেক্ষার অবসান হয়েছে বিরাট কোহলির। অবশেষে আইপিএল জিতে নিজের আবগ ধরে রাখতে পারেনি বিরাট কোহলি.। শেষ ওভারে জয় নিশ্চিত হতে মাঠেই কেঁদে ফেলেছিলেন বিরাট। ম্যাচ শেষে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আবেগে পরিপূর্ণ ছিল প্রতিটি কথা। মুখ খুললেন নিজের আইপিএল অবসর নিয়েও। বিরাট কোহলি বলেন, "আমার হৃদয় ব্যাঙ্গালোরের সঙ্গে, আমার আত্মা ব্যাঙ্গালোরের সঙ্গে এবং যতদিন আমি আইপিএল খেলব, এই দলটির হয়েই খেলব। আজ রাতে আমি শিশুর মতো ঘুমাবো।" কোহলির এহেন মন্তব্য মন ছুঁয়ে যায় সকলের। কাপ জয়ের পরে কোহলি আরসিবি সমর্থকদের একটি খুশির খবর দেন। অবসর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন,"আমার কাছে এই খেলা চালিয়ে যাওয়ার এখনও অনেক বছর সুযোগ রয়েছে। অবসরের এখনও সময় আছে। যত দিন খেলব আরসিবির হয়ে নিজের সবটুকু দিয়ে খেলব।"
বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫
মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫
রাজ্যের ১৬ জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি; দক্ষিণে তাপপ্রবাহ
ভ্যাপসা গরম এবং বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি আগামী কয়েক দিন প্রায় হাত ধরেই চলবে গোটা দক্ষিণবঙ্গে। এই খবর জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে মাঝেমধ্যে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণেক কয়েকটি জেলায়। এই বৃষ্টিতে গরম কমবে না। উল্টে বেশ কিছু জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। গরমে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দিয়েছে হাওয়া অফিস। উত্তরের প্রায় সব জেলাতেই চলবে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পূর্ব বিহারের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। তার প্রভাবেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলতে পারে ঝড়বৃষ্টি। আবার শুষ্ক পশ্চিমা বায়ুর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। মঙ্গলবার ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা কলকাতা-সহ দক্ষিণের বেশ কয়েক জেলায়। অস্বস্তি বৃদ্ধি করেছে আর্দ্রতা। বুধবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণের কিছু জেলায় এই অস্বস্তি বজায় থাকবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের কিছু অংশে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ঝাড়গ্রাম, কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে থাকবে অস্বস্তিকর গরম। তবে মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। যদিও জেলার সব জায়গায় বৃষ্টি হবে না।
অনুব্রতকে গ্রেফতার করার সাহস পুলিশের নেই; বিস্ফোরক সুকান্ত
অনুব্রত মণ্ডল নিয়ে যে বিতর্ক গত কয়েকদিন ধরে শুরু হয়েছে, তা নিয়ে রাজ্য সরকার, তৃণমূল কংগ্রেস ও পুলিশকে একসাথে আক্রমণের রাস্তায় হাঁটলেন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। মঙ্গলবার কলকাতা বিমানবন্দরের বাইরে দাঁড়িয়ে তিনি দাবি করলেন, অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করার সাহস নেই পুলিশের।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে অনুব্রত মণ্ডলের একটি ফোন কল প্রকাশ্যে আসে। সেখানে বীরভূমের এই তৃণমূল নেতাকে বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারের সঙ্গে অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করে কথা বলতে শোনা যায়। এমনকী, ওই আধিকারিকের স্ত্রী ও মাকে নিয়ে অশালীন কথা বলতেও শোনা যায়।
এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয় গোটা রাজনৈতিক মহলে। এর পর তৃণমূল কংগ্রেস অনুব্রতকে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেয়। চারঘণ্টা সময় দেওয়া হয় অনুব্রতকে। তবে দলের নির্দেশ মেনে তৃণমূলের এই নেতা সঙ্গে সঙ্গেই ক্ষমা চেয়ে নেন। কিন্তু গত শুক্রবার পুলিশের তরফে তাঁকে থানায় হাজিরার নোটিশ দেওয়া হয়। শনিবারও নোটিশ দেওয়া হয় তাঁকে। যপদিও এখনও পর্যন্ত তিনি হাজিরা দেননি। উলটে আইনজীবী মারফত অসুস্থতার কথা তিনি জানিয়েদেন পুলিশকে।
এই নিয়েই এদিন প্রশ্ন করা হয় কেন্দ্রীয়মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে। উত্তরে তিনি বলেন, "পুলিশ গ্রেফতার করতে না চাইলে আপনি কীভাবে গ্রেফতার করবেন। হাজিরার সঙ্গে কী সম্পর্ক ? বাড়ি থেকে তো তুলে আনতে পারে। আনছে না কেন ? পুলিশ গ্রেফতার করবে না। পুলিশের সেই সাহস নেই।"
শত্রুপক্ষের উপর হামলা চালাতে বায়ুসেনা পাচ্ছে দেশীয় প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান; এর কী বিশেষত্ব? পড়ুন
পহেলগাঁও হামলার পর পাকিস্তানের মাটিতে প্রত্যাঘাত করতে 'সিঁদুর' অভিযান চালিয়েছিল বায়ুসেনা। সেই অভিযানে সাফল্য আসার পর বায়ুসেনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে চাইছে সরকার। ইতিমধ্যে জোরকদমে তার প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। সামরিক অস্ত্র হোক বা সরঞ্জাম, এ ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার প্রক্রিয়া অনেক আগেই শুরু করে দিয়েছে ভারত। সেই 'মেক ইন ইন্ডিয়া'-র আওতায় তৈরি যুদ্ধবিমান এ বার বায়ুসেনার হাতে তুলে দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই বায়ুসেনার হাতে সেই বিমান তুলে দিতে পারে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল)। নাসিকে হ্যাল-এর কারখানায় তৈরি হচ্ছে সেই যুদ্ধবিমান তেজস এমকে ওয়ান-এ। তেজসের এমকে ওয়ান-এর উন্নত সংস্করণ এই যুদ্ধবিমান। এটি বহু কার্যক্ষমতাসম্পন্ন (মাল্টিরোল) একটি যুদ্ধবিমান। সূত্রের খবর, মিগ ২১-এর মতো পুরনো যুদ্ধবিমানের জায়গায় এই বিমানকে কাজে লাগানো হতে পারে। সূত্রের খবর, নাসিকে হ্যালের এই কারখানায় প্রতি বছর পাঁচটি তেজস এমকে ওয়ান-এ যুদ্ধবিমান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। পরে সেই উৎপাদনক্ষমতা বাড়িয়ে আট করা হতে পারে। সূত্রের খবর, প্রথম তেজস এমকে ওয়ান-এ বিমান জুন মাসের শেষের দিকে বায়ুসেনার হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। তারই প্রস্তুতি চলছে।
এই যুদ্ধবিমান আকাশ থেকে আকাশ এবং আকাশ থেকে ভূমি দু-টি ক্ষেত্রেই হামলা চালাতে দক্ষ। প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ২২০০ কিলোমিটার (১.৮ ম্যাক) গতিতে উড়তে সক্ষম। ১৮৫০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে এই বিমান। এই বিমান ৭ হার্ডপয়েন্ট, ২৩ মিলিমিটার জিএসএইচ-২৩, অস্ত্র বিভিআর ক্ষেপণাস্ত্র, ব্রহ্মস-এনজি এবং গাইডেড বোমা বহনে সক্ষম। এর পাশাপাশি রয়েছে ইজ়রায়েলি এইএসএ রেডার, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সুইট।
পহেলগাঁও-কাণ্ডের পর প্রথমবার কাশ্মীর সফরে প্রধানমন্ত্রী!
পহেলগাঁও সন্ত্রাস হামলার পর এই প্রথম জম্মু-কাশ্মীরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী ৬ই জুন উপত্যকায় পা রাখবেন তিনি।
জানা গিয়েছে, শ্রীনগর থেকে কাটরাগামী বন্দে ভারতের উদ্বোধনেই সেখানে যাবেন তিনি। গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হানা। ২৫ পর্যটকের মৃত্যু। তারপর থেকে কেটে গিয়েছে একটা মাসেরও বেশি সময়। কত জল বয়ে গিয়েছে সিন্ধু হয়ে। কিন্তু তা পৌঁছতে পারেনি পাকিস্তানে। কারণ, সেই সন্ত্রাসী হামলার পরেই পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক ভাবে সমস্ত সম্পর্ক চ্যুত করে দেয় ভারত। এমনকি, কূটনৈতিক মারই নয়। পাকিস্তানকে শায়েস্তা করতে তোপ দাগতেও ছাড়েনি ভারত।
পহেলগাঁও হামলার পর ৭ই মে মধ্যরাতে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর, সিন্ধ প্রদেশ ও পঞ্জাব প্রদেশে একাধিক জঙ্গি ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা। অপারেশন সিঁদুর নামে সেনা অভিযানে গুঁড়িয়ে দেয় একের পর এক সন্ত্রাসী ঘাঁটি। তারপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ ও পরে বিরতি। কত না পর্ব পেরিয়েছে। এবার সেই সকল পর্ব পেরিয়ে সন্ত্রাসী হানার ছাপ লেগে থাকা কাশ্মীরে পা রাখতে চলেছেন মোদী। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ আসলে সরাসরি সন্ত্রাসবাদকে করা চ্যালেঞ্জ। এক মাস আগে যে ভূমি রেঙেছিল রক্তের দাগে, সেই ভূমিতে দাঁড়িয়ে উন্নয়নের বার্তা দেবেন মোদী।
ফের জটিলতা; এসএসসির নতুন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি বাতিল চেয়ে মামলা দায়ের
সোমবার, ২ জুন, ২০২৫
মুজিব মুছে নতুন নোটে হিন্দু ও বৌদ্ধ মন্দিরের ছবি! নয়া কৌশল ইউনুসের
'নতুন' বাংলাদেশের টাকা থেকে সরেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি। রবিবার বাংলাদেশ রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে এই নোট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ্যে আসে। নতুন টাকায় বঙ্গবন্ধুর বদলে রয়েছে হিন্দু ও বৌদ্ধ মন্দির, প্রয়াত চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিনের ভাস্কর্য এবং জাতীয় শহিদ সৌধ। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, নতুন নোটে হিন্দু ও বৌদ্ধ মন্দিরের ছবি দিয়ে কী বার্তা দিতে চাইছে ইউনুস সরকার? হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে হিন্দু-সহ অন্যান্য সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার লাগামছাড়া হারে বৃদ্ধি পেয়েছে! চাপের মুখে পড়ে এই ঘটনাগুলো থেকে নজর ঘোরাতেই কি এমন সিদ্ধান্ত?
গত বছরের আগস্ট মাসে হাসিনা গদিচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়ার পর থেকেই টাকার উপর থেকে মুজিবের ছবি মুছে ফেলার দাবি তোলা হচ্ছিল। গত অক্টোবর মাসেই মুজিবের সরিয়ে নতুন নোট ছাপানোর উদ্যোগ নেয় ইউনুস সরকার। এবার তারই বাস্তবায়ন হয়েছে। চলতি বছর থেকেই বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক নতুন ছাপার প্রক্রিয়া শুরু করে। গতকাল ২০, ৫০ ও ১০০০ টাকা প্রকাশ্যে আনা হয়। ২০ টাকার নোটে রয়েছে হিন্দু মন্দিরের ছবি, ৫০ টাকায় মুসলিম স্থাপত্য ও ১০০০ টাকার নোটে রয়েছে বৌদ্ধ মন্দিরের ছবি। ধাপে ধাপে পরবর্তী নোটগুলির ডিজাইনও বদল করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক।






